Monday, August 18, 2008

back up post -1

শুকিয়ে যাওয়া পদ্মার পাড়ের ছিমছাম ছবির মত একটি গ্রাম। সেদিনের সকাল অন্য দশটি দিনের সকালের চেয়ে কিছুটা আলাদা। সকাল থেকে মাতব্বরের বাড়ীর সামনে জটলা - সালিশ বসেছে। দিনমজুর হাসান আলীর চৌদ্দ বছরের মেয়েটা জড়সড় হয়ে এক কোনে দাড়িয়ে আছে। ঘটনা আর কিছু নয়। মাতব্বরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আর ব্যবসায়িক অংশীদার তৈয়বের বাড়ীতে কাজ করত মেয়েটি। তৈয়বের নষ্ট স্বভাবের কথা বাবা জানতেন না। ফলশ্রুতি যা হবার তাই হল। ঘটনা ঘটার পর হাসান পায়ে ধরল মাতব্বরের।

"ঘটনা ভুইলা যা। না হলে বিপদ আছে।" মাতব্বর হুশিয়ারী দেয়।

"আমার একটাই মা মরা মেয়ে। আপনারা বিচার না রলে কোর্টে যামু।" হাউ মাউ করে কাদতে থাকে হাসান।

"যা।" নির্লিপ্ত উত্তরে তাড়িয়ে দেয় হাসানকে।

হাসান যে সত্যিই যাবে তা ভাবে নি মাতব্বর। একদিন হঠাৎ তৈয়ব এসে হাজির।

"আমি আর তুমি এক সূতায় গাথা, তা তো জানো। আমার বিপদ মানে তোমারও বিপদ।" তৈয়ব শুরু করে।

"তা তো জানি। সরাসরি কথা বল।" মাতব্বর জবাব দেয়।

"পুলিশ আসছে। হাসানের মেয়ের ঘটনা নিয়ে ঘাপলা করতে চায়।" তৈয়ব বলে।

"কি বলছ?"

ঘটনা খুলে বলে। এটা যে এতদূর যাবে তা কেউ ভেবে উঠতে পারে নি। কি সব নারী সংগঠন গুলো নাকি উঠে পড়ে লেগেছে।

"দেখি কি করতে পারি।" মাতব্বর জবাব দেয়।

অবশেষে এই সালিশের আয়োজন। মাতব্বরের ডান পাশে আছেন ইমাম - যার বেতন আসে মাতব্বরের দেয়া বিশাল অংকের চাদা থেকে। যদিও গতকাল অনেকটা খোলামেলা ভাবেই হুশিয়ারী দেয়া হয়েছে, তাও মাতব্বর ঠিক ভরসা করতে পারছেন না। যদি বেকে বসে ইমাম।

গলা খাকারি দিয়ে মাতব্বর শুরু করে ভাষন।

"বুঝলা মিয়ারা। আমরা সবাই মুসলমান। ইসলামে এই জ্বিনা হইল গিয়া সবচেয়ে বড় অপরাধ। আমরা সবাই এইডার বিচার চাই। কি কও।"

একটু থামে মাতব্বর। ইমামের দিকে ফেরে। ইমাম সাহেবও শুরু করেন বয়ান। সারমর্ম হল মেয়েটি যেহেতু স্বীকার করেছে, তাই তাকে বেত্রাঘাত করতে হবে। তৈয়ব যেহেতু স্বীকার করে নি এবং কোন সাক্ষীও নেই, তাই তার কোন শাস্তি নেই। তবে তাকে পাচশত টাকা জরিমানা করা যেতে পারে।

মাতব্বরের চোখ হুশিয়ারী দেয়। এই রায় মেনে নাও তো ভাল। নইলে কাল যে বেচে থাকবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। সে ভাষা আর কেউ না বুঝলেও হাসান বুঝতে পারে।

রায় শুনেও মেয়েটি চুপ করে দাড়িয়ে থাকে। সে ইতিমধ্যে বুঝে গেছে এই তার পাওনা। হাউমাউ করে কাদতে থাকে হাসান।

রায় সময় মত কার্যকর হয়।

গ্রামসুদ্ধ মানুষ দাড়িয়ে থাকে। দেখে সপাং সপাং করে দেয়া বেত গুলো। সেগুলো চামড়া কেটে বসে যায় মেয়েটির শরীরে।

পেপারে ছাপা হয়। আমরা শুধু দেখি। দেখি। দেখি।

দেখে দেখে আমরা অভ্যস্ত। আমাদের মনে অনুভূতি জন্ম নেয় না। মেয়েটা যদি কখনও বা কাদে, আমরা ধমক দেই, "এই ছেমড়ি, চুপ।" আমরা বিরক্ত হই।

আমি থামলাম এখানে। আপনারা বলবেন, এ আমার কল্পনা। আমি লেখক হয়ে কল্পনা করি সবকিছু। আমি পৃথিবীকে দেখি আমার কল্পনায়। আমি নিজের মত করে সাজাতে চাই আমার কথামালাকে।

সেই সত্য যা রচিবে তুমি।
কবির মনোভূমি যে রামের জন্মস্থান অযোধ্যার চেয়ে সত্য।

সত্যিই কি তা আমার কল্পনা?

কি করে হয় তা।

আমি কি করে ভুলতে পারি সেই চোখ আর সেই মুখ।

আমি যখন সিক্সের ছাত্রী তখন আমার ক্লাশমেটের কাছ থেকে শুনে তার বোনের বাসায় যাই শুধু সেই মুখটিকে দেখার জন্য। কতদূর আমাদেরকে সেদিন হাটতে হয়েছে। কয়টি সরিষা ক্ষেত আমাকে পার হতে হয়েছে। আমার বান্ধবী বলছে, "এই তো আর বেশী দূরে নয়।"

"দেখ, দেরী হলে আম্মা মারবে।" আমি জবাব দিচ্ছি।

"দেরী হবে না।"

আমাদের সে ছেলেমানুষী কষ্ট তোমার হৃদয়ের নীল ব্যথাটিকে কি অনুভব করেছিল? তুমিও তো ছিলে সিক্সের ছাত্রী। তবে তোমার জীবনটা কেন উল্টিয়ে গেল।

"এই আয় রান্না ঘরে আয়।" বান্ধবী নীলা ডাক দেয়, "মেয়েটা যাতে না বুঝতে পারে।"

আমরা দাড়াই রান্না ঘরে। নীলার বোনের সাথে কথা বলি। আড় চোখে দেখে নেই একটি মেয়েকে - যার চোখে মুখে নীল বেদনার অসহনীয় অভিব্যক্তি।

এরপর ছুট দেই বাসায়। আম্মা মারবে কিনা সেই চিন্তা মাথায়।

কত বছর কেটে গিয়েছে। বড় হয়েছি নিজের অজান্তে। সিক্সে পড়া অবস্থায় যা বুঝিনি, এখন তা বুঝতে পেরেছি। তোমার চেহারার বেদনা আমার চোখে সেদিন বিষ্ময়কর লেগেছিল। বয়স কম থাকায় এমনটি হয়েছিল। আমার বান্ধবীর বোন, যিনি মহিলা পরিষদের সক্রিয় কর্মী, তিনি তোমাকে কোলে তুলে নিয়েছিলেন। নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে তোমার অধিকার হরনকারীদের বিচার করতে চেয়েছিলেন। তিনি সফল হয়েছেন কিনা জানিনা। সে বয়সে এ আগ্রহ থাকে না।

এখন আপনারা পাঠকরা জবাব দিন। আপনাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা - এটাও কি কল্পনা।

এটা তো কল্পনা নয়।

এটা তো আমার ছেলেবেলার ছবি। আমার মানসপটে আকা ছবি। এতো শ্বাশত বাংলার নারীর ছবি। এবার কি বলবেন আপনারা। এবার তো আপনাদের চুপ হতে হবে। এবার তো স্বীকার করবেন আমি মিথ্যা বলিনি। আমার লেখনী কোন অতিরন্জ্ঞন করে নি। আমি তুলে ধরেছি একটি অতি সাধারন গায়ের বালিকাকে। তুলে ধরেছি একটি সাধারন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনাকে। কারন এ যে আমার নিজের দেখা থেকে আলাদা নয়। আমিই তো তাকে মাইল হেটে দেখতে গিয়েছিলাম এক বিকেলে।


আমি তো সামহোয়ার নামক একটি নষ্ট ফোরাম থেকে কবেই চলে এসেছি।

তবে সেটা কেন আমাকে এখনও দুঃস্বপ্ন হয়ে তাড়া করে?

কেন, এখনও সেই নষ্টামির ছায়া আমাকে ঘিরে রাখে?

কেন ফারজানাকে করা পিয়ালের কমেন্ট দেখে আমি বমি করতে ছুটে যাই বাথরুমে? এটা কি কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা? এটাই কি চলছে না দিনের পর দিন?

কারন আমি তোমাকে ভুলতে পারি না। ক্লাস সিক্সে পড়া অবস্থায় তোমাকে দেখেছি। তোমার বেদনাকে দেখেছি। বুঝতে পারি নি বয়সের কারনে। কিন্তু গেথে গিয়েছে আমার মনে। আজও আমি যখন ওসব কমেন্ট দেখি তখন তোমার মুখটা আমার চোখের সামনে চলে আসে। আমি আনমনে তোমাকেই ভাবতে থাকি।

আমি একদিন মন্তব্য করেছিলাম, সামহোয়ার বাংলাদেশকে তুলে ধরেনা। সেখানে মাটির গন্ধ পাওয়া যায় না। আজ মনে হচ্ছে কথাটা আংশিক সত্য। পুরো সত্য নয়। সামহোয়ার আসলে বাংলাদেশের পরিস্থিতিকেই তুলে ধরে। এই বাংলার মাটিতেই তো ধর্ষকের বিচার হয় না। বরং হয় ধর্ষিতার বিচার। এই বাংলার মাটিতেই ধর্ষক এসে দাবী করে "নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারি নি।" ধর্ষিতার আচরনই সবকিছুর জন্য দায়ী। আমরা তাই বিচার করি ধর্ষিতা মেয়েটির।

সামহোয়ার তো এদেশেরই একটি প্রতিষ্ঠান। তাই সামহোয়ার যখন পিয়ালকে তিন দিন নামক হাস্যকর ব্যান করে ফারজানার লেখা সরিয়ে তাকে পুরো ব্যান করে তার বিরোধীদের ব্লগে তাকে নিয়ে মস্করা করার সুযোগ দেয় - তখন আমি আবারো উপলবদ্ধি করি এই সামহোয়ার বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। এই সামহোয়ারে এস্কিমোরা যখন ফারজানাকে তামাশা করে তখন আমি বুঝি সামহোয়ার বাংলাদেশের প্রতিভু।

তবে আমি নৈরাশ্যবাদী নই। আমি আমার সন্তানদের দিকে তাকাই। আমি বিশ্বাস করতে চাই দিন বদলাবেই। এই দিন পৌছুবে সেই দিনের কাছে।

অপেক্ষা। অপেক্ষা। আর অপেক্ষা।









পড়েছেনঃ ২২৭জন মন্তব্যঃ ৪৪টি
পোস্ট রেটিং(৩.০/৬৩)

বৃত্তবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮


কী বলব বলুন। খুব খারাপ লাগল লেখাটা পড়ে। আসলেও। আমি সা.ইনের এই অবস্থা দেখে খুবই দুঃখ পেয়েছি। আসলে কি, যেখানেই শান্তি খুঁজতে গেছি- সেখানেই ফেইল করেছি- আল্লাহ, নামাজ এবং কোরআন ছাড়া।
আপনি কি আমাকে ইয়াহুতে একটু অ্যাড করতে পারবেন?
me_bigfeet@yahoo.com
উত্তর দিনঃ



আশরাফবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২


আপনার লেখা পড়ার জন্য প্যাচালীতে আসা শুরু করবো ভাবছি। একসময় এখানে লিখতাম। এখন লিখা হয় না। তবে আবার শূরু করবো এখানে।
উত্তর দিনঃ



দুলালবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২


গঠনাটি খুবই বেদনা দায়ক ।
ধন্যবাদ
উত্তর দিনঃ



বাতিল ব্যক্তিবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১


সহমর্মিতা
উত্তর দিনঃ



আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮


@উম্মু আবদুল্লাহ- আপনার লেখা আমি সবসময় খুব ধৈর্য্য নিয়ে মন দিয়ে পড়ি। আজকেও পড়েছি। সামহোয়ারে আমি ছিলাম ছিলাম না । আমার ব্লগিং শুরু এখানেই,তবে বুঝতে পারি সামহোয়ারের অনেকেই এখানেই আসছে স্বস্তির জন্য। কতদিন টিকে থাকে তা ভেবে দেখার বিষয় ?
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৪


আশাবাদী মানুষ, আমি তো জটিলতম এই ব্যাপারটি দুই মিনিটে বোঝাতে পারব না।

ফারজানা বিশেষ মহলের বিরাগভাজন হয় এই পোস্টের জন্য:
http://www.somewhereinblog.net/blog/farjanamahbubablog/28780444

পরবর্তীতে পিয়াল তাকে নিয়ে এই পোস্ট দেয়:

http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28790465

ওখানে একটা মোছা কমেন্ট পাবেন।

সেটা নিয়ে কান্ড অনেক।

ফারজানার জবাব পাবেন:

http://www.somewhereinblog.net/blog/farjanamahbubablog/28794003

অবশ্য সমস্ত কিছু এই কয়টি পোস্ট পড়ে বোঝা সম্ভব নয়।

আপনাকে একটি প্রশ্ন করছি। তার জবাবের মধ্যেই সমস্ত কিছুর জবাব পাওয়া যাবে।

রাজাকার প্রতিহত করার জন্য ২৮ শে অক্টোবরের ঘটনাকে কি জায়েজ করা যায়?

তার জবাব কি হবে?

হ্যা।

না।

নাকি, আপেক্ষিক।

আমি "না" বলেছি, ফারজানা "না" বলেছে।

সেটার কারনে রাজাকারের লিস্টের প্রথম সারিতে চলে এসেছি।
===============================================
উত্তর দিনঃ



আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২২


আমার রাজনৈতিক কোন পরিচয় নেই। তবে আদর্শতো অবশ্যই আছে। ২৮শে অক্টোবরকে মোটেই সমর্থন করিনা । এর অনেক ব্যাখ্যা আছে অল্প সময়ে এর উত্তর সম্ভব নয়।
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২৫


ভাল কথা, আশাবাদী মানুষ। আমি কিন্তু ফালাচির ব্যাপারে ফারজানার অবস্থানের বিপরীত। আমি সমর্থন দিয়েছি সারোয়ার ভাইকে:

http://www.somewhereinblog.net/blog/sarwarchowdhuryblog/28790795

এরকম কয়েকটি ইস্যুতে ফারজানার সাথে দ্বিমত হয়েছে আমারো।
উত্তর দিনঃ



আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৩০


ধন্যবাদ আপনাকে।
উত্তর দিনঃ



কাকটারুয়াবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৮


সামহোয়ারের গঠনা যাই হোক আপাততঃ আমি সেদিকে যাচ্ছি না ।
আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজ ও মৌলবাদি
চরিত্র এবং অসহায় নারীদের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য ।

আপনার উল্লেখিত সাইট গুলুতে ও ঢু মারার ইচ্ছা তো রইল -ই ।
উত্তর দিনঃ



ভোরের কোলাহলবলেছেনঃ
৭ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৭


লেখা পড়ে অনেকক্ষন স্থানু হয়ে রইলাম। মিলাতে চেস্টা করলাম।

উত্তর দিনঃ



রাতের মুসাফিরবলেছেনঃ
৮ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৪৫


ভাল লাগলো।
উত্তর দিনঃ



আরিশাবলেছেনঃ
৮ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৫৫


লিখাটা পড়ে খুব দুঃখ পেলাম।বাংলাদেশের মেয়েদের অবসথা সত্যিই খুব দুঃখজনক।
উত্তর দিনঃ



বিপুলবলেছেনঃ
৮ই মে, ২০০৮ রাত ১:২৮


আপনার লেখা পড়ে কি বলবো তা বুঝতে পারছিনা।আমি নিজেও একজন মানবাধিকার কর্মী।কিছুদিন আগে ময়মনসিংহের অস্টধর নামে এক জায়গায় এক বোবা গরীব কিশোরির উপর এক কলেজ শিক্ষক পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছিলো আমরা তার উচিত শাস্তি দিয়েছি।আপনার লেখা ঘটনার সময়টা যদি এখন হতো তাহলে আমিই ওর সানডে মানডে ক্লোজ করে দিতাম ।
উত্তর দিনঃ



বিবেক সত্যিবলেছেনঃ
৮ই মে, ২০০৮ রাত ২:১২


প্রথম কমেন্টটা আপনার পোষ্টেই করলাম ।

এই পোষ্ট যার জন্য লেখা হয়েছে, সেখানে ম্যাসেজ পৌছে দেয়া হয়েছে ।

http://www.somewhereinblog.net/blog/shondhabatiblog/28795251

http://www.somewhereinblog.net/blog/farjanamahbubablog/28794003

দারুন এই লেখাটার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ...
উত্তর দিনঃ



আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
৯ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩


@উম্মু আবদুল্লাহ - আপনার দেয়া লিংকগুলো ২দিন যাবৎ পড়েছি। ওরে বাপরে বিদ্যানের ঠাসাঠাসি সেখানে। ওখানকার কোন মন্তব্য আমি এখানে দিলাম না। এত প্রতিভার(!) ভীড়ে নিজকে ধুলিকনা মনে হচ্ছে । আবেগ যদি বিবেককে এভাবে .....
উত্তর দিনঃ



ফজলে এলাহিবলেছেনঃ
১০ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:০৫


এই দিন কখনো সেই দিনের কাছে পৌঁছুবে কি না জানি না, তবে সাধনাটুকু করে যেতে পারি..........
উত্তর দিনঃ



মননশীলবলেছেনঃ
১০ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪২


চমৎকার লিখেছেন।

মর্মস্পর্শী!
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১১ই মে, ২০০৮ রাত ১২:০০


ফজলে এলাহি ভাই, মননশীল, বিবেক সত্যি, বিপুল, আরিশা, রাতের মুসাফির, ভোরের কোলাহল সহ সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মন্তব্যের জন্য।
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১১ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৩


@আশাবাদী মানুষ
বিদ্যান কি আপনি নিজেও কিছু কম? কেন নিজেকে লুকোতে চান? আমরা সেটা হতে দেব না।

আসলে সামহোয়ারে এরা কম বয়েসী। ফলে আবেগটা এদের মাঝে একটু বেশী। কখনও কখনও খুব বাড়াবাড়ি মনে হয়। বিশেষত নোংরামী ভীষন কুৎসিত লাগে।
এখানে খুব ভাল লাগে ব্লগিং করতে।
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১১ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২০


বিবেক সত্যি, অনেকদিন কোন খবর নেই। আওয়াজ দাও।

আর অনেক দিন আগের একটা কথা। আর, সি, সি পরীক্ষার গ্রেড কেমন হয়েছিলো? বুঝতে পারছ আমি কোন পরীক্ষার কথা বলছি।
উত্তর দিনঃ



সোহেলবলেছেনঃ
১১ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৩


ভদ্রমহিলা এত বড় লেখক কবে হলেন টের পেলামনা। আমি তো লেখা পড়ে তাজ্জব
উত্তর দিনঃ



সোহেলবলেছেনঃ
১১ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯


আমাদের স্কুলের প্রধান ছিলেন একজন মহিলা। তবে নাম ফলকে লেখা ছিল- প্রধান শিক্ষক।


লেখিকা না বলার ভুল ধরবেননা আশা করি।
উত্তর দিনঃ



ফজলে এলাহিবলেছেনঃ
১৪ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:০৬


আপনার নতুন লেখালেখি দেখছি না। ব্যস্ত কি?
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১৪ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫


বৃষ্টি হয়ে বেসমেন্ট ফ্লাডেড। কম্পিউটার সহ সবকিছু তুলতে হয়েছে। এখন অন্য জায়গা থেকে প্যাচালী দেখছি। কবে সব ঠিক করব কে জানে। ভাল থাকবেন। দোয়া রাখবেন। @ফজলে এলাহী
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১৭ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২২


সোহেল, আমিও একসময় ব্রীফকেসের লেখা পড়ে তাজ্জব হয়েছিলাম।
উত্তর দিনঃ



আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
২০শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭


@উম্মু আবদুল্লাহ- আমি আগেও লিখেছিলাম ২৮শে অক্টোবরকে সমর্থন করিনা ।
এখনও করিনা কিন্তু যাযাদির এই রিপোর্ট কেমন রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি । আজকে রিপোর্টটা দেখলামতো তাই আপনার এই ব্লগে আবার আসলাম । কিছু মনে করবেন নাতো ?
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
২০শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১৩


খুশী হলাম লিংক দেয়াতে।
শফিক রেহমান কেন যায় যায় দিনে নেই সেই রহস্য এট লিস্ট উদঘাটিত হল। এটাই কি কম পাওয়া?

আর ২৮ শে অক্টোবর। সে নিয়ে না হয় অন্য পোস্টে আলোচনা করব আমরা। @আশাবাদী মানুষ
উত্তর দিনঃ



আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
২০শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৩


@উম্মু আবদুল্লাহ- একদম খাটি কথা " শফিক রেহমান কেন যায় যায় দিনে নেই সেই রহস্য এট লিস্ট উদঘাটিত হল।"
সে কারো এজেন্ডা নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিল তা আর হলনা । ২০০৬ সালে Channel i তে এই রকম একটা ইংগিত দিয়েছিল ।
উত্তর দিনঃ



সোহেলবলেছেনঃ
২৫শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৩০


আমাকে মনে করছেন ব্রিফকেসের লেখক???


কোথায় লিয়াকত আলী আর কোথায় জুতার কালি:-
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
২৫শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৩২


তাই মনে করেছিলাম। যা হোক, মেনে নিলাম আমি অন্ধকারের পাখী। এবার ভালয় ভালয় পরিচয় দিন। @সোহেল
উত্তর দিনঃ



সোহেলবলেছেনঃ
২৫শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৭


ভুলেই যখন গেলেন, জোড় করে কারো মনে স্থান করতে চাওয়ার কি মানে আছে। সামনের লেখালেখি দেখলে হয়তো মনে পড়তে পারে।
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
২৫শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৯


কাউকে ভুলিনি। ভুলিনি বলেই এভাবে সবাইকে প্যাচালীতে ডাকাডাকি করছি। আমি তো আমার পরিচয় গোপন রাখিনি। কিন্তু সেই একই ব্যবহার আমি পাই নি। @সোহেল।
উত্তর দিনঃ



সোহেলবলেছেনঃ
২৬শে মে, ২০০৮ রাত ২:৩৪



উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
৩১শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৩৯


সোহেল, ইকোনটা আমি কম বুঝি।
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১৪ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১


বিবেক সত্যি, অন লাইনে আছ দেখি!!!

আর সি সির গ্রেড কি হয়েছিলো???

আমার অনুমান কি ঠিক ছিল?
উত্তর দিনঃ



বিবেক সত্যিবলেছেনঃ
১৪ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩


হা হা..

অরপির পোষ্টের সেই কাউন্টার পোষ্টটার কথা বলছেন ?

আমার জীবনে আমার মা ছাড়া সাধারনত আর কারো দোয়া বা ...... কোনটাই কখনও তেমন একটা টের পাইনি ।

গ্রেডে আর যাই হোক, ওই পোষ্টের কোন প্রভাব পড়েনাই

উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১৪ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৩


"অরপির পোষ্টের সেই কাউন্টার পোষ্টটার কথা বলছেন ?"

আরে ধুর। সেইটা না। ঐ যে একবার চার ক্রেডিটের আর সি সি পরীক্ষার কথা বলে ব্লগ বিরতি নিয়েছিলেন। সেইটা। আমি বলেছিলাম, আর সি সি কোন পরীক্ষা না। জবাব পেয়েছিলাম, আর সি সি পরীক্ষা নাকি খারাপ হয়েছে। আমি বলেছিলাম, গ্রেড পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। সেইটা।

গ্রেডটা জানতে চাই। আমার ধারনা গ্রেড ভাল হয়েছিল।

আর অরপিকে তেমন একটা সাম ইনে দেখা যায় না। ব্যান নাকি?


উত্তর দিনঃ



বিবেক সত্যিবলেছেনঃ
১৪ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:১৬


সবসময় যেমনটা হয় , তেমন ই হয়েছে

অরপির ব্যাপারটা আমি বুঝেছি । ফারজানা আপুকে গালি দেয়ার ব্যাপারটা নিয়ে সে বেশ ইমেজ সংকটে আছে । অবশ্য তার "জামাত-শিবির বিরোধি" ইমেজ ছাড়া অন্য কোন ইমেজ কখনও ছিলো ও না । তবে এবারে ব্যাপারটা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে । নরাধমের (হ্যা.সেল্ডন) মত ব্লগার ও মুনিয়ার পোষ্টে শেষ পর্যন্ত নিন্দা জানাতে বাধ্য হয়েছে ।

তার ইমেজ পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টও বেশ হাস্যকর । ব্লগের জন্মযুদ্ধ গ্রুপটাকে ফোকাস করে মোটামুটি চেষ্টা করে যাচ্ছে সে । আর আমি মুখ টিপে হাসি তার কান্ড দেখে




"হ্যারি সেলডন বলেছেন: অমি পিয়াল কি বলেছেন সেটা এখন জানলাম। আমি এটা একদম মানতে পারছিনা। অমি পিয়ালকে প্রচন্ড শ্রদ্ধা করি তার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আবেগের জন্য। কিন্তু এটা খুবই খুবই বাজে হয়েছে।"

"রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অমি রহমান পিয়ালের মন্তব্যের প্রতিবাদ। এটি তিনি করেছেন বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। একটি ঘৃনিত কাজ। তিনি এমন একটা কাজ করলেন?"


মদন বলেছেন: পিয়াল যদি সত্যিই এমন মন্তব্য করে থাকে তবে তার প্রতি তীব্র ঘৃনা।

বোঝেন অবস্থাটা ....
উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১৪ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২৪


হ্যা। আমি ঐ ব্যাপারটার খোজ খবর রেখেছি। সন্ধ্যাবাতি, মুনিয়া সহ সবার পোস্টে সবার কমেন্ট প্রতিটা পড়েছি।

ন্যুনতম বিবেক থাকলে সে লোক ক্ষমা চাইত। রাগ ইমনের প্রতি ত্রিভুজের মন্তব্য মোটেও ভালগার ছিল না। ছিল দৃষ্টিকটু। সেটা আবার কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে করা। তাও ত্রিভুজ বার বার ক্ষমা চেয়েছে। ত্রিভুজের পারিবারিক শিক্ষা অনেক উন্নত।

মুনিয়া পোস্ট দিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে ধন্যবাদ জানানোর কোন ভাষা নেই। ন্যায় শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হল। দুঃখ এই যে, মডারেটররা ন্যায়ের পাশে ছিলেন না।

এখন উঠছি। বাপ বেটা আসবে দুইটায়। এসেই খেতে বসবে। রান্না শুরু করিনি।

ব্লগে নিয়মিত উপস্থিতি কাম্য। আড্ডা ভাল জমবে। @বিবেক সত্যি।
উত্তর দিনঃ



মাহমুদ রহমানবলেছেনঃ
১৬ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৮


দারুণ পোস্ট, আগে খেয়াল করিনি!

একেবারে অসহায় হয়ে সামহয়ারে দুস্কৃতকারীদের প্রতি মায়া নিয়ে লিখেছিলাম
উত্তর দিনঃ



অবলেছেনঃ
২১শে জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৬


সুন্দর ভাবে মনের কথার প্রকাশ করেছেন। ভালো লেগেছে।
উত্তর দিনঃ



রহস্য বালিকাবলেছেনঃ
২৫শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯


অপেক্ষা করে থাকলে কখনো সমস্যার সমাধান হয় কি না আমি জানি না....
তবে আমরা বাংলাদেশীরা মজ্জাগতভাবে অপেক্ষা করায় অভ্যস্ত। দেশে হিডেন হাংগার হয় তাও অপেক্ষা করি কবে শেষ হবে... আর্মি এসে সরকারে নাক গলায় তাও অপেক্ষা করি... যখন পলিটিশিয়ানরা দুর্নীতি করেছিল তখনও অপেক্ষা করেছি, যখন দুর্নীতিবাজ অদুর্নীতিবাজ নির্বিশেষে জেলে ঢুকালো তখনো অপেক্ষাই করেছি... দুই নেত্রীকে আটকে রাখল অপেক্ষা করেছি... চালের দাম বাড়ল অপেক্ষা করেছি... আলু খেতে বলল অপেক্ষা করেছি.... যতদিন না আলুরও দাম বেড়েছে... দুর্ভিক্ষ হয়ে যায়, অপেক্ষা করি... মানুষ খিদেয় মরে, আমরা অপেক্ষা করি.... আত্মীয় বাড়ি গিয়ে লজ্জায় পড়ে যাই- একী অবস্থা! বেড়াতে এসে লজ্জায় পড়ে যাই- সব বাসায় খাবারের টানাটানি... অপেক্ষা করি...... নারী হয়ে জন্মানোর কারণে অবজ্ঞা পেয়েই গিয়েছি সারা জীবন, অপেক্ষা করেই যাচ্ছি... অপেক্ষা করেই যেতে থাকব....
অপেক্ষা কবে মরন আসে আর অপেক্ষার ইতি ঘটে....

উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
২৫শে জুন, ২০০৮ সকাল ৯:০৫


রহস্য বালিকা, চমৎকার বলেছেন। অপেক্ষার কোন শেষ নেই। আশা নামক সোনার হরিন নিয়ে অপেক্ষা করাতেই যেন আমাদের সব সুখ। আলু খেয়ে অপেক্ষা ভাতের জন্য। আর্মি শাসনে অপেক্ষা নির্বাচনের জন্য। অপেক্ষাতেই মুক্তি, অপেক্ষাতেই সুখ।
উত্তর দিনঃ

No comments: