Tuesday, November 17, 2009

পাশ্চাত্যে সিংগেল সেক্স এডুকেশন: সাফল্য আর ব্যর্থতার খতিয়ান

পাশ্চাত্যে সিংগেল সেক্স এডুকেশন: সাফল্য আর ব্যর্থতার খতিয়ান
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৪
শেয়ার করুন:

বেশ কিছু দিন আগে সামহোয়ার ব্লগে একজন ব্লগার বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিল। সেবার সে লেখাটিতে মন্তব্য করতে গিয়ে এই ইস্যুতে পূর্নাংগ একটি লেখার ভাবনা আমার মাথায় উকি দিয়ে যায়। কিন্তু সে উকি দেয়া পর্যন্তই। সময় গড়িয়ে যায়, ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও আলসেমীতে আর কি-বোর্ড চাপা হয় না। এদিকে অন্য আরো কত লেখা সেরে ফেলি কিন্তু ওটা নিয়ে লেখা আর এগোয় না। আসলে লেখালেখিটা আমার স্রেফ ভাল লাগার জন্য - কোন ধরনের দায় বদ্ধতা সেখানে কাজ করে না। ব্লগ কিংবা ইন্টারনেট শুধুই অবসর কাটানোর সংগী, লেখালেখিটাও তাই বড় বেশী খাপছাড়া, এলোমেলো।

ফিরে আসি মূল প্রসংগে, অর্থ্যাৎ সিংগেল সেক্স এডুকেশন বিষয়ে। অবসরের ইন্টারনেট বিচরন আর সে নিয়ে কিছু অগোছালো ভাবনা থেকে সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে আজকের এ লেখার অবতারনা। এ আমার মৌলিক লেখা নয়, বরং বিভিন্ন সাইট পড়ে যা বুঝতে পেরেছি তাই লিখছি। কি করে আমেরিকাতে সিংগেল সেক্সে এডুকেশনের কনসেপ্ট এলো এবং কি করে তা সবার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে - তার খুব সংক্ষিপ্ত বিবরন এ লেখাটিতে দেয়ার চেষ্টা করছি।

আমেরিকাতে সিংগেল সেক্স এডুকেশনের অনুমোদন খুব বেশীদিন আগের নয়। ২০০৬ এর অক্টোবরে আমেরিকান পাবলিক স্কুলে সিংগেল সেক্স এডুকেশনের নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। তারপর থেকে তা সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যপক আগ্রহ এবং উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। এখন পর্যন্ত এই শিক্ষা পদ্ধতি সাধারনের কৌতুহল এবং মনোযোগের কেন্দ্র বিন্দু। পরীক্ষামূলক ভাবে চালু হবার পর থেকে এর পরিসর মোটামুটি ভাবে ক্রমবর্ধমান।

পাশ্চাত্যের পাবলিক স্কুলের অন্যতম সমস্যা ফ্রি মিক্সিং - যা টিন এজ মাতৃত্বের একটি বড় কারন। হাই স্কুল ড্রপ আউটের পেছনে এই টিন এজ মাতৃত্ব একটি গুরুত্ববহ ফ্যাক্টর। এই ইস্যুতে ব্যপক প্রচার প্রচারনা স্কুলে চালানো হচ্ছে, তবুও তা কাংখিত কার্যকরী কোন ফল বয়ে আনছে না। এমন কি কয়েক বছর আগে এই প্রচারনার অংশ হিসেবে এক পর্যায়ে স্কুলে বার্থ কন্টোল পিল দেয়া হয়। সেটা আবার জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ফলে এখন প্রকাশ্যে আর কোন জন্ম নিরোধক বিতরন করা হয় না।

সিংগেল সেক্স এডুকেশনের কনসেপ্ট দেখে আবার ধারনা করবেন না, ফ্রি মিক্সিং এর চ্যালেন্জ্ঞ মোকাবেলা করার জন্য সিংগেল সেক্স এডুকেশনকে সামনে টেনে আনা হয়েছে। অন্ততপক্ষে প্রবক্তা উদ্যোক্তারা এই বিষয়কে মূল ইস্যু হিসেবে সামনে টেনে আনেন নি। অন্যতম প্রবক্তা লিওনার্ড স্যাক্স, পেশায় যিনি চিকিৎসক আর ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভ্যানিয়া থেকে পি এইচ ডি এবং এম ডি দুটোই করেছেন, এক বছরে লিংগ পার্থক্য নিয়ে তিনি প্রায় ৫০ টির মত সেমিনার করেছেন। তার থিসিসের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ছেলে এবং মেয়েরা ভিন্ন পরিবেশে ভিন্নভাবে শেখে। সান ফ্রানসিসকোর একটি বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর ক্লাশরুমে তিনি ব্যখা করছিলেন তার তত্ত্ব: মেয়েদের শ্রবন এবং গন্ধ, এ দুটি ইন্দ্রিয় ছেলেদের চেয়ে অনেক বেশী উন্নত। এছাড়াও আরো কয়েকটি বিষয়ে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ভিন্ন ভাবে চিন্তা করতে শেখে। বয়:সন্ধিকালে তারা ভেবে পায় না কেন তাদের বাবা, ভাই এবং প্রতিবেশীরা এত বেশী হাবা। মেয়েদের স্কুলে সে স্পীচ দেবার কয়েক সপ্তাহ পরে স্যাক্স অভূতপূর্ব সাড়া পান ক্লাশের মেয়েদের কাছ থেকে। একটি মেয়ে তাকে চিঠিতে জানায়, "ড:স্যাক্স, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার ঘরে যে গন্ধ রয়েছে তা আমার বাবা টের পাচ্ছিল না। আমি ভাবছিলাম আমি বুঝি পাগল হয়ে গিয়েছি। পরবর্তীতে দেখা গেল আমার ঘর থেকে মৃত ইদুর বের হয়েছে। আশা করি আপনি আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।"

স্যাক্স আবারো ফিরে যান তার বিশ্বাসকে পুজি করে। মানুষের মাঝে ব্যক্ত করেছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। কি করে তিনি ২০০০ সালে সর্ব প্রথম সিংগেল সেক্স এডুকেশনের মহাত্ম খুজে পেলেন। তখন তিনি একটি বালকের চিকিৎসা করছিলেন বেশ কয়েক বছর ধরে। একদিন তার পিতা মাতা এসে জানালেন ছেলেটির অসম্ভব এক পরিবর্তনের কথা। একাধিক মেডিকেশনে থাকা নিস্পৃহ মনোভাবের এই ছেলেটির মধ্যে এসেছে বিশাল এক পরিবর্তন - যাকে তার বাবা মা মনে করছেন ছেলেদের স্কুলে দেবার জন্যে। স্যাক্স প্রথমটায় গুরুত্ব দেন নি, তিনি জবাব দেন, "আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি। সিংগেল সেক্স এডুকেশন ভিক্টোরিয়ান এন্টিকের ধ্বংসাবশেষ মাত্র।" ছেলেটির মাতা তা শুনে উত্তর দেন, "ড: স্যাক্স, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি। আপনি যা বলছেন তা সম্পর্কে আপনার নিজেরই কোন ধারনা নেই।" স্যাক্সের বিশ্বাসে চিড় ধরল। তিনি কয়েকটি সিংগেল সেক্স স্কুল ঘুরে দেখলেন। অধ্যয়ন করতে শুরু করলেন নারী এবং পুরুষের স্নায়বিক পার্থক্যের বিষয়টি। মনোযোগ দিলেন ছেলেদের বিশেষ কিছু সিনড্রোমের প্রতি, যেমন, ছেলেরা কেন ডেটিং কিংবা ক্লাশ ওয়ার্কের চেয়ে কিলিমানজারোর প্রতি বেশী আকর্ষন বোধ করে। স্যাক্সের প্রাথমিক কিছু প্রস্তাবনার মধ্যে ছিল ছেলেদেরকে কিন্ডারগার্টেনে ছয় বছর বয়েসে ভর্তি, অর্থ্যাৎ মেয়েদের এক বছর পরে। কেননা ছেলেদের ডেভেলপমেন্ট কিছুটা দেরীতে হয়ে থাকে। স্যাক্সের কিছু বন্ধু তাকে নিরুৎসাহিত করল এই বলে যে, আমেরিকান পরিবার কখনই এতে আগ্রহ দেখাবে না। ফলে স্যাক্স বিকল্প হিসেবে ভাবলেন ছেলে মেয়েদের পৃথকীকরনের কথা, পৃথক ক্লাশরুমের কথা।


সিংগেল সেক্স নিয়ে স্যাক্সের আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা শুরু হয় ২০০২ তে ন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর সিংগেল সেক্স পাবলিক এডুকেশনের মাধ্যমে। প্রথম দিকে ন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর সিংগেল সেক্স পাবলিক এডুকেশনের খুব একটা তৎপরতা ছিল না। তারপরে ২০০৪ এ তাকে ফোলেতে আমন্ত্রন জানানো হল সেমিনার আয়োজন করার জন্য। পরের কয়েক বছরের মধ্যেই সবার দৃষ্টি আকর্ষন করতে লাগল। যার ফলে এখনকার হিসেবে ৩৬০টি সিংগেল সেক্স স্কুলের মধ্যে ৩০০টি স্কুল নিউরোসাইন্সের ধারনাকে গ্রহন করে। বেন্জ্ঞামিন রাইট, নাশভিল প্রাইভেট স্কুলের প্রধান প্রশাসক, সিংগেল সেক্স এডুকেশন প্রসংগে বলেন, "কো-এড এখন আর কাজ করছে না। আমাদের এখন অন্য কিছু দেখতে হবে।" ১৯৯৯ সালে রাইট ঘুরে দেখেন সিয়াটলের একটি স্কুল যে স্কুলটি ভাল করছিল না। তিনি দেখলেন প্রতি তিনটি বালিকার জন্য একটি বালককে সাসপেন্ড করা হচ্ছে এবং তা খুব তুচ্ছ কারনে। বালিকাদের বহিষ্কারের তুলনায় বালকদের বহিষ্কারের হার দ্বিগুন। ৬৫ ভাগ ছাত্র যেখানে চার বছরে হাই স্কুল শেষ করে সেখানে ৭২ ভাগ ছাত্রী শেষ করে চার বছরে। যার ফলে রাইট ছেলে মেয়েদের পৃথকীকরনের সুপারিশ করেন। ২০০১ এ সিংগেল সেক্স ফরম্যাট দেবার ফলে দেখা যায় বালকদের একাডেমিক স্টান্ডার্ড পূরন করার হার অংকের ক্ষেত্রে ১০ ভাগ থেকে ৩৫ ভাগ এ উন্নীত হয় এবং রচনাশৈলীর এর ক্ষেত্রে ১০ ভাগ থেকে ৫৩ ভাগে উন্নীত হয়।

কিন্তু এটাই সব নয়। এ নিয়ে করা চল্লিশটি স্টাডির মধ্যে খুব শক্তিশালী ফল পাওয়া যায় নি। ৪১ ভাগ সিংগেল সেক্স স্কুলের পক্ষে গিয়েছে, ৪৫ ভাগ সিংগেল সেক্স বা কো-এড কোনটারই পক্ষে যায় নি, ৬ ভাগ সিংগেল সেক্সের একটি সেক্সের পক্ষে গিয়েছে, বাকী ৮ ভাগ কো-এডের পক্ষের গিয়েছে। কর্নেলিয়াস রিওর্ডান শিক্ষা বিভাগের পক্ষে এই জরিপটি করেন। তিনি ব্যখা করেন যে এ ধরনের মিশ্রিত ফলাফল স্কুল নিয়ে গবেষনার পক্ষে খুব স্বাভাবিক। এখানে অনেক ভেরিয়েবল কাজ করে: শিক্ষকের যোগ্যতা, প্রশাসকের যোগ্যতা, স্কুলের কাঠামো, পরিবারের অংশগ্রহন, অর্থায়ন, কারিকুলাম এসব। রিওর্ডান আরো বলেন যে, "আপনি কখনই দুই ধরনের স্কুলকে তুলনা করে বলতে পারবেন না, এই ধরনের স্কুল সেই ধরনের স্কুলের চেয়ে উন্নত।"


সিংগেল সেক্স এডুকেশনের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। সিংগেল সেক্স এডুকেশনের যেসব তথ্য আছে তাতে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না যে সিংগেল সেক্স এডুকেশন সমস্ত শিশুর জন্য অধিকতর উপযোগী। আবার এটাও বলা যায় না যে এটা খারাপ। দেখার মত বিষয় যে এইসব গবেষনাগুলো করা হয়েছে ক্যাথলিক স্কুলগুলোর উপরে যাদের সিংগেল সেক্স এডুকেশনের ইতিহাস প্রাচীন। এসব গবেষনা সাজেশন দিচ্ছে যে সিংগেল সেক্স এডুকেশন হোয়াইট মিডল ক্লাস ছেলেদের উপরে খুব অবদান না রাখলেও গরীব এবং সংখ্যালঘু ছেলেদের ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। রিওর্ডান বলেন, পিছিয়ে পড়া স্টুডেন্টরা কোএড স্কুলের চেয়ে সিংগেল সেক্স স্কুলে ম্যাথ সাইন্স এবং অন্যান্য স্টান্ডার্ড টেস্টে বেশী স্কোর করতে পারে। এর ব্যখায় বলা যায়, একাডেমি বহির্ভূত ইয়োথ কালচারের প্রাদুর্ভাব সিংগেল সেক্স স্কুলে কম থাকে বলে ছাত্রদের জন্য পজিটিভ ভাবধারাটা সিংগেল সেক্স এডুকেশনে বেশী থাকে। অন্যটি হল, পিতামাতার অবদান - সিংগেল সেক্স এডুকেশনের স্কুলে পিতামাতাকে অন্তত এইটুকু দায়িত্ববান হতে হয় যে স্কুল থেকে পাঠানো নোটিশগুলো তাকে পড়তে হয় এবং পছন্দ বেছে নেবার প্রক্রিয়া দিয়ে যেতে হয়।


১৯৯৬ এর সুপ্রীম কোর্টের রায়ে দেখা যায় সিংগেল সেক্স এডুকেশনের আইন গত বৈধতা নির্ভর করে প্রয়োগ পদ্ধতির উপরে। স্টেটস বনাম ভার্জিনিয়া কেসে একটি মিলিটারি ইনস্টিটিউট, যা ছিল ছেলেদের প্রতিষ্ঠান, তা থেকে নারীদের বাদ দেয়া সংক্রান্ত রায়ে বিচারকরা ১৪ তম সংশোধনীর ভায়োলেশন দেখতে পান। একজন বিচারকের অভিমত অনুযায়ী সিংগেল সেক্স এডুকেশনের বৈধতা একটা পর্যায় পর্যন্ত থাকতে পারে যতক্ষন না তা একজনের যোগ্যতার উপর কৃত্রিম সীমাবদ্ধতা এনে দেয়। ১৯৯৬ এ মেয়েদের স্কুল চালু হবার খবরে সমালোচনার ঝড় উঠে এই বলে যে এটি কি কোন নারী বিরোধী পদক্ষেপ কিনা। কিন্তু সিংগেল সেক্স এডুকেশনের প্রবক্তারা দাবী করেন লিংগের বিষয়টি ধর্ম কিংবা বর্নের চেয়ে কিছুটা আলাদা।

সিংগেল সেক্স এডুকেশনের বিরোধিতাও কম হয়নি। গার্ডিয়ান (Click This Link) এই রিপোর্টে সিংগেল সেক্স এডুকেশনের তেমন কোন উপকারিতা আছে বলে মনে করা হয় নি। তবুও এটা যে নানা কারনে অভিভাবকরা বেছে নিতে পারেন, তা স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।


মূল সূত্র:
Click This Link





সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৪




৬৭ টি মন্তব্য
৭৭৪ বার পঠিত,
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি


--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন


--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল

আপনার বন্ধুদের ইমেইল

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28952060 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান


--------------------------------------------------------------------------------



১. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৮
জোহান বলেছেন: প্রথম হয়েছি।

এখানে কিছু -
Click This Link ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:২১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে মন্তব্যটা বুঝতে পারলাম না।



২. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১১
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ভাল লাগল। এভাবে ভাবিনি ত আগে।+ ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

আমাদের হয়ত ভাবার প্রয়োজন পড়েনি।

৩. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৬
ইসানুর বলেছেন: হুমমম পড়লাম। ৪. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
আশরাফ রহমান বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু। প্রিয়তে রাখলাম। ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ ভাই। আপনার মতামত পেলে ভাল লাগত।

৫. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
রাগিব বলেছেন: অফ টপিক প্রশ্ন - আবদুল্লাহকে কি নন-কো-এডুকেশন স্কুলে দিয়েছেন/দিবেন? ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৫
লেখক বলেছেন: অন টপিক মন্তব্য রাখলে ভাল হত না?

যা হোক অফ টপিকের জবাব দিচ্ছি। এখনও ঠিক করিনি।

৬. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৭
প্রচেত্য বলেছেন: বেশ তথ্যবহুল পোষ্ট
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ইংরেজী লেখা থেকে কপি পেস্ট তো, সেজন্য তথ্য বেশী।
আর আমি নিজেও টেকনোলোজি ব্যাকগ্রাউন্ড, তাই তথ্য বেশী টানে।

৭. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৯
বিডি আইডল বলেছেন: এ ধরণের স্কুলের সংখ্যা কেমন? ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২২
লেখক বলেছেন: আমার নিজেরও খুব বেশী ধারনা নেই। ৩৬০ এর কথা পেলাম ইন্টারনেটে।

৮. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২০
রাজর্ষী বলেছেন: তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ। সব অপশানস ই থাকা উচিৎ। ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

সব অপশানস ই থাকা উচিৎ - উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালার প্রেক্ষিতে একমত।

৯. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩২
অ্যামাটার বলেছেন: একমত নই। সিঙ্গেল সেক্স এড ব্যাক্তিত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্থ করে। ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৯
লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

কোএডে ব্যক্তিত্বের বিকাশ নিয়ে অনেকেই দ্বিমত পোষন করেছেন। নীচে দেখুন।

১০. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
কাপাসিয়া বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা। ধন্যবাদ। ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১১. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: নটরডেম, ভিকারুন নিসা নুন এ কারণেই কি সেরা বলতে চান? সেই মাদ্রাসা থেকে ক্যাডেট কলেজ হয়ে নটরডেম পর্যন্ত সমকামীতার ঘটনা ছড়িয়ে গিয়েছে, তার প্রতিকার/কারণ কী? ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:২৩
লেখক বলেছেন: এখানে অনেক ভেরিয়েবল কাজ করে: শিক্ষকের যোগ্যতা, প্রশাসকের যোগ্যতা, স্কুলের কাঠামো, পরিবারের অংশগ্রহন, অর্থায়ন, কারিকুলাম এসব। যা উপরে মূল লেখায় কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে।

আর সমকামিতা বা এরকম ইস্যুর বিষয় তো আমার জানা নেই। সম্ভবত এগুলো এখনও নৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যহত করার পর্যায়ে যায় নি।

১২. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫০
রাগিব বলেছেন: স্যাক্সের তত্ত্বের ভুল গুলো নিয়ে অনেকে লিখেছেন। উইকিতে যা দেখলাম, তা তুলে দিলাম -

Mark Liberman, a professor of linguistics and computer science at the University of Pennsylvania, has questioned on his blog, Language Log, many of Sax's key claims . Language Log linguists have sustained a consistent criticism against Sax and his school, claiming that Sax makes use of small distribution differences between groups to make sweeping generalizations about group differences, and also arguing that there are often only tenuous connections between the assertions he has made and the citations he has used to support the assertions . Liberman argues that there are serious problems with Sax's claims about sex differences in hearing, vision, and connections between emotions and language. Liberman has asserted that many of Sax's claims are pseudoscience. Sax denies this criticism on his website.

এই সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী? ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭
লেখক বলেছেন: স্যাক্সের সমালোচনামূলক লেখা হিসেবে গার্ডিয়ানের উদাহরন আমি দিয়েছি। যা উইকির মত ওপেন রেফারেন্সের চেয়ে বরং বেটার। কিন্তু স্যাক্সের সমালোচনা সত্ত্বেও সিংগেল সেক্স এডুকেশনের উপর আরো অনেকেই পজিটিভ মনোভাব দেখিয়েছেন। টেলিগ্রাফের কিছু লেখা পড়তে পারেন।

Click This Link


Click This Link


এছাড়াও ইন্টারনেটে আরো অজস্র লেখা রয়েছে। সিংগেল সেক্সকে সমর্থন করে এবং বিরোধিতা করে।

পাবলিক স্কুল যে চ্যালেন্জ্ঞের মুখোমুখি তাতে বিকল্প হিসেবে হোম স্কুলিং জনপ্রিয় হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে সিংগেল সেক্স এডুকেশনও জনপ্রিয় হতে পারে যদি সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে এগিয়ে যায়।

১৩. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
দিগন্ত বলেছেন: পাশ্চাত্যের পাবলিক স্কুলের অন্যতম সমস্যা ফ্রি মিক্সিং - যা টিন এজ মাতৃত্বের একটি বড় কারন।

- এটার কোনো রেফারেন্স আছে যে ফ্রি-মিক্সিং এর কারণেই টিন-এজ মাতৃত্ব ঘটে? চিনে (জাপান সহ পূর্ব এশিয়াতেও) সব স্কুলই কো-এড আর ফ্রি-মিক্সিং চলছে অনেককাল ধরেই কিন্তু টিন-এজ মাতৃত্বর সমস্যা নেই কারণ সেক্স চিনে ট্যাবু। ফ্রি-মিক্সিং টিন-এজ মাতৃত্বের কারণ এরকম ভাবার আগে পূর্ব এশিয়ায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভাল। ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭
লেখক বলেছেন: "কিন্তু টিন-এজ মাতৃত্বর সমস্যা নেই কারণ সেক্স চিনে ট্যাবু। "

"ফ্রি-মিক্সিং টিন-এজ মাতৃত্বের কারণ এরকম ভাবার আগে পূর্ব এশিয়ায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভাল। "

ফ্রি-মিক্সিং এর কনসেপ্ট থাকলে আবার চীনে সেক্স ট্যাবু হয় কি করে? কথাগুলো পরষ্পর বিরোধী হয়ে গেল না?

১৪. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৫
ভালো-মানুষ বলেছেন: কষ্ট করে লিখেছেন, তাই ধন্যবাদ। তবে, স্যাক্স মশায় একটি বড় আকারের আবাল। এডুকেশনে এসে ভর করেছে লোকটার সেক্সুয়াল ট্যাবু! পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মৌলবাদী দেশ হচ্ছে আমেরিকা! কিছুই বলার নেই ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও পড়ার জন্যে।

আমেরিকাকে আপনার মৌলবাদী মনে হয়!!!!!!!!!!!!!!!!

১৫. ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৯
পাশা বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

বাংলাদেশের ইউনি গুলোতে যে সব ছেলেরা ক্যাডেট কলেজ অথবা মাদ্রাসা থেকে আসে তাদেরকেই বেশি নষ্ট হতে দেখা যায়। যারা কো এডে পড়েনি তারা সবসময় একটা হীনমন্যতায় ভুগে। ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৭
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

স্কুল পর্যায়ে এ বিষয়টি নিয়ে আমার ঠিক ধারনা নেই। তবে বাংলাদেশের বেশীর ভাগ স্কুলই এক লিংগিক। তাই কো-এড থেকে আসেনি বলে ক্যাডেটের বা মাদ্রাসার ছাত্রদের সমস্যার বিষয়টি বুঝলাম না। প্রায় সবাই তো নন-কোএড থেকে আসা।

১৬. ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য; এই বিষয়ে জানতাম না । ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৭. ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৮
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার যা অভিজ্ঞতা হয়েছে বা প্রতিনিয়ত যা হচ্ছে... ... কো এডুকেশনকে এখন আমি ঘৃনাই করি !
যে যত যুক্তি ই দিকনা কেন, আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এটা বলব, যতদিন না মানুষের মধ্যে সঠিক মুল্যবোধের বিকাশ হচ্ছে , ছেলেরা সহপাঠিদের মেয়ে না ভেবে সহপাঠি ই ভাবতে পারছে , ততদিন দরকার নাই কো এড এর ! যে যত কিছুই এখন বলতে আসুকনা কেন , এক হাজারটা ঘটনা শুনিয়ে দিতে পারবো ... যেটা শুনে , যেসব শুনে টাশকি খেয়ে যেতে হয় ... এদেশে আবার আইন ও হয়েছে... তাকানৈ যাবেনা , টিয করা যাবেনা...
কোন দিন আইন করে বন্ধ করা যাবে এসব ? যেই মেয়েটা শিকার হয় মানসিক নির্যাতনের , সে কখনো যায় বা যেতে পারে আইনের কাছে এসব অভিযোগ নিয়ে ??
১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:১১
লেখক বলেছেন: আপু, মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

পাশ্চাত্যেও সমস্যার মুখোমুখি হয় বলেই তারা প্রতিনিয়ত এসব নিয়ে গবেষনা করছে। এটাও সত্য যে, সঠিক মূল্যবোধের বিকাশই সমস্যাগুলোকে সমাধানের ক্ষমতা রাখে।





১৮. ১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
সেতু জোহরা বলেছেন: ধন্যবাদ।তথ্যবহুল লেখাটার জন্য।আসলে সোহায়লা আপুর সাথে আমিও একমত।সবসময় কো-এড এ পড়ে এসেছি,এখনও পড়ছি।তাই খুব ভালোভাবে জানি কো-এড এর উপকারিতা আছে কি নাই।কেউ এটা স্বীকার করুক বা নাই করুক।আইন দিয়ে কখনও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করা যায়না।যে ব্যক্তিত্ব বিকাশের উদ্দেশে কো-এড করা হয়েছিল তা আসলে কখনও সুফল আনেনি।বরং মূল্যবোধের চরম অবনতি ঘটাইছে।পাশ্চাত্য রা তাই আজ এত দিন পরে হলেও এটা নিয়ে গবেষনা করছে। ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৩
লেখক বলেছেন: আপু, মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমি নিজে স্কুল বা কলেজ লেভেলে কোএডে পড়িনি। কিন্তু যারা পড়েছে তাদের দেখেছি। খুব পার্থক্য আমার চোখে পড়েনি। আমার কখনও মনে হয় নি আমরা তাদের চেয়ে কিছু কম ম্যাচিউরড।



১৯. ১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
সেতু জোহরা বলেছেন: ধন্যবাদ।সুন্দর তথ্যবহুল লেখাটার জন্য।সোহায়লা আপুর সাথে আমিও এক্মত।সবসময় কো-এড এ পড়েছি,এখনও পড়ছি।তাই জানি কো-এড এ পড়ার উপকারিতা আছে কি নাই।কেউ স্বীকার করুক বা নাই করুক কো-এড কখনও সুফল বয়ে আনেনি।ব্যক্তিত্ব বিকাশের দোহাই দিয়ে আমরা আমাদের মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলতেছি।তাই আইন দিয়ে কখনও এই মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনা যাবেনা।পাশ্চাত্য সমাজ আজ তাই সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে গবেষনা করছে... ২০. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: কো এডে না পড়লে হীনমন্যতায় ভোগে , একমত নই।
ক্যাডেট থেকে আসা ছেলে অনেক স্মার্ট হতে দেখেছি , মাদ্রাসা থেকে পড়ে আসা অনেককেই সেরকম ভদ্র হতে দেখেছি। আমি কলেজ পর্যন্ত কোএড এ ছিলাম না , কোন দিন এটার জন্য কোন ধরণের হীনমন্যতা আসেনি মনে একমুহুর্তের জন্য ! কো এড এ না পড়ায় আমার ব্যাক্তিত্বের বিকাশ ঘটেনি বলেই বিন্দুমাত্র মনে করছিনা , যেটা সেইম আমার ভাইদের ক্ষেত্রেও। গভঃল্যাব বা আইডিয়াল এর ছেলেরা বা ভিকারুন্নেসা , হলিক্রসের মেয়েরা কোনদিন ব্যাক্তিত্বে সংকটে পড়েছে কিনা দেখিনাই...
এডুকেশন দরকার , আর সেটা সুন্দর পরিবেশে ... ... সোজা কথা ! এমন ভাবে ক্লাস করা যায়না যেখানে সারাক্ষন মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে পেছনের বেঞ্চে বসা "কিছু"ছেলেদের টিটকারী আর অসভ্য ভাষার কথা বার্তা শুনে ...
২০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
লেখক বলেছেন: মন্তব্য বরাবরের মতই গোছানো এবং যুক্তিশীল।

সুন্দর পরিবেশের কোন বিকল্প নেই। সেই সুন্দর পরিবেশটাই যেসব ফ্যাক্টরের কারনে বাধাগ্রস্ত হতে পারে, তার একটা হল কোএড। সেজন্যেই সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে এত গবেষনা হচ্ছে।



২১. ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
দিগন্ত বলেছেন: ফ্রি-মিক্সিং এর কনসেপ্ট থাকলে আবার চীনে সেক্স ট্যাবু হয় কি করে? কথাগুলো পরষ্পর বিরোধী হয়ে গেল না?

মিক্সিং মানেই সেক্স নয় আর কো-এড মানেও সেক্স নয়। আশাকরি বোঝাতে পারছি। ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৪
লেখক বলেছেন: ফ্রি-মিক্সিং বলতে সাধারনত বাধাহীন মিক্সিং বোঝায়। চীনের মিক্সিংটা ফ্রী নয়। সেটা যদি বুঝিয়ে থাকেন তবে বুঝতে পারলাম।

চীন আমার পরিচিত নয় বলে মন্তব্য করতে পারলাম না। হ্য়ত চীনেও একসময় কোএড/সিংগেল নিয়ে গবেষনা হবে । পশ্চিম যেমন হচ্ছে।

২২. ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫৯
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমি সিডনীর একটা সিংগেল সেক্স স্কুলে পড়েছি। মজার ব্যাপার হচ্ছে ক্যাথলিক বা ইসলামিক বা জুইশ স্কুলগুলো এখানে মিক্সড, কিন্তু সরকারী স্কুলগুলোর বেশির ভাগই সিংগেল সেক্স। আমার দেখা মতে, সিংগেল সেক্স স্কুল থেকে তো বিকাশ ভালোই হয়!

মিক্সড স্কুলে কারো কারো বিকাশ খুব ভালো হতেই পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি মিক্সড স্কুলের মেয়েরা নিজেদের দেখতে কেমন লাগছে সেটা নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের চিন্তিত। সিঙগেল সেক্স স্কুলের মেয়েদের যে বয়ফ্রেন্ড থাকে না, বা ওরা স্কুলের বাইরে সাজুগুজু করে না, তা বলছি না, কিন্তু স্কুলের ভিতরে থাকা মানে সেটা নিয়ে সার্বক্ষনিক চিন্তা, তটস্থ থাকা। বয়সটাই এরকম, এই বয়সের কচি কচি ছেলেমেয়েদের শুধু শুধু এই টর্চারে রাখার জন্য রাষ্ট্রের মাথারা এত উদগ্রীব কেন?

একই মানুষ নিয়ে প্রতিযোগিতার মত উদ্ভট এবং কুৎসিত ব্যাপার স্যাপারও হয়।

মিক্সড স্কুলে অনাকাংখিত ঘটনা অনেক বেশি, বাথরুমগুলোতে কিংবা লাইব্রেরিতে।

অন্তত: স্কুল জীবনে সুন্দর বিকাশ হতে হলে এই সব দূরে রাখা দরকার! ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪
লেখক বলেছেন: আমেরিকাতে অবশ্য পাবলিক স্কুল গুলো মূলত কোএড।

এলিমেন্টারি স্কুলটা মোটামুটি গ্রহনযোগ্য হলেও মিডল স্কুলের পরিবেশ নিয়ে অনেক অনেক রকম কমপ্লেন করে থাকেন। বাথরুমই নয় শুধু, বরং বাসে যাওয়া আসার ব্যপারটিতে নিয়েও নানা জনের কাছ থেকে নানা কথা শোনা যায়। সামগ্রিক ভাবে পাবলিক স্কুলের পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার মত কারন রয়েছে। যার ফলে অনেকেই বাচ্চাদের হোম স্কুলিং করিয়ে থাকেন।

সবশেষে, মন্তব্যের জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবে।

২৩. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
আমি বাংলার গান গাই বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার লেখার জন্য।

শুধু একটি বিষয় যোগ করতে চাই ইন্টারনেটে পড়ার সময় দেখেছি সিঙ্গেল সেক্স স্কুলের সাপোর্টাররা আরেকটি যু্ক্তি দিচ্ছে তা হল: কো এড স্কুলে সাবজেক্টগুলো অনেক ক্ষেত্রেই জেন্ডার রিলেটেড হয়ে পড়ে। যেমন মেয়েরা বলে কম্পিউটার ছেলেদের সাবজেক্ট, ছেলেরা বলে লিটারেচার মেয়েদের - এভাবে তারা ঐসমস্ত সাবজেক্ট নিতে নিরুতসাহিত বোধ করে। কিন্তু সিংগেল সেক্স স্কুলে এই সমস্যা হয় না।

সারা দুনিয়াব্যাপী যে সংকট চলছে তা আসলে নৈতিকতার সংকট। যারা কো-এডের অন্ধ ভক্ত তাদের কাছে আসলে নীতি নৈতিকতার তেমন কোন গুরুত্ব নাই। আর যিনি বলেছেন কো-এড থেকে না আসলে হীনমন্যতায় ভোগে তার কথার আদতেই কোন ভিত্তি নেই। বরং কো-এডে পড়া অনেকের মধ্যে কুতসিত মানসিকতার বিকাশ দেখেছি।

যাইহোক লেখাটির জন্য আবারো ধন্যবাদ। ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১১
লেখক বলেছেন: আপনাকে চমৎকার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

কোএডের সাথে ব্যক্তিত্বের বিকাশ কিংবা হীনমন্যতা হীনতার আদৌ কোন সম্পর্ক আছে বলে মনে করি না।

২৪. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৫
মজনু পাটোয়ারী বলেছেন: বেশ কঠিন বিষয়। ভাবিয়ে তুললেন। ২০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
লেখক বলেছেন: হুমমমমম ...........।

২৫. ২০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
আওরঙ্গজেব বলেছেন: অনেক কিছুই জানার আছে। ধন্যবাদ। ২০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৮
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৬. ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
নুরুজ্জামান০৮ বলেছেন: + ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭. ২১ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:১৮
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। ভিন্ন কিন্তু প্রকৃত অবস্থার চিত্র উঠে এসেছে। ধর্মের গন্ধ না খুঁজেও সামাজিকতা থেকে ইসলামের পরামর্শগুলির যৌক্তিকতা উঠে আসে এটাই প্রমাণ হয়। তবে সব ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেই অভিভাবকদের অংশগ্রহন সবচেয়ে বেশী জরুরী। ২২ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় কি কি সমস্যা হতে পারে এবং তার সমাধানের পথ কি হতে পারে - তা নিয়ে নিরন্তর গবেষনা হচ্ছে। এই লেখা সেটার উপর ভিত্তি করেই।

২৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
তারিক রিদওয়ান বলেছেন: ++++++++++++++++++++++ ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। তবে মন্তব্য পেলে আরো বেশী খুশী হতাম।

ভালো থাকবে।

২৯. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ৭:২৫
তারিক রিদওয়ান বলেছেন: আমার কিছু ফ্রেন্ড মনে করে, আসলে শুধু ফ্রেন্ড বললে ভুল হবে, এদেশের অনেক মানুষ এখন মনে করে কো-এড এর ক্ষেত্রেই বেশি সুবিধা।

আমি স্কুল জীবন কো-এডুকেশনে পড়িনি। কিন্তু কলেজে আসার পর কো-এডুকেশন এর সিস্টেম দেখে আমার বরং বেশ বিরক্তিকর লেগেছিল। কো-এডের সিস্টেম টাই আমার কাছে আগা-গোড়া ফালতু মনে হয়েছে। সন্ধ্যাবাতি আপু যা বলেছেন, মুলত আমার মতও তাই। খুবই অস্বস্তিকর ও বিরক্তিকর এক পরিস্থিতি এই কো-এড এ। x( ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৫৯
লেখক বলেছেন: আমি যখন বাংলাদেশে ছিলাম, তখন অনেকেই এই পৃথকী করন শিক্ষাকে ব্যাকডেটেড মনে করে কো-এড খুব আধুনিক ভাবত। আমার বুঝে আসত না, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানুষ পড়াশোনা করতে যাবে, সেখানে পৃথক শিক্ষা কি করে ব্যাকডেটেড হয়।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩০. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২০
ব্রুটাস বলেছেন: কো-এডুকেশনের সমস্যা কী? ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
লেখক বলেছেন: Click This Link


Click This Link

৩১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
জাতি জানতে চায় বলেছেন: চমৎকার পোস্টের ধন্যবাদ! ব্যাপারটা অনেকটাই দৃষ্টিভঙ্গীর বিষয়! ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪০
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

দৃষ্টিভংগির বিষয়? অনেকটা। তবে তার উৎস তো জীবনের অভিজ্ঞতা। অন্তত পক্ষে পশ্চিমের ক্ষেত্রে।

৩২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: ব্রিটিশ বা আমেরিকানরা কো-এডুকেশনের জ্বালা বুঝার পর হয়ত অন্যরকম চিন্তা করছে। আমাদের এখানে অনেকের দৃষ্টিভঙ্গীতে এটা থেকে শেখার ইচ্ছে নেই, বরং আমেরিকান ও বৃটিশদের মত ঠেকে পড়ে শিখতে চায়!! তাদের মূল যুক্তি কো-এড না হলে ছেলে-মেয়ের মধ্যে সম্পর্ক সহজ হয় না!! অথচ আমার মতে এটা ফ্যামিলি গুলোর যথাযথ দৃষ্টিভঙ্গীর অভাবের কারনে হয়ে থাকে। যার দৃষ্টিভঙ্গী যে রকম আর কি!! ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৫
লেখক বলেছেন: সেটাই। ঠেকে না শিখলে বুঝি শেখা বাকী থেকে যায়!

৩৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩০
সরকার সেলিম বলেছেন: সুন্দর একটা পোষ্ট। ভালো লাগলো। ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৫
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: কো এডুকেশনের সমস্যা নিয়ে কেউ কেউ জানতে চেয়েছিলেন।

Click This Link

লিংক থেকে তুলে দিলাম।


Boys should be taught separately to stop them falling further behind girls as part of an extensive overhaul of the education system, a powerful Government-backed review says today.


Teachers should be encouraged to tailor classes to fit the needs of boys, with more emphasis on "competitive" lessons and the reading of non-fiction books, according to the review, chaired by Christine Gilbert, the head of Ofsted, the schools watchdog.

The recommendation follows the publication of GCSE results last summer which showed that boys were achieving a level of performance that girls had reached seven years before.

Today's report calls for a huge shake-up in the way education is delivered over the next 15 years to ensure that school leavers in 2020 have all the requisite skills.

"It seems clear to us that the education system will not achieve the next 'step change' in raising standards simply by doing more of the same: a new approach is required," it says.

The report, 2020 Vision, is the culmination of an eight-month study.

It says parents should get state funding to give their children extra private tuition if they are struggling with English or maths.

It also suggests that high-flying pupils should be allowed to sit exams early and progress to the next year if they are clever enough — calling for a generation of schools focused on "stage not age".

The national testing regime should also be reviewed, with school league tables redrawn to take account of the achievements of individual pupils at 16, rather than narrowly focusing on those who gain at least five good GCSEs.

It suggests that weak pupils who gain a D-grade or below should be given greater recognition with a new qualification. It would give them something to work towards rather than becoming disruptive.

It is thought likely that many of the reforms will be implemented given the millions ministers have earmarked for "personalised learning".

Last year, Beverley Hughes, the the children's minister, said the Government had set aside £1.3 billion to support similar initiatives.

The review was commissioned last year by the Government to establish how schools could adapt to push the brightest pupils yet reach out to persistent underachievers.

Miss Gilbert's report says that "for too many pupils, school does not engage them or equip them with the skills they need".

It notes that poor standards achieved by boys remained "extremely persistent" and calls for different techniques to be employed for the sexes.

Schools should invest in gender-specific curriculum materials, it says, and boys should be encouraged to read more non-fiction.

In a controversial move, it also suggests that ministers consider funding extra lessons for all pupils who are not making the grade in English and maths, from primary school through to GCSE.

"Pupils and their parents could be offered a range of options, some provided by the school, some by other approved providers," it says. Officials said this could include private tuition.

Alan Johnson, the Education Secretary, welcomed the report and said it would be considered before any policy decisions were made.

"I want to remove the barriers which prevent any individual child from reaching their full potential," he said. "We need to make sure that no one is left behind at any point — from the most gifted and talented children at the top of the class, to the uninterested child at the back."

Nick Gibb, the Conservative shadow education secretary, also welcomed the report but said that schools needed to return to streaming by ability, a recommendation overlooked by the study.


৩৫. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: হাই স্কুলে একটা অদ্ভুত সিস্টেম ছিল- ৬-৮ পর্যন্ত মেয়েরা আলাদা ক্লাসরুমে পড়ত- কিন্তু কিছু ক্লাস করানোর জন্য শিক্ষকের সংকট থাকায় (যেমন ধর্ম শিক্ষা) একসাথে ক্লাস হত-

মেয়েদের সাথে পড়ছি কিনা এইটা আসলে তো তখন মাথায় আসে নাই- আপনার লেখা পড়ে মাথায় আসল- আমার এলাকায় সব স্কুলই প্রায় কো-এড ছিল বলে হতে পারে অবশ্য-

বাংলাদেশে অবশ্য এর চেয়ে অনেক বড় বড় সমস্যা আছে- এইটা নিয়ে কেউ হয়ত এখনই ভাববে না-

কিশোরী মাতৃত্বের জন্য স্কুলের চেয়ে সমাজের ভূমিকাই বেশি মনে হয়- ফ্রি-মিক্সিং এর সাথে কো-এড এর সম্পর্ক কিছুটা হয়ত আছে- কিন্তু বড় ব্যাপার আসলে সমাজ- বাংলাদেশে কো এড স্কুলের অভাব নাই - কিন্তু এই সমস্যাও নাই- ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৮
লেখক বলেছেন: আপনার কথা সম্ভবত ঠিক। কো এড বাংলাদেশের জন্য সম্ভবত কোন সামাজিক সমস্যা নয়, কারন যারা কোএড থেকে এসেছে তাদের মধ্যে কোন সামাজিক সমস্যা দেখি নি।

তবে শিক্ষার যে মূল উদ্দেশ্য, তা এক লিংগিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়েই বেশী অর্জন সম্ভব। অন্তত আমার তাই বিশ্বাস। সেজন্যই নীচের পর্যবেক্ষনটি গুরুত্ব বহ:

Schools should invest in gender-specific curriculum materials, it says, and boys should be encouraged to read more non-fiction

এরকম আরো কয়েকটি স্টাডি জেন্ডার স্পেসিফিক শিক্ষাকে প্রমোট করার ইংগিত করছে।

আর সামাজিক সমস্যা তো আরেক ইস্যু।

End of a Bad Dream

End of a Bad Dream
Monday, Apr. 22, 1974

Click This Link

[লেখাটি ছাপা হয়েছিল টাইমসের ১৯৭৪ সালের ২২ শে এপ্রিল সংখ্যায়। লেখাটিতে তৎকালীন ত্রিদেশীয় ত্রিপাক্ষিক চুক্তির কিছুটা মূল্যায়ন রয়েছে। ]


গত সপ্তাহে দিল্লিতে পাচ দিনের তুমুল আলোচনার পরে ভারত, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান ১৯৭১ যুদ্ধের জের হিসেবে চলে আসা দুটি মূল বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌছেছে। এই চুক্তির ফলে তিন দেশের মধ্যে স্বাভাবিক কুটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ফিরে আসল এবং বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভের বাধা দূর হল, যা এতদিন পাকিস্তানের অনুরোধে চীন ভেটো দিয়ে আসছিল।


চুক্তির টার্মস গুলো বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী কামাল হোসেন, ভারতের শরন সিং এবং পাকিস্তানের আজিজ আহমেদ ঠিক করেন, যার ফলে বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বন্দি ১৯৫ জন পাকিস্তানিকে ক্লেমেন্সি বা উদারতা দেখিয়ে বিচার না করার বিষয়ে সম্মত হয়। আরো ৬৫০০ যুদ্ধবন্দীর (সর্বমোট ৯০০০০) সাথে এই যুদ্ধবন্দীরা পাকিস্তানে ফেরত যাবে, যারা যুদ্ধের সময়ে আটক হয়ে এখনও ভারতের ক্যাম্পে রয়েছে। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের এই ধারা গত অগাস্টে শুরু হয়ে এ মাসেই শেষ হবে আশা করা যায়।


যুদ্ধাপরাধ বিচারের দাবী ছেড়ে দেয়া বাংলাদেশের পক্ষে একটি বড় ধরনের ছাড়। কিন্তু এটা মোটামুটি প্রত্যাশিত ছিল যখন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো গত ফেব্রুয়ারীতে মুসলিম নেতাদের লাহোর সম্মেলনে ঘোষনা দেন যে পাকিস্তান তার পূর্ব অংশের বিচ্ছিন্নতাকে মেনে নিয়েছে। আরো বিষ্ময়কর হল চুক্তিতে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের দাবী মেনে নেয় যে এই যুদ্ধবন্দীরা যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং গনহত্যার সাথে জড়িত ছিল। পাকিস্তান সরকার সমস্ত অপরাধের নিন্দা জানায় এবং গভীর অনুতাপ প্রকাশ করে।


দিল্লী চুক্তি বাংলাদেশে অবস্থানরত ৫০০০০০ বিহারীর ভাগ্যের বিষয়ে কিছুটা অস্বচ্ছ। প্রচুর বিহারী, যারা ১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের সময় ভারতের বিহার থেকে এসেছিল, তারা যুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে অবস্থান নেয়। যার ফলে তাদের দুঃখজনক ভবিষ্যৎকে বরন করে নিতে হবে যদি তারা বাংলাদেশে অবস্থান করে। এদের অধিকাংশই ভীতি এবং মানবেতর অবস্থায় ঢাকা ও অন্যান্য শহরের বাইরে রিফিউজি ক্যাম্পে অবস্থান করছে।

এখন পর্যন্ত পাকিস্তান ১১০০০০ জন আটকে পড়া বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে যারা যুদ্ধের শুরুতে পশ্চিমে আটকে গিয়েছিল এবং ১৪০০০০ বিহারীকে ফেরত নেয়ার প্রক্রিয়া গ্রহন করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী যারা পাকিস্তানের সরকারের চাকুরে, পাকিস্তানের পূর্ব বাসিন্দা এবং বিচ্ছিন্ন পরিবারের সদস্য, তাদের সবাইকে গ্রহন করতে হবে। যাদের অ্যাপ্লিকেশন আগে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তাদের পুনর্বিবেচনা করার বিষয়ে পাকিস্তান আরো আশ্বাস দিয়েছে। তার মানে পাকিস্তানে প্রত্যাবর্তনকৃত বিহারীর সংখ্যা ১৪০০০০ এর খুব বেশী সম্ভবত হবে না। বেকারত্বের ভয়ে পাকিস্তান এর চেয়ে বেশী নিতে ভয় পাচ্ছে।


এক বিশাল ইংগিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আহমেদ দক্ষিন এশিয়ার এক বেদনাদায়ক অধ্যায়কে বন্ধ করার কৃতিত্ব দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে। সপ্তাহান্তে মুজিব রাশিয়ায় দুই সপ্তাহের চিকিৎসা শেষে দিল্লিতে এক সংক্ষিপ্ত সফর করেন। শরন সিং যোগ করেন, বিচার কার্য, ট্রাইবুনাল এবং আমাদের উপ মহাদেশের দ্বন্দ্ব এখন শুধুই অতীত - একটি দুঃস্বপ্ন যাকে ভুলে যাওয়া যায়।

backup post

দেখা যাক ব্লগে প্রকাশ করতে পারি কিনা? - পারলাম দেখছি!!!!!!

আমার দুই গুনধর সন্তানের কান্ড! মাউসটাকে ধ্বংস করেছে। কি জানি কেন। মাউসটা দেখলেই তাদের ছুড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। দফারফা না করা পর্যন্ত তারা শান্তি পায় না। মাউস নষ্ট তো তারা শান্ত।

কয়েক বার তাদের কারনে মাউস পাল্টানোর পর এখন মনে হল, থাক, কয়দিন মাউস ছাড়া থাকি। দেখি কতদিন থাকতে পারি।

এর ফলে ব্লগিং করাও বেশী একটা হচ্ছে না।

এখন চেষ্টা করে দেখছি কি বোর্ড দিয়ে কতটুকু যাওয়া যায়। নাহ, বেশী করতে পারছি না। কি-বোর্ড কি মাউসের বিকল্প হতে পারে!!!!!

আপনারা যারা ব্লগিং করতে পারছেন তাদেরকে আমার খুব সুখী মানুষ মনে হচ্ছে।

হ্যাপী ব্লগিং।




সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৭






এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৩৪ টি মন্তব্য
৫১৫ বার পঠিত,
আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি


--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন


--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল

আপনার বন্ধুদের ইমেইল

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28753493 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান


--------------------------------------------------------------------------------



১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫২
দ্বীপবালক বলেছেন: এইতো করে ফেললেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৮
লেখক বলেছেন: এখনও করছি। কি-বোর্ডকে যতটা খারাপ ভেবেছিলাম তা ততটা খারাপ নয়। চালাতে পারছি তো।


মুছে ফেলুন


২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫২
বজলু মহাজন বলেছেন: +


জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৩
লেখক বলেছেন: বজলু মহাজন, মন্তব্য বেশী ভাল লাগে।

তাও খুশী হলাম ব্লগ দেখেছেন বলে।


মুছে ফেলুন


৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৫
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: আশা করবো, তাড়াতাড়ি ফিরে আসবেন।

গুনধর সন্তানেরা এখন শান্ত!
হা হা হা....।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৫
লেখক বলেছেন: না ফিরে কি পারি। এখনও কি-বোর্ডে তবে কিছুটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।

মুছে ফেলুন


৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: যারা লিখেছেন, লিখবেন এবং লেখেন নি কিন্তু ব্লগে এসেছেন তাদের সবাইকে একসাথে ধন্যবাদ।

এই সাময়িক অসুবিধা কেটে গেলে আবারো আপনাদের বিরক্ত করতে আসব ব্লগে (ইনশাল্লাহ)।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৩
বাতিঘর বলেছেন: যাওয়ার আগে একটু বলে যাবেন- প্রিয় পোস্ট কিভাবে দেয়া যায়?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: পোস্টের নীচে হলুদ স্টারটাতে ক্লিক করে দেখুন তো। আমি তো চেক করতে পারছি না। আশা করি অন্যরা আপনাকে সাহায্য করবে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
বাতিঘর বলেছেন: ধন্যবাদ, অতি সহজ।




জানা থাকলে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
প্রচেত্য বলেছেন: ভাই কষ্টও পাইলাম আনন্দও পাইলাম
তবে কি-বোর্ড দিয়ে পিসি চালান
দেইখেন কি-বোর্ড ও যেন ..........
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৫
লেখক বলেছেন: সে সম্ভাবনাও আছে। কি-বোর্ডও যে কখন নষ্ট হয় কে জানে। তখন তো কানা মামাও থাকবে না।

মুছে ফেলুন


৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৬
খোলাচিঠি বলেছেন: গুণের সন্তানেরা দেখি গুণের একখান কাজ করসে !
ভাল। বাচ্চাদের টেকনিক্যাল নলেজ আর বারবে।
লেট দেম এঞ্জ্যয় ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
লেখক বলেছেন: গুনের সন্তানরা না শুধু বরং তাদের বন্ধু বান্ধবরাও এসে ঘরবাড়ীকে আস্তাবল বানিয়ে যায়। কখনই কেয়ার করিনা। তবে এখন যেহেতু ব্লগিং বন্ধ তাই বিরক্ত লাগছে। @খোলাচিঠি

মুছে ফেলুন


১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সুখী মানুষ
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০০
লেখক বলেছেন: আমারও তাই বিশ্বাস। জীবনকে পজিটিভ দেখতে চাই। দুঃখকে গায়ে লাগাতে চাই না।

পরম করুনাময় যাতে এমন কোন দুঃখ না দেন যা বইবার শক্তি আমার নেই।

মুছে ফেলুন


১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৯
আবাবিল বলেছেন: একবার দাওয়াত দিন, দেখি ওদের কিছূ টিপস দিয়ে আসা যায় কি না।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০২
লেখক বলেছেন: ব্লগের দাওয়াত নিয়মিত রাখুন - সেটা অনেক সহজ।

বাড়ীর দাওয়াত দিলে তো বেকায়দায় পড়বেন - রিকশা ভাড়া একটু বেশীই।

মুছে ফেলুন


১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৯
আবাবিল বলেছেন: বলা যায়না কি চাকরী পেয়ে বসি, তারপর বছর পাঁচেকের মধ্যেই টিকেটের টাকাটা জমিয়ে ফেলতে পারব ইনশাল্লাহ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৫
লেখক বলেছেন: আল্লাহ যদি চান তা হলে বোধ করি দাওয়াত কবুল করা সম্ভব। তবে টিপস নেবার সময় আর থাকবে না।

মুছে ফেলুন


১৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ব্লগানোর জন্য আবারো সবাইকে ধন্যবাদ। এখন ঘুমুতে যাচ্ছি। আশা করি এরপর মাউস নিয়ে পুরোদমে আবার আপনাদের জ্বালাতে আসব।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৭
খোলাচিঠি বলেছেন: ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
লেখক বলেছেন: গুনের সন্তানরা না শুধু বরং তাদের বন্ধু বান্ধবরাও এসে ঘরবাড়ীকে আস্তাবল বানিয়ে যায়। কখনই কেয়ার করিনা। তবে এখন যেহেতু ব্লগিং বন্ধ তাই বিরক্ত লাগছে। @খোলাচিঠি


are bloggin re gulli maren.
baccader creativity te beghat ghotayen na.
dorkar hole aro koyekta mouse dhorayen den.
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৮
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। আপনার পরামর্শ গ্রহন করা হল।

মুছে ফেলুন


১৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৯
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: সোজা একটা বুদ্ধি দিতে পারি। আপনার বাচ্চাদেরকে একটা আসল মাউস এনে দেখান। তারা সেটাকে ছোয়ার পর মাউস তারা ছুয়েও দেখবে না।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩১
লেখক বলেছেন: ভাল বুদ্ধি। তবে আসল জীব জানোয়ারের দাম একটু বেশী। লালন পালন করতেও ভালই খরচ। ঝামেলা তো আছেই।

পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


১৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩২
মিরাজ বলেছেন: গুণধর বাচ্চাদের জন্য আদর রইল। আমার বাচ্চারা আমার ল্যাপটপের কয়েক দফা দফারফা করার পর এখন শিখে গেছে

অবাক হলাম যে আপনি মাউস দিয়ে ব্লগিং করতেন!! কি- বোর্ড তো অনেক বেশী সহজ!!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

ল্যাপটপও রেহাই পায়নি।

কিন্তু কি-বোর্ড দিয়ে কি করে ব্লগিং করেন? কোনো মন্তব্যের জবাব দিতে চাইলে কি করে দেন?


মুছে ফেলুন


১৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৬
কোলাহল বলেছেন: কোরবানী শেষ করে মনে হচ্ছে গালগল্প ভালই জমেছে। বেশ, দিন দেখি পানের বাটা আর দাত খুচুনিটা। বসেই যখন পড়েছি....
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল আড্ডার আলাদা আনন্দ..........








মুছে ফেলুন


১৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কি বোর্ড দিয়ে সব কাজ করার মধ্যে কিন্তু একটা ভাব আছে ।
মাঝে আমার মাউসগুলো দ্রুত ইন্তেকাল করছিল বলে , কি বোর্ড দিয়ে বেশ কিছুদিন কাজ করেছিলাম ।

কলেজে থাকতে আমার এক ফ্রেন্ডকে কি-বোর্ডে কাজ করতে দেখে ভেবেছিলাম ......."বাব্বাহ , বিশাল বস" ।

আপনার বাচ্চাদের পাশে আপনাকে কি-বোর্ডে আপনাকে কাজ করতে দেখে আরেকবার ভাবছি .........."বাব্বাহ , বিশাল বস ...."
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৯
লেখক বলেছেন: চমতকার বলেছেন। এখনও চলছে কি-বোর্ড দিয়ে।


মুছে ফেলুন


১৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৪
বিবেক সত্যি বলেছেন: আপনার গুনধর সন্তানদের দেখতে চাই, ছবি পোষ্ট করুন প্লিজ...
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১২
লেখক বলেছেন: চেয়েছিলাম। কিন্তু ব্লগের পরিবেশ দেখে পিছিয়ে গেছি।


মুছে ফেলুন


২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মাউস নিয়ে আবার যাত্রা শুরু



"উই আর নন-ভায়োলেন্ট টু দেম, হু আর নন-ভায়োলেন্ট টু আস"। অনেকটা দম্ভের সাথেই অহিংস আন্দোলনের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়ে যিনি সমসাময়িক কালে চরম আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি হলেন ম্যলকম এক্স। কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং যখন সবাইকে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ে উতসাহিত করছিলেন, ম্যালকম তখন এটিকে অবহেলার সাথে পাশ কাটিয়ে যান তার এই বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে। তার ব্যক্তিত্ব, অসাধারন বাগ্মীতা ও আপোষহীন মনোভাব তাকে নিয়ে যায় জনপ্রিয়তা ও খ্যাতির শীর্ষে। তিনি সমালোচিত হয়েছেন কিন্তু তা তাকে মোটেও দমাতে পারেনি। তিনি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারীতে থাকলেও বিন্দুমাত্র আপোষ করেন নি নীতির প্রশ্নে। নিজের অবস্হানে তিনি ছিলেন অবিচল। কোনো বাধা বিপত্তিই তাকে শংকিত করে নি কখনও। যার মাশুল তাকে দিতে হয় আততায়ীর হাতে জীবন দিয়ে। তবে আততায়ী তার জীবন কেড়ে নিলেও পারেনি নীতিকে কেড়ে নিতে। তাই আজ নর্থ আমেরিকাতে ইসলামী আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে তাকেই গন্য করা হয়। তার অগনিত অনুসারী তার কর্মময় বৈচিত্রময় জীবনকে পৌছে দিয়েছে সাধারনের মাঝে, নূতন প্রজন্মের মাঝে।

ম্যালকম প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এই গ্রুপের চিন্তাভাবনা মূলধারার ইসলামের সাথে কিছুটা সাংঘর্ষিক। এটি মূলত কৃষ্ণাঙ্গদের সংগঠন। এই গ্রুপে তখন মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সহ প্রায় সব বড় বড় ফিগাররা ছিলেন। আলী তখন ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ জানান এই ভাবে, "দিস ওয়ার ইজ এগেইনস্ট মাই রিলিজিয়াস বিলিফ।" আলীর পদক কেড়ে নেয়া হয়। তিনিও একরোখা - এসব থোড়াই কেয়ার করেন। পরে অবশ্য আলীকে তার পদক ফিরিয়ে দেয়া হয়। যা হোক, আমার এই পোস্ট মূলত ম্যালকমকে নিয়ে। আমি তাতেই আলোচনা সীমিত রাখব। নতুবা প্রত্যেকের জীবন নিয়েই বিশাল ইতিহাস লেখা যায়।

ম্যলকম ন্যাশন অব ইসলামে থাকা কালে হজ্জব্রত পালন করেন। এটিই তার জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়। তিনি অনুভব করতে পারেন ইসলামে সাম্যের অর্থ। ইসলাম যে কালো সাদা ফকির আমীরের মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না, সেটি হজ্জের মাধ্যমেই অনুধাবন করতে পারেন। তিনি ন্যাশন ছেড়ে দেন এবং হয়ে যান সুন্নী মুসলিম।

তার এই নূতন যাত্রাকে শুরুতে অনেকেই ভালভাবে নেয় নি। আলীসহ প্রায় সবাই রয়ে যান ন্যাশনের ছায়াতলে। তিনি তা বলে দমে যাবার পাত্র নন। একাই আবার গুছাতে চান সব কিছু। কিন্তু তার সেই উদ্যোগ থমকে দেয় আততায়ীর বুলেট।

ম্যালকম সমসাময়িক কালে রাজনৈতিক বিশ্বাসের জন্য হয়েছেন সমালোচিত। প্রেসিডেন্ট কেনেডির একজন নামকরা সমালোচক ছিলেন ম্যালকম। কেনেডি নিজেও কৃষ্ণাংগ অধিকারে বিশ্বাসী ছিলেন। তার সময়ে ইউনিভার্সিটি অব আ্যলাবামাতে কালোরা ভর্তি হবার সুযোগ পায়। কাজটা ছিলো বেশ কঠিন। কারন আলাবামার গভর্নর ওয়ালেস ছিলেন কালো আর সাদার একত্রীকরনের বিরোধী। তার সময়ে "ওনলি ফর হোয়াইটস" সাইনটি ছিল দৃশ্যমান। তার বিখ্যাত উক্তি, "আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন টুডে, আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন টুমোরো, আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন ফর এভার।" কিন্তু কেনেডিও অনমনীয় ছিলেন। যার ফলে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা এট টাস্কালুসাতে কালোদের অর্ন্তভূক্তি নিশ্চিত হয়। ওয়ালেসের বিরোধিতা সত্ত্বেও।

কিন্তু তা সত্ত্বেও কেনেডির সমালোচনায় ম্যালকম ছিলেন মূখর। ম্যালকমের কেনেডি বিরোধী এই ব্যাপারটিকে আমি কখনই সমর্থন করিনি কারন আমি নিজেও কেনেডির ভক্ত। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়ে কেনেডিও মিথ্যা বলেছেন তবে তা যুদ্ধকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য। কেনেডির এই শান্তিপ্রিয় মানবতাবাদী ভূমিকা তাকে অনন্য করে তুলে। কিন্তু ম্যালকম বিভিন্ন ইস্যুতে তার সমালোচনা করে নিজেও হয়েছেন আলোচিত।

ম্যালকমের ইসলামী আন্দোলনের পেছনে যার অবদানকে গুরুত্ব দিতে হয় তিনি হলেন তার স্ত্রী এমা। এমাই প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের আভ্যন্তরীন সমস্যাগুলো তুলে ধরেন ম্যালকমের কাছে। এমার অকুন্ঠ সমর্থনেই ম্যালকম মূলধারার ইসলামে নিজেও সম্পৃক্ত হয়েছেন এবং অন্যদের সম্পৃক্ত করেছেন।

ম্যালকমকে নিয়ে আমেরিকায় যে মুভিটি হয়েছে তাতে ম্যালকমের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ডেনজেল ওয়াশিংটন। আমার এই লেখাটি অনেক আগে দেখা সেই মুভির স্মৃতি থেকে নেয়া। ভুল ত্রুটি থাকলে মার্জনা চাইছি।

কস্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।



সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১৯






এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৭৫ টি মন্তব্য
৭৮১ বার পঠিত,
আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি


--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন


--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল

আপনার বন্ধুদের ইমেইল

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28753644 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান


--------------------------------------------------------------------------------



১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৮
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
+

ইনফরমেটিভ পোস্ট। গুড।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ সারোয়ার।



মুছে ফেলুন


২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
পথহারা বলেছেন: আপা, '

'ন্যাশন অব ইসলাম ' এটা জিনিস, একটু বুঝাইয়া বলবেন কয়েক লাইনে?..or any reference?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৪
লেখক বলেছেন: আমেরিকার একটি প্লাটফর্ম। লুই ফারাহ খানের নেতৃত্বে। গুগল সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন। সেটাই সবচেয়ে ভাল হবে।

মুছে ফেলুন


৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪২
পথহারা বলেছেন: এটা জিনিস=এটা কি জিনিস
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
মাহিরাহি বলেছেন: ম্যালকমকে বলা হত কালোদের রাজপুত্র, ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য।


মুছে ফেলুন


৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: পোস্ট টা ভাল লাগল এমন আরো পোস্ট চাই।+
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে।


মুছে ফেলুন


৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: ওয়াও! এক্সিলেন্ট!
খুব সুন্দর হয়েছে। আরো একটু সাজিয়ে পেপারে পাঠিয়ে দিন।

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম।


মুছে ফেলুন


৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: লুই ফারাহ খানের ভাষণ আমি দেখেছি। এতো প্রাঞ্জল সহজ উপস্থাপনের ক্ষমতা দেখে বিস্মিত হয়েছি।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৪
লেখক বলেছেন: হ্যা। লুই ফারাহ খানের বক্তব্য চমতকার।


মুছে ফেলুন


৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৫
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।




মুছে ফেলুন


৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১০
পথহারা বলেছেন: [আলীসহ প্রায় সবাই রয়ে যান ন্যাশনের ছায়াতলে।]

আপা,

একটু আগে উইকি পড়লাম। আলী পরবরতিতে main stream
ইসলামে যোগ দেয় following ম্যালকম এক্স......

এটা উল্লেখ করলে মনে হয় ভালো হয়.....
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৮
লেখক বলেছেন: স্যরি। আলী বর্তমানে সুন্নী মুসলিম। যখন ন্যাশন ভাগ হয় তখনকার কথা বলছিলাম।


মুছে ফেলুন


১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৯
মুনিয়া বলেছেন: ভালো লাগল...
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।


মুছে ফেলুন


১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৪
বাঙাল যুবক বলেছেন: বাংলাদেশে এক আমেরিকান নেতা এসেছিলেন? তিনি কি লুই ফারাহ খান? মনে করতে পারছিনা। তবে তার বক্তব্য শুনেছি ।

ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪০
লেখক বলেছেন: মনে হয় লুই ফারাহ খান।

যতদূর মনে করতে পারি তার পকেট থেকে বারশ ডলার চুরি হয়ে যায়।



মুছে ফেলুন


১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
আবূসামীহা বলেছেন: "There is nothing in the Quran, as you call it koran, that teaches us to suffer peacefully. Our religion teaches us to be intelligent, be peaceful, be courteous, obey the law, respect everyone. But if someone puts his hand on you, then send him to the Cemetery." - Alhajj Malik al-Shabazz (Malcolm X)
Malcolm, my brother! O prince of Islam! This ummah needs a man like you again. Today we have leaders who love us to suffer peacefully. The youth of the Ummah, who stood up to defend the honor of the ummah, so as to send those to cemetery who laid hand on us, are branded terrorists. Our rulers and intellectuals prefer peaceful suffering over dignified living.
Oh Allah! send us thousands of Malik Shabazz who will raise the honor of this ummah - "by any means necessary" - if the enemy is nonviolent then by way of nonviolence and if they are violent then violently.

Click This Link
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪২
লেখক বলেছেন: আবু সামীহা, আপনার লেখা পড়ে দেখি আমার কান্না চলে আসল।

ধন্যবাদ।


মুছে ফেলুন


১৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৭
আবূসামীহা বলেছেন: আমিতো এখনো কাঁদছি।
আমার চোখ ব্রাদার ম্যালকমের মত মানুষদের জন্য অবিরাম অশ্রু ঝরাতেই থাকবে,
তাঁর মত মানুষদের জন্য আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হতেই থাকবে।

আমার সমগ্র সত্ত্বা জুড়ে এ বাসনা জাগরুক থাকবে তাঁর মত মানুষদের সঙ্গী হওয়ার জন্য জান্নাতে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫০
লেখক বলেছেন: একমত। তবে আপনি যেহেতু বড় মাপের লেখক, তাই কান্নাকে প্রকাশ করতে হবে লেখায়। ম্যালকমের জীবনী নিয়ে আপনার কাছ থেকে তথ্যবহুল আর সাবলীল লেখা চাই।





মুছে ফেলুন


১৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
বাঙাল যুবক বলেছেন: আবু সামীহাকে ধন্যবাদ
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০০
কোলাহল বলেছেন: উম্মু আব্দুল্লাহ বলেছেন: কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং যখন সবাইকে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ে উতসাহিত করছিলেন, ম্যালকম তখন এটিকে অবহেলার সাথে পাশ কাটিয়ে যান তার এই বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে।



ম্যালকম অহিংস আন্দোলনকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তার মানে কি সহিংস আন্দোলন করেছিলেন ? এই সহিংস আন্দোলনের সাথে তার ইসলাম গ্রহনের কোন সম্পর্ক আছে কি?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৬
লেখক বলেছেন: তিনি মার্টিন লুথার কিং এর ফিলোসোফিকে গ্রহন করেন নি। তার সেই বিখ্যাত উক্তিটি তিনি কিং এর উদ্দেশ্যে বোধ করি ছিল। তিনি কালোদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে কিং প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন দেন নি।

আশা করি আমার চেয়ে যারা ভাল জানেন তারা ব্যাপারগুলো ব্যাখা করতে পারবেন। আমি যেহেতু স্মৃতি থেকে লিখছি তাই ভুল হওয়া বিচিত্র নয়।



মুছে ফেলুন


১৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০২
আবূসামীহা বলেছেন: আমি যে লিঙ্কটা দিয়ে ছিলাম আগে দয়া করে ওটা দেখুন।
Malcolm X - Prince of Islam.

Click This Link
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
আবূসামীহা বলেছেন: "ম্যালকমের ইসলামী আন্দোলনের পেছনে যার অবদানকে গুরুত্ব দিতে হয় তিনি হলেন তার স্ত্রী এমা। এমাই প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের আভ্যন্তরীন সমস্যাগুলো তুলে ধরেন ম্যালকমের কাছে। এমার অকুন্ঠ সমর্থনেই ম্যালকম মূলধারার ইসলামে নিজেও সম্পৃক্ত হয়েছেন এবং অন্যদের সম্পৃক্ত করেছেন।"
==========
উপরের ইনফরমেশনে একটু ভুল আছে। এমা ম্যালকমের বোন। তাঁর উৎসাহেই ম্যালকম হজ্জে গিয়েছিলেন যা তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ম্যালকমের স্ত্রীর নাম বেটি - পরবর্তীতে ডঃ বেটি আল-শাবাজ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫২
লেখক বলেছেন: ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। হ্যা, এমা হলেন বোন আর বেটি হলেন স্ত্রী। তবে বেটি ন্যাশনের ব্যাপারে তার কাছে প্রশ্ন তোলেন। সে প্রশ্ন ম্যালকমকেও সন্দিহান করে তোলে।

মুছে ফেলুন


১৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৪
আবূসামীহা বলেছেন: Eulogy speech by Actor Ossie Davis on Malcolm's funeral

Here at this final hour, in this quiet place, Harlem has come to bid farewell to one of its brightest hopes, extinguished now, and gone from us now forever. It is not in the memory of men that this beleaguered, unfortunate but nonetheless, proud community has found a braver more gallant young champion then this Afro-American who lies before us unconquered still. I say the word again as he would want me to "Afro-American, Afro-American Malcolm." Malcolm stopped being Negro years ago. It had become too small, too puny, too weaker word for him. Malcolm was bigger than that.

There are those who will consider it their duty, as friends of the Negro people, to tell us to revile him, to flee, even from the presence of his memory, to save ourselves by writing him out of the history of our turbulent times. Many will ask what Harlem finds to honor in this stormy, controversial and bold young captain — and we will smile. Many will say turn away — away from this man, for he is not a man but a demon, a monster, a subverter and an enemy of the black man — and we will smile. They will say that he is of hate — a fanatic, a racist — who can only bring evil to the cause for which you struggle! And we will answer and say to them: Did you ever talk to Brother Malcolm? Did you ever touch him, or have him smile at you? Did you ever really listen to him? Did he ever do a mean thing? Was he ever himself associated with violence or any public disturbance? For if you did you would know him. And if you knew him you would know why we must honor him.

Malcolm was our manhood, our living black manhood. This was his meaning to his people, an in honoring him we honor the best in ourselves. However much we may had differed with him or with each other about him, and his value as a man let his going from us serve only to bring us together now. Consigning this mortal remains to earth, the common mother of all, securing the knowledge that what we place in the ground as no more now a man, but a seed, which after the winter of our discontent will come forth again to meet us and we shall know him then for what he was and is, a prince -shining prince who didn't hesitate to die because he loved us so.

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৭
লেখক বলেছেন: স্পীচটি খুব টাচি।

মুছে ফেলুন


১৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১১
শমশের আলম শোভন বলেছেন: ওকে আন্ডারস্টুড করলাম যে আপনেরা সহিংস আন্দোলনের বড় ভক্ত৷ নাসারাগো দ্যাশে বইসা নিমকহারামি করতাছেন তো ভালোই
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৩
ডোরাকাটা বলেছেন: তুমি যে তুমার তুলনা......
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৭
"কুদরত আলী" বলেছেন: বলেছেন: ম ্যালকম-এক্স সম্পর্কে লেখা গুলো পড়লাম। এখন কিছু প্রশ্ন? ম্যালকম-এক্স একজন দাগী আসামী এবং আমেরিকান কারগিার কতৃপ ম্যালকম-এক্সকে সমস্ত রকম মানবাধিকার সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন যাতে তিনি উনার কতকর্মর শাস্তি ভোগ করার পরে সম্মানৈর সাথে সমাজে ফিরে যেতে পারেন। ব্যপিারঠি কি সম্বভ হতো আস্তমেয়ের শরীয়া আইনে। ম্যালকম-এক্স কে হয়তো দোররা মারা হতো,কিংবা হাত কাটা হতো। আর শেষ হয়তো গলা কাটা হতো শেষৈ। যদি আমি মেনে নেই ম্যালকম-এক্স এর মহাত্ব তা কিন্ত ইসলামের দান নয়। দান আমেরিকার কারাগার ব্যবসহার। ঐশলামিক আইনে তিনি হয়তো হারিয়ে যেতেন এক হাত কাটা ভিখারী হিসাবে।

বলতে চাই আমেরিকা বর্নবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্যর পরিবর্তন ঘটিয়েছে তার সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে।ইতিহাস পযালোচনা করলে দেখা যাবে ,কৃতিত্বআব্রাহাম লিক্নন দাস প্রথ িউঠিয়ে দেয়ার জন্য আর নেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস সামাজিক পরিবর্তনের এে তৈরির জন্য। আন্দোলনের কৃতিত্ব যাবে মাটিন লুথার কিং বা রোসা পার্কের াছে। সাংবিধানিক পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দিয়েছে ইউ এস সুপ্রিম কোট।ম ্যালকম-এক্স র ভমিকা খুবই কম এবং প্রশনবিদ্্ব ঐতিহাসিকদের কাছে। তিনি ধর্মের নামে পরিবর্তন আনতে যেয়ে বিছিছন্নকরেছেন মুল আন্দোলনকে। উসকে দিয়েছেন ব্লল্যাক প্যানহরি জাতীয় দলগুলোকে।চরমপনিহ আনেদালনখে বেগবান করেছেন। ফল হয়েছে যে সামাজিক পরিবর্তন বাধা প্রাপ্ত হয়েছে। উনার ধর্মযইি হোক আমেরিকার পরিবতর্নে ম ্যালকম-এক্স র ভূমিকা খুবই কম এবং কোন কোন ঐতিহাসিক ওনাকে চরমপনিহ বলবেন। আরও জানাচিছ কালো কমুনিটি ম ্যালকম-এক্স কে তাদের এাতা মনে না করে , মূল সমস্যা থেকে ডিসট্রকিশন মনে করে।। আইন যদিহয় ভালো সময়ে হাত কাটা তহিলে আপনরি হিরোর হাত কাটা যেতো। ঐশলামিক আইন সেদিক দিয়ে সফল।
আমেরিকার কালোরা অনেক এগিয়েছৈ গত কয়েক দশকে। কৃতিত্ব যাবে ষাটের দশকের আনেদালন মাটিন লুথার কিংকিংবা আলবামার বাস বয়কট এর রোসা পার্কের। সততর দশকের সামাজিক পরিবর্তন এনফোর্সড বাই ইউ এস সুপ্রিম কোর্ট বিশাল অবদান রেখেছে। কেনেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস রেখেছে বিশাল ভুমিকা ।সকল প েএকএ্র কাজ করেছেন,আপনার হিরো ছাড়া। ধর্মের নামে তিনি সমাজকেদই ভাগে ভাগ করেছেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৯
লেখক বলেছেন: ম্যালকমের অবদান আছে বলেই তার স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশিত হয়েছে (আমার স্মৃতি যদি বিশ্বাস ঘাতকতা না করে)।

আমি উগ্রবাদে বিশ্বাস করি না। সেজন্য প্রথম প্রথম ম্যালকমকে আমার ততটা ভাল লাগত না। পরে যখন বর্ন বৈষম্যের আসল রূপটি দেখি, তখন আমি ম্যালকমসহ হাজারো কালোদের মানসিকতা বুঝতে পারি।

ম্যালকম পরবর্তী জীবনে সাদাদের প্রতি অনেকটাই নমনীয় হয়ে ছিলেন।

মুছে ফেলুন


২২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:০৮
প্রচেত্য বলেছেন:
ম্যলকম এর জন্য তো শ্রদ্ধাই রইলই
আপনার প্রতিও সম্মানের স্তরটি অনেক উচুতে স্থান করে নিলাম
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রচেত্য। লজ্জা লাগল কিছুটা। আমি সম্মানের ততটা যোগ্য নই।



মুছে ফেলুন


২৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:১২
দ্বীপবালক বলেছেন: সুন্দর লিখিয়াছেন। ম্যালকম এক্স সম্পর্কে অনেক কিছু জানা হইল লেখা এবং মন্তব্য সমূহ হইতে। ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৩
লেখক বলেছেন: আপনাকে ব্লগ পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আমার অসময়ের এলোমেলো ভাবনা গুলো যদি পড়ার যোগ্য মনে করেন তবে আমি সার্থক।


মুছে ফেলুন


২৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৫
আবূসামীহা বলেছেন: জনাব কুদরত আলী,
মুসলিম বিদ্বেষে আপনি অন্ধ জানি। কিন্তু যে ধরণের মন্তব্য করলেন এক মহান ব্যক্তি সম্পর্কে তা কোনভাবেই জাস্টিফাই করা যায়না। ম্যালকম তার প্রথম যৌবনে যে উচ্ছৃংখল জীবন যাপন করেছেন তাও বর্ণবৈষম্যের শিকার হওয়ার কারণে। হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টরা [ সাদা বর্ণবাদীরা] তাঁর পিতাকে হত্যা করলে তার মা পাগল হয়ে যান। ফলে তিনি এবং তার ভাই বোনেরা কোন রকমের যথার্থ অভিভাবকত্ব ছাড়াই বড় হয়েছেন। ফলে সৃষ্টি হয় তার জীবনের প্রাথমিক উচ্ছৃংখলতাগুলো। আর সেগুলোও মূলতঃ বেঁচে থাকার প্রয়োজনে। আর বেঁচে থাকার প্রয়োজনে যারা অপরাধ করে ইসলাম তাদের শাস্তি দেয়না। ইসলাম শাস্তি দেয় তাদেরকে যারা অপরাধপ্রবণ এবং বিনা কারণে অন্যের অধিকার নষ্ট করে ও সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে।

ম্যালকম তার জীবনকে সংশোধন করেছেন। নিজেকে নিজে শিক্ষিত করেছেন। কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে আত্মমর্যাবোধ সৃষ্টি করতে চেষ্টা করেছেন। তিনি মিলিট্যান্ট ছিলেন শব্দে, কাজে নয়। এটা এজন্য ছিল যাতে কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে সাদাদের প্রতি যে ভীতি ছিল তা চলে যায়। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো কোন সহিংস ঘটনায় অংশ নেননি বা কাউকে সেজন্য নিয়োগ করেননি। বরং নিজেই সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এজন্যই আমার আগে উদ্ধৃত করা অভিনেতা ওসি ডেভিসের বক্তব্যের একটা অংশের দিকে চোখ ফেরাতে বলবঃ
There are those who will consider it their duty, as friends of the Negro people, to tell us to revile him, to flee, even from the presence of his memory, to save ourselves by writing him out of the history of our turbulent times. Many will ask what Harlem finds to honor in this stormy, controversial and bold young captain — and we will smile. Many will say turn away — away from this man, for he is not a man but a demon, a monster, a subverter and an enemy of the black man — and we will smile. They will say that he is of hate — a fanatic, a racist — who can only bring evil to the cause for which you struggle! And we will answer and say to them: Did you ever talk to Brother Malcolm? Did you ever touch him, or have him smile at you? Did you ever really listen to him? Did he ever do a mean thing? Was he ever himself associated with violence or any public disturbance? For if you did you would know him. And if you knew him you would know why we must honor him.

ম্যালকম সাদা কালোদের মাঝে বিভেদ ঘুচাতে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করেছেন। বর্ণবাদী পরিচয় বাদ দিয়ে তিনি হতে পেরেছিলেন উদার সর্বগ্রাহী। আর আজ এজন্য কালোদের নিগ্রো না বলে আফ্রিকান-আমেরিকান বলা হয় যা ম্যালকমের বানানো টার্ম "afro-american" থেকেই নেয়া।

ম্যালকমের মত মানুষেরা চিরকাল বেঁচে থাকবেন সুন্দর পৃথিবী আকাঙ্খী মানুষদের অন্তরে। আর ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টিকারী কুদরত আলীদের নাম কেউ কখনো মনে রাখবেনা। রাখলেও রাখবে ঘৃণার উপাদান হিসেবে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪
লেখক বলেছেন: আবু সামীহা, আবারো আপনার লেখা পড়ে কাদলাম। আসলে ম্যালকমের মত উচু মানুষ নিয়ে লেখার কোন যোগ্যতা আমার নেই। আপনার এই মন্তব্য গুলোই এই লেখার প্রান।

আমি আপনাকে ম্যালকমকে নিয়ে একটি পোস্ট দেয়ার অনুরোধ জানাই। পারলে ইংরেজীটুকু অনুবাদ দেবেন।

মুছে ফেলুন


২৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
আবূসামীহা বলেছেন: চেষ্টা করবো, আপু।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আরেকটি অনুরোধ।

ইসলাম শেষ সম্বল আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে অস্ত্র ধারনের অনুমতি দিলেও তা কঠিন শর্তের জালে বাধা। ম্যালকমের পরিস্থিতিতে যা মানানসই, তা স্বাভাবিক অবস্থায় বেমানান।

তাই যে কোন সহিংতাকে আমি মনে করি নিরুতসাহিত করা উচিত। ধৈর্য এবং সহনশীলতা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করাটাই প্রথম কর্তব্য।

আমি এই নিয়ে তর্কে যেতে চাই না। তবে আমার দৃষ্টিভংগি ব্যাখা করলাম।


মুছে ফেলুন


২৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১১
আবূসামীহা বলেছেন: "ইসলাম শেষ সম্বল আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে অস্ত্র ধারনের অনুমতি দিলেও তা কঠিন শর্তের জালে বাধা।"
এর সাথে আমারো দ্বিমত আছে। আমি অবশ্য বিতর্ক করছিনা। নীচের লিঙ্কে একটা লেখা আছে ইংরেজীতে।

Click This Link

আর ম্যালকমের ব্যাপারটা হল, তিনি মূলতঃই ভায়োলেন্ট ছিলেননা। তাঁর পূরো সংগ্রামী জীবনে একবারও তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোন সহিংস কাজে অংশগ্রহন করেননি এবং এর নির্দেশও কাউকে দেননি। যতটুকু মিলিট্যান্সি ছিল তার মধ্যে তা ছিল তার কথায়। এবং তা ছিল একটা স্ট্র্যাটেজির অংশ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৮
লেখক বলেছেন: ম্যালকম প্রতিবাদী হলেও সহিংসতাকে কথায় কিংবা কাজে কোন ভাবেই উস্কে দেন নি। এ ব্যাপারে আমি একমত।

বরং তিনিই বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন।




মুছে ফেলুন


২৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
ভাল পোস্ট। অনেক কিছু জানলাম।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩
লেখক বলেছেন: ওয়াস সালাম।

ভালো লেগেছে তাই খুশী হলাম।

মুছে ফেলুন


২৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

কুদরত আলীর কাজই হলো মানুষের চরিত্রের ব্ল্যাক সাইড খুঁজে বের করা। আরে ব্ল্যাক তো থাকবোই। হোয়াইট সাইড যদি বেশি হয় সেটা বলবেনা?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৬
লেখক বলেছেন: ভাল মন্দ সব মানুষেরই থাকে। তবে বীর সাহসী আর মানবতাবাদীদের দোষটুকু সহজে চোখে পড়ে না।

ম্যালকম মানুষ হিসেবে ছিলেন অসাধারন। তার একটি সভায় এক সাদা মেয়ে অংশ নেয় এবং পরবর্তীতে ম্যালকমের পাশে দাড়ানোর অভিপ্রায় জানায়। সে মুহুর্তে ম্যালকম তাকে এড়িয়ে যান কারন তিনি তখন সাদা কাউকে তার সাথে চাচ্ছিলেন না।

পরে সে জন্য দুঃখ করেছেন। তিনি বলেছেন, "তাকে আমি অনেক খুজেছি। পাই নি।"



মুছে ফেলুন


২৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৫
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ঠিক বলেছেন এরকম হওয়াটা স্বাভাবিক।

একটা পক্ষে আন্দোলন করলে হুট করে অন্য পক্ষকে সাদর সম্ভাষণ জানানো যায় না। ম্যালকমের ওটা দোষ ছিলো না। বরং নিজের পক্ষের প্রতি নিষ্ঠাই প্রকাশ পেয়েছে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫২
লেখক বলেছেন: এই ব্লগে ডানপন্থী, বামপন্থী সহ বহু মতের মানুষ আছে। তবে সত্যিকার মানবতাবাদী আছেন গুটিকয়েক। সেই গুটিকয়েকের মধ্যে আপনি একজন। ম্যালকমকে কি আপনার কাছে ভাল না লেগে পারে?



মুছে ফেলুন


৩০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০২
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: চোখ ভিজে উঠলো আপু আপনার মন্তব্যে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। নিজের উপর বিশ্বাস করুন।


মুছে ফেলুন


৩১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৭
শমশের আলম শোভন বলেছেন: হৃদয় ছুয়ে যায় লেখাটিতে৷ চলুন না আজই মেলকমের আদর্শে ঝাপিয়ে পড়ি৷ আপনিও করতে পারেন৷ যুদ্ধ এখনই শুরু করতে হবে আর দেরী নয়
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৬
লেখক বলেছেন: ম্যালকমের ব্যাক্তিত্ব আমার নেই। তাও চেষ্টা করি মানুষকে সম্মান দিতে।



মুছে ফেলুন


৩২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:২৮
শমশের আলম শোভন বলেছেন: বেক্তিত্ব দরকার নেই৷ যার যা কিছু অস্ত্র আছে তা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া উচিত৷ যেমন আপনি রান্না ঘরের এক্টা ছুরি নিয়ে দুটো কাফের মেরে আসতে পারেন, সেই অবদান মুসলিমরা হাজার বছর মনে রাখবে৷
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৯
লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তাধারা ম্যালকমের আদর্শের বিপরীত। ম্যালকম বোধকরি আপনার প্রিয় ব্যক্তি নন। আপনার প্রিয় ব্যক্তিত্ব বোধকরি ম্যালকমের পিতৃঘাতক। লেখা পড়ে তাই মনে হচ্ছে।



মুছে ফেলুন


৩৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৪৩
শমশের আলম শোভন বলেছেন: আমার ত ধারনা আপনি মেলকমকে বুঝেন নি৷ উনি বলেছেনঃ "উই আর নন-ভায়োলেন্ট টু দেম, হু আর নন-ভায়োলেন্ট টু আস"৷ আজ কাফেররা লাখে লাখে মুসলিম হত্যা করছে, আর আপনি বলছেন চুপ করে থাকতে
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩০
লেখক বলেছেন: আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করি। অন্যায় দেখে চুপ করে থাকাটা আমার স্বভাব নয়। সহনশীলতা আর ধৈর্যের অর্থ অন্যায় মেনে নেয়া নয়।

যা হোক, আপনার সাথে আর আলোচনায় যাচ্ছি না। কারন এসব কথা এই পোস্টের সাথে অপ্রাসংগিক।





মুছে ফেলুন


৩৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৪৫
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: কালো আমেরিকানদের মাঝে ম্যালকমের প্রভাব এখনো অতুলনীয়। কথায় কথায় তারা উনার উদাহরন নিয়ে আসেন। কোন এক হজ্জে উনি তো একটি যুগান্তকারী ভাষনও দিয়েছিলেন। সম্ভবত. ইউটিউবে এখনো আছে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩৮
লেখক বলেছেন: হ্যা, কালোদের মাঝে তিনি প্রবাদ পুরুষ।
সেজন্যই তারাই এই নর্থ আমেরিকার মুসলিম সমাজের মূল ধারা।

এই সময়ে ইমাম সিরাজ ওয়াহাজ হলেন সমাজ সংস্কারক এবং ইসলামী দাওয়া কর্মকান্ডে অগ্রদূত।





মুছে ফেলুন


৩৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: ধ্বংসের কিনারা থেকে উঠে দৃঢ বিশ্বাসী হয়ে আলোয় কিভাবে জীবনকে উদ্ভাসিত করা যায় ম্যালকম তার বলিষ্ঠ উদাহরন। তিনি শুধু নিজেকে বাচাননি, এ আলোর দ্যুতি তিনি হোয়াইট হাউজেও পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। পেরেছিলেন হতাশা, মাদকাশক্তিতে আসক্ত একটা জাতির মধ্যে প্রাণের স্পন্দন আনতে। নির্ভয়ে সত্য কথা বলতে পেরেছিলেন। সেজন্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাঁকে বাচতেও দেয়নি, কিন্তু তিনি বেঁচে আছেন লক্ষ লক্ষ মানবতাবাদী মানুষদের মনের মুকুরে।

ডেট্রোয়েটে মুসলিম অমুসলিম কালোদের মাঝে ম্যালকম মিশনের তত্‌পরতা দেখেছি।
আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তাআলা তাঁকে বেহেশত নসীব করুন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১১
লেখক বলেছেন: একমত আপনার সাথে। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।


মুছে ফেলুন


৩৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৫
শান্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১২
লেখক বলেছেন: ভাল লাগাতে পেরেছি জেনে খুশী হলাম।


মুছে ফেলুন


৩৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৩২
শমশের আলম শোভন বলেছেন: আন্টি, নতুন ল্যাখা দেন, এইটা লম্বা হয়া গেছে লোড হইতে টাইম লইতাছে
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ব্যক্তিকেন্দ্রিক আর এই পোস্টের সাথে অপ্রাসংগিক মন্তব্য গুলো মুছে ফেললাম।

যে কোন অপ্রাসংগিক মন্তব্যে আমার প্রিয় পোস্টে রাখা পোস্ট টিতে করুন।


জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
স্হপতি বলেছেন: ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


৪০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৭
ত্রিভুজ বলেছেন:

+

প্রিয় পোস্টেড!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

মুছে ফেলুন


৪১. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আজ হাইওয়েতে ম্যালকমের নামে একটি রাস্তা দেখলাম, "ম্যালকম এভিনিউ"। তখন আমার এ লেখাটির কথা মনে এল। ম্যালকমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেখে খুব ভাল লাগল।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন



প্রতিবার থার্টি ফাস্টে অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে যায়।পত্র পত্রিকার শিরোনামের অনেকটাই দখল করে থাকে থার্টি ফাস্ট নাইটের রমরমা কাহিনী। উচু তলার লোকজন তো বটেই সাধারন মধ্যবিত্তদের মাঝেও এটি যেন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। পর্নো মুভি, নেশাদ্রব্য, আপত্তিকর নাচ গান সহ বিভিন্ন আজে বাজে বেহায়ামিপূর্ন কীর্তিকলাপ দ্বারা থার্টি ফাস্ট উদযাপন গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে চলে আসছে। ফলে অবধারিত ভাবে জন্ম নেয় টি এস সি চত্বরে "বাধন"দের কাহিনী।

এবারেও সম্মুখীন থার্টি ফাস্ট। প্রয়োজনে টাস্ক ফোর্স দিয়ে হাই সোসাইটির এসব উচ্ছৃংখলতা দমন করুন। এতে সাধারন জনগনকে আপনাদের পাশে পাবেন।

সরকারের প্রতি আমার এই আহবান।





সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৫






এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ২৬ টি মন্তব্য
৫০২ বার পঠিত,
আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি


--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন


--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল

আপনার বন্ধুদের ইমেইল

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28755016 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান


--------------------------------------------------------------------------------



১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৩
হাসিব বলেছেন:

উদ্ধৃতি

পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ।


খুব মূল্যবান তথ্য দিলেন দেখি একটা । কৈত্থিকা পান এইসব ?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩০
লেখক বলেছেন: পত্র পত্রিকা মূল সোর্স। কয়েকদিন অপেক্ষা করুন। আবারো পেপারে আসবে।



মুছে ফেলুন


২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৫
জেনারেল বলেছেন: পর্ণো মুভিতে থার্টি ফার্ষ্ট উদযাপন করে নাকি?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩০
আশরাফ রহমান বলেছেন: দাবীর সাথে সহমত।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:০৭
সিকদার আলি আহসান বলেছেন: বর্তমান প্রজন্ম ৩১ ডিসেম্বর এর উদযাপন করতে যেয়ে কিছু অসামাজিক আচরন যে করে থাকে তা’ কারো অজানা নয়।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: প্রয়োজনে টাস্ক ফোর্স দিয়ে হাই সোসাইটির এসব উচ্ছৃংখলতা দমন করুন।
সহমত
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩
জেনারেল বলেছেন: শাওনের সাথে একমত
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সহমত প্রকাশ যারা করেছেন তাদের ধন্যবাদ। যাদের থার্টি ফাস্ট নিয়ে সন্দেহ আছে তারা বোধ করি বাধনের ঘটনা কিংবা গত বছরের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো জানেন না। অতি প্রকাশ্য এসব ঘটনা না জানা থাকলে আশ্চর্যের কথাই বটে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২২
মুনিয়া বলেছেন:
একমত হতে পারছি না- বিশেষত, ''পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফার্স্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ''- এই কথাটুকু মানতে পারছি না।

পর্নো মুভিতে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন উতসাহিত করা হয়েছে কিভাবে জানি না, তবে এই উৎসবটাকে মিডিয়া(প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক) যেভাবে পাবলিসাইজ করেছে- তাতে এর জনপ্রিয় না হওয়াটাই অস্বাভাবিক।

মিডিয়া যেভাবে ভ্যালেন্টাইন্স, থ্যাংকস গিভিং, থার্টি ফার্স্ট নাইট- এইসব ভিনদেশি কালচারকে পাবলিসাইজ করছে, একই ভাবে কিন্তু পহেলা বৈশাখ, বসন্ত বরণ - এইসব দেশি সংস্কৃতিকেও অনেকটাই জনপ্রিয় করেছে তরুণদের কাছে।

আসলে গ্লোবালাইজেশনের এই প্রভাবটা সব দেশেই কমবেশি পড়েছে। এ থেকে মুক্ত থাকা একরকম অসম্ভব। বিশেষত তরুণদের মধ্যে এখন শুধুমাত্র নিজদেশের সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে রাখার বদলে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির আস্বাদ নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে।

এটাই উচিত কিনা সে ভিন্ন প্রসঙ্গ। তবে বাস্তবতা এটাই।

আর উচ্ছৃংখলতার ব্যাপারে কি বলব- সোসাইটি এটার দিকেই যাচ্ছে। বাঁধনের ব্যাপারটা আসলে আমাদের সোসাইটিতে সোশাল চেইঞ্জটা আনব্যালান্সড ওয়েতে হওয়ার কারণেই হয়েছে। পশ্চিমে এর চেয়ে অনেক বেশি উদ্দাম আনন্দ হয় কিন্তু মেয়েদের হেনস্থা হয় না। কারণ ওদের লাইফস্টাইল হয়ে গেছে ওটা।

সময়োপযোগী প্রসঙ্গ তবে আরও বিশ্লেষণী হওয়া ডিমান্ড করে আপনার সাবজেক্ট।
ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৮
লেখক বলেছেন: মুনিয়া, বিশ্লেষনী না হওয়ার জন্য ক্ষমা চাইছি। আসলে আজকেই এক পত্রিকায় এই নিয়ে একটি লেখা দেখে গত বছরের ঢাকা আর চট্টগ্রামে থার্টি ফাস্টে ঘটে যাওয়া ভয়ংকর পত্রিকার রিপোর্টগুলো মনে পড়ল। তাই যা মনে ছিল (পত্রিকা রিপোর্টের সারবানী) তাই ব্লগে তুলে দিলাম। যেহেতু ফাস্ট হ্যান্ড নলেজ নেই, তাই ভুল হওয়া বিচিত্র কিছু নয়। আর থার্টি ফাস্টের রেওয়াজটি আমাদের সময় ততটা পপুলার ছিল না।

লেখাটি মুছেই হ্য়ত ফেলতাম কিন্তু আপনার আর মাহবুবার সুন্দর আলোচনার জন্য রয়ে গেল।

ধন্যবাদ আপনাকে।

মুছে ফেলুন


৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২৪
নাদান বলেছেন: মুনিয়া খুব ভাল বলেছেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১০. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২৯
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: আমাদের দেশে ভিন্দেশী যে জিনিশ গুলা আশে কেম্নে যেন এক্টু বেশী জোশ পাইয়া যায়।

মুনিয়া বলেছেন
আর উচ্ছৃংখলতার ব্যাপারে কি বলব- সোসাইটি এটার দিকেই যাচ্ছে। বাঁধনের ব্যাপারটা আসলে আমাদের সোসাইটিতে সোশাল চেইঞ্জটা আনব্যালান্সড ওয়েতে হওয়ার কারণেই হয়েছে। পশ্চিমে এর চেয়ে অনেক বেশি উদ্দাম আনন্দ হয় কিন্তু মেয়েদের হেনস্থা হয় না। কারণ ওদের লাইফস্টাইল হয়ে গেছে ওটা।

আমি সম্পুর্ন ভাবে একমত।

পানি আর তেল সহজে মিশে না এই যা

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫২
নতুন বলেছেন: ""প্রয়োজনে টাস্ক ফোর্স দিয়ে হাই সোসাইটির এসব উচ্ছৃংখলতা দমন করুন।""

যত বেশি দমনের চেস্টা করবেন ...এরা তত বেশি ফান পাবে...কারন এরা এইসব উচ্ছৃংখলতা করতে যায়.. excitement এর জন্য...

একে সহজ ভাবে নিলে পরে ...কিছুদিন পরে এরা মজা হারিয়ে ফেলবে... :-)
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৯
মানুষ বলেছেন: যার মনে যা
ফাল দিয়া ওঠে তা
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৭
দ্বীপবালক বলেছেন: থার্টি ফার্স্ট নাইটটাই বা উদযাপন করিতে হইবে কেন, আমাদিগের দেশে? বৎসরখানি বাঙ্গালী সংস্কৃতির সহিত কোন্‌ প্রকারে জড়িত?
দাবীর সহিত একমত।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ। ফলে জন্ম নেয় টি এস সি চত্বরে "বাধন"দের কাহিনী।


ভালোই কইছেন ভাইডি! আপনে ভালোই মিথ্যা কথা বলেন। আমিও তো যুবক তাই নিজে এবং আমার ফ্রেন্ড সার্কেল দিয়া বিচার কইরা কইয়া দিলাম। অবশ্য এখন তো মানুষ চানরাইতে যা করে তা মনে হয় আপনে ড্রইং রুমে বইসা কিছুই দেখেন না!আর বাংলাদেশ মনে হয় শতাব্দিতে এক বার এক বাধনের অকারেন্স এক বিশেষ রাতে হইছিলো আর পাকিস্তানে হুদুদ আইন নিয়া প্রতি মাদিন মুখতারান মাইয়ের মতো ফোরএক্স এ্যাডাল্ট ফিল্মের জন্ম দেয় দিনের বেলা জনসম্মুখে সেটা নিয়া বোধ হয় কারো গায়ে ব্যাথা নেই। অবশ্য এসব জঙ্গীদেশে আমরা শুধু দেখি আমেরিকা কেমনে বাশ দেয় সেই ঘটনা, মাগার মুসলমানরা যে কত নীচ হইয়া কত সুন্দর বাশ দেয় সেটা এড়ায়া যাই। আসলে আত্নসমালোচনা বইলা যে কোরআনে কিছু লেখা সেইটা আমরা বরাবরই ইগনোর করি!

মাইন্ড খাইয়েন কিন্তু আমি আজকা একটু এক্সাইটেড কারন কালকে থার্টিফার্স্ট তো!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
পান্জেরী বলেছেন: আ.আলাইকুম,
ভাল পোস্ট। যাদের পোস্ট টি পছন্দ হয়নি, তাদের কি ঐসব খারাপ রুচিহীনদের কাজ গুলো ভাল লাগে?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা....থার্টি ফাস্র্টে কবে পর্নো দেখলাম মনে পড়েনা......আমি একজন মধ্যবিত্ত তরুন.......হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা.......না জাইনা লেখেন ক্যান? কয়টা জরিপ করছেন লেখার আগে?হাহাহাহাহাহাহাহাহা....থার্টি ফাস্টে পর্নো মুভি
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯
মদনবাবু বলেছেন: পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ। ফলে জন্ম নেয় টি এস সি চত্বরে "বাধন"দের কাহিনী।



......হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা......

অসহনীয় মাথাব্যাথার চিকিৎসা করান নিজের ।
তারপরে আইসেন নয়া তত্ব কপচাইতে ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮
মাহবুবা আখতার বলেছেন: থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন নিয়ে উচ্ছৃংখলতা হয় আমাদের দেশে (শুধু আমাদের দেশেই না, আরো অনেক দেশেই হয়, কালচারটা পশ্চিমা, উচ্ছৃংখলতা ওরাও করে)....
আরেকটা বিষয় হল আমাদের দেশের আর সবকিছুর সাথে থার্টি ফার্স্ট নাইটের তেমন কোন সম্পর্ক নেই। যেহেতু ওটা অ্যাডাপ্টেড কালচার, সেহেতু ওটা আমাদের কালচারের সাথে পুরো মিশবে না কখানোই এটা বোঝাই যায়। ইংরেজি নববর্ষ হিসেবে একটা দিন আনন্দ করায় কোন দোষ ছিল না, কিন্তু আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে যে জিনিসগুলোর চর্চা (যেগুলোর কারণে বাঁধনের ঘটনা ঘটেছিল) শুরু হয়েছে সেগুলো খারাপ।
সমস্যাটা হল আপনার লেখায়-"পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ। " এই বক্তব্যটা নিয়ে। এটা আপনি একেবারেই ঠিক বলেননি। যারা পর্ণো দেখে তারা কি কেবল থার্টি ফার্স্ট নাইটে দেখে?
নাহ!
আমার তা মনে হয় না।
যারা দেখে তারা সব নাইটেই দেখে।
অনেকে হয়ত পর্ণোও দেখে না,উচ্ছৃংখলও না, কিন্তু থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে দুটোই করার সুযোগ পেয়ে গেল---এটা নিঃসন্দেহে খারাপ।
আমাদের দেশের সামাজিক পরিবর্তনের যে গতি আর ধরণ তাতে মেয়েদের হিন্দি সিরিয়াল দেখা যতটা সহজে কালচার হয়ে যাচ্ছে, থার্টি ফার্স্ট নাইটের নাচ গানটা তত সহজে হবে না। হওয়া সম্ভবই না।
বোধহয় একারণেই এখন আশপাশে আর থার্টি ফার্স্ট নাইট নিয়ে অতটা মাতামাতি আর দেখি না।
আপনার লেখার টপিক সিলেকশনকে অবশ্যই সাধুবাদ জানাতে হবে। তবে আপনার কথাটা ঠিকমত বোধহয় আপনি বুঝিয়ে বলতে পারেননি।
লেখার জন্য ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৯
লেখক বলেছেন: তাড়াহুড়ায় লিখা। তাই অনেক কথা সংক্ষেপে হয়ে গেছে। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমার কথাগুলো পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ের প্রকাশনা থেকে নেয়া। এসব মিথ্যা হলে তো ভালই। কিন্তু সত্য হলেই সমস্যা। আর সেই সমস্যার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সে জন্যই পোস্টটি দেয়া। আমিও চাই মিথ্যা হোক।

আপনার মন্তব্য খুবই সুন্দর। পোস্টটি হয়ত মুছে ফেলতাম। কিন্তু আপনার আর মুনিয়ার মন্তব্যের জন্যই রয়ে গেল।

মুছে ফেলুন


১৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৭
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

আসলে উম্মু আবদুল্লাহ আপু বলতে চেয়েছেন পর্নো মুভি যারা দেখে, তারাই থার্টি ফার্স্ট নাইটে উছৃংখলতা করে। বাক্যটা একটু জটিল হয়েছে মাত্র।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৬
লেখক বলেছেন: সারোয়ার ভাই, থার্টি ফাস্ট নিয়ে উচ্ছৃংখলতার অবসান চাইছি। এটা বোঝা অন্যদের পক্ষে এত কঠিন হচ্ছে কেন?

তবে কি তারা থার্টি ফাস্টের উচ্ছৃংখলতা সমর্থন করে? মনে রাখা প্রয়োজন বাধনের ঘটনার পেছনে ছিল এক ছাত্রলীগ কর্মী। নৈতিকতা বিহীন ধর্ম নিরপেক্ষ এসব মানুষজনের পক্ষে সব কিছুই সম্ভব। মানিকের ঘটনাও তাদের চরিত্র প্রকাশ করে।



মুছে ফেলুন


২০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: যাক, এ বছর অনেকটা ভাল গিয়েছে। পত্রিকার শিরোনাম দেখে তাই মনে হল।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
বিবেক সত্যি বলেছেন: সরকার সচেতন থাকলে সব নোংরামিই দূর করা সম্ভব !
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
লেখক বলেছেন: আমিও তাই মনে করি।

মুছে ফেলুন