Monday, August 18, 2008

back up post - 3

ধড়াম করে মাঝারী সাইজের একটা খাদে গাড়ীটা পড়ল। দুলে উঠল পুরো গাড়ী। আমি ভয় পেয়ে আতকে উঠলাম। হায় হায়। চাকা কি পাংচার হল? চাকা পাংচার হলে বাসায় যাব কি করে?

কিছুদুর ড্রাইভ করে বুঝলাম আমার আশংকা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। চাকা পাংচার হয়েছে মাঝ রাস্তায়। একটা ঠান্ডা শীতল স্রোত আমার ভেতর দিয়ে বয়ে গেল। কি করে বাসায় ফেরব এবার। এই এক বছরের কম বয়েসী মেয়ে নিয়ে? সাড়ে পাচের ছেলে নিয়ে?

কোন মতে রাস্তার একপাশে গাড়ীটা পার্ক করলাম। আল্লাহ আল্লাহ করে পার্স চেক করলাম। "ট্রিপল এ"র কার্ডটা পাওয়া যায় যদি। সেটা পাওয়া গেলে তাও একটা গতি হয়। সেক্ষেত্রে ওদের কল করে গাড়ীর একটা হিল্লা করা যায়। কিন্তু হতাশ হলাম। নাহ, কপাল সব দিক দিয়ে খারাপ। পার্সে কার্ড নেই। কার্ডটাও ফেলে এসেছি। এমন কি সেল ফোনও আনিনি। আহাম্মকীর চূড়ান্ত।

মাথা ঠান্ডা রেখে ভাবতে চাইলাম। কি করতে পারি এখন? দেখলাম, একটা অসম্ভব সম্ভাবনাই শুধু সামনে একমাত্র অপশন। হেটে কারো বাড়ী যাওয়া। সবচেয়ে কাছের যে প্রতিবেশী তার বাসায় যেতেও কমপক্ষে আধা ঘন্টা নেবে। এই গাড়ীবহুল ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে কি করে আমি দুই বাচ্চা নিয়ে হাটব। ভাবতে ক্লান্ত বোধ করলাম। কিন্তু উপায় নেই। সেটাই করতে হবে। রওনা হবার প্রস্তুতি নিলাম। মেয়েকে কোলে নিলাম। ছেলেকে বললাম, আমার জামা ধরে হাটতে।

শুরুর প্রস্তুতি নিতেই একটা কান্ড ঘটল। সাই করে একজন আমার পাশে এসে গাড়ী পার্ক করল। গাড়ীর দরজা খুলে বলল, "কি, চাকা পাংচার?"

"হ্যা" আমি মাথা নাড়লাম।

"তোমার স্পেয়ার চাকা আছে।"

"থাকতে পারে। আমি চেক করিনি।" জবাব দিলাম।

"চাবি দাও। ট্রাংক খুলব।"

চাবি দিলাম। সে স্পেয়ার চাকা বার করল। আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, "আধা ঘন্টা লাগবে চাকা বদলাতে। অপেক্ষা কর।"

"কি বলছ? তুমি বদলাবে? এত কষ্ট করবে?"

"তুমি আমার বোনের মত। তোমার জন্য না হয় এইটুকু করলাম।"

আমাকে বিষ্ময়ে ফেলে দিয়ে সে ম্যানুয়ালী চাকা বদলানো শুরু করল!!! কি কষ্টের সে কাজটি। একটা অজানা অচেনা কারো জন্য কেউ এরকম করতে পারে - এ তো শুধু নাটক গল্পেই হয়ে থাকে। বাস্তবে কি কখনও হয়?

বাস্তবে হল। কোন উল্লেখ যোগ্য টুলস ছাড়া ম্যানুয়াল লেবারে সে স্পেয়ার চাকা লাগাল। আমি দাড়িয়ে দেখলাম। কথার ফাকে ফাকে জানলাম আফ্রিকা থেকে এখানে সে এসেছে ভাগ্যের সন্ধানে। মুসলিম। এখনও খুজছে কাজ। সুবিধা করতে পারেনি।

পেরিয়ে গেল বেশ খানিক ক্ষন। লাগানো হয়ে গেল চাকা। এবার বলল, "তুমি যাও আমি পেছনে পেছনে আসছি। আগে চালিয়েছ স্পেয়ার চাকা।"

"না।"

"তিরিশের উপরে স্পীড উঠাবে না।"

আমি মাথা নাড়লাম। আস্তে আস্তে স্টার্ট দিয়ে চালানো শুরু করলাম। ভেতরে ধুক ধুক শব্দ হতে লাগল। কতক্ষন পরে বাসায় পৌছলাম। দেখলাম, বাসায় শেষ পর্যন্ত পৌছুতে পেরেছি। কেমন অবিশ্বাস্য মনে হল।

নেমেই দেখলাম ছেলেটার গাড়ীও পেছনে এসে থেমেছে।

ধন্যবাদের কথা প্রথমে মনে এল। কিন্তু পারলাম না তাকে ধন্যবাদ দিতে। ছোট খাটো সাহায্যে ধন্যবাদ দেয়া যায়। কিন্তু জনবহুল রাস্তায় গড়ী থামিয়ে টুলস ছাড়া ম্যানুয়ালী স্পেয়ার চাকা লাগিয়ে যে ছেলে পিছে অনুসরন করে আসে আমি ঠিকভাবে পৌছেছি কিনা তা দেখার জন্য, সে ছেলেকে ধন্যবাদ জানানো যায় না। তাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যম কি তা আমার জানা নেই।

এবার বাসায় ফেরার পালা। "চল আমার বাসায়", বলতে চাইলাম।

কিন্তু বাধা দিল আজন্ম লালিত সংস্কার। খালি বাসায় এই পচিশ ছাব্বিশ বছরের একটা ছেলেকে নেয়া যায় না। ইতস্তত করলাম। খানিকটা ক্লান্ত, হতাশ আর হতবিহ্বল লাগছিল। শেষে আমার ভদ্রতা বোধ বিজয়ী হল। আমি বললাম, "বাসায় এসে চা খাও। ওদের বাবাকে কল দিচ্ছি। ও এখনই চলে আসবে।"

কিন্তু সমস্যার সমাধান দিল সে নিজেই।

"আমি ভীষন ব্যস্ত। স্যরি। তোমার বাসায় যেতে পারছি না।"

আমিও চাপাচাপি করলাম না। কি দরকার। সে তো আমাকে স্বার্থহীনভাবেই সাহায্য করেছে।

আবারো চাইলাম ধন্যবাদ দিতে।

পারলাম না। মুখে আটকে গেল। চেয়ে চেয়ে দেখলাম তার প্রস্থানকে।

শুধু হৃদয়ের ভেতরটাতে রয়ে গেল এক অপরিসীম কৃতজ্ঞতাবোধ। যার প্রকাশ শুধু নীরব প্রার্থনায়। হে করুনাময়, তুমি তোমার অপরিসীম করুনাধারা তার উপরে ঢেলে দাও। তোমার অনুগ্রহে তাকে সিক্ত কর।

পড়েছেনঃ ৫৪জন মন্তব্যঃ ২৪টি
পোস্ট রেটিং(৫.০/১১)

আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
১০ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১৮


পড়লাম । হুমম ভাল লাগল বরাবরের মতই ।

কোন কোন সময় ধন্যবাদ যেন ছোট মনে হয় । তারপরেও ধন্যবাদের ভাষা ধন্যবাদেই ।
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
আপনাকেও ধন্যবাদ।



মুকুটবলেছেনঃ
১০ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৪


হুম! এখনও এমন কিছু ঘটনা ঘটে যার জন্য পৃথিবীটাকে এখনো ভালো লাগে, বাচতে ইচ্ছা করে! আসলে ধন্যবাদ দিলে ঐ ছেলেটার নিঃস্বার্থ সহযোগীতাকেই খাটো করা হবে! ছেলেটা ভালো একটা কাজ পাক, এই কামনা রইল! আর আপনিও নেক্সট টাইম প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে ড্রাইভ করবেন!
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
ছেলেটা বেশ দক্ষ মোটর মেকানিক মনে হল। কাজ পাওয়াই উচিত। আর একগাদা কাগজ নিয়ে ড্রাইভ করতে হয় বলে ড্রাইভিং আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়।



মাহমুদ রহমানবলেছেনঃ
১০ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৭


আমি একটা পোস্ট লিখছিলাম। আপনার এই পোস্ট পড়ে আপাতত ঐ টা ড্রাফটে গেল।...... মানুষ মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসব, এটাই তো হওয়া চাই।

সেই যুবকের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যাত্রা পথে , এরকম একটা গল্প আমারও জানা আছে; তবে এক্ষেত্রে আমরা ছিলাম আপনার এ ঘটনা যুবকের ভূমিকার মত.... সেজন্য জানাতে ইচ্ছা করে না।
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
ড্রাফটে যাওয়ার কারনটা জোড়ালো নয়।



বৃত্তবলেছেনঃ
১০ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৮


পড়লাম। এক মুসলমানেও জন্য তো অপর মুসলমানেও এমন ভালোবাসাই থাকা উচিত, তাই না?
পড়ে খুব ভালো লাগল। সেই যুবকের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
আমারও।



পরীবলেছেনঃ
১০ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৪২


আমিন।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩২
ধন্যবাদ।



আরিশাবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১৫


পড়লাম। ভালো লাগলো আপনার শুভ কামনা।
আপনি সেদিন ভালোভাবে বাসায় ফিরেছিলে যেনে আরো ভালো লাগলো।
আর সেই নিঃস্বার্থ সাহায্যকারীর প্রতি রইল পার্থানা, হে করুনাময়, তুমি তোমার অপরিসীম করুনাধারা তার উপরে ঢেলে দাও। তোমার অনুগ্রহে তাকে সিক্ত কর।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩২
আল্লাহ আপনার ভালো করুন। আপনার জন্যেও অনুরূপ দোয়া।



আশিক হাসানবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১০


আপনার পোস্ট থেকে অনেক কিছু শেখার আছে । খুব ভাল লাগলো এমন মানুষের কাহিনী শুনে ।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩১
ধন্যবাদ।



রহস্য বালিকাবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৪


ইসস... এত চমৎকার মানুষও হয়! আমার খুব ছেলেটাকে দেখতে ইচ্ছে করছে। এরকম মানুষে এই পৃথিবী ভরে উঠুক।
ঘুম থেকে উঠে (অনেক দেরিতে উঠলাম যদিও) প্রথম আপনার লেখাটা পড়লাম। পড়ে খুব ভালো লাগছে। মনটা খুব শান্ত হয়ে গেল। মনে হচ্ছে না যে নেটে সময় নষ্ট করতে বসেছি।
এমন একটা লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩১
"মনে হচ্ছে না যে নেটে সময় নষ্ট করতে বসেছি।" এরকম অনুভূতি জাগ্রত করতে পারলে আমার এইসব হাবিজাবি লেখা সার্থক। আপুকে ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য। যদিও চমৎকারিত্ব আপুর জন্যে খুব স্বাভাবিক।



সোহেলবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৮


কোন কোন পোস্ট আছে যেগুলোতে পাঁচ দিলে ছোট করা হয়। তাই রেটিং দিলাম না।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৯
ধন্যবাদ রেটিং এর উর্দ্ধে লেখাটিকে স্থান দেবার জন্য।



বিবেক সত্যিবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২০


আচ্ছা তাহলে আমাকেও এমন হতে হবে

হৃদয় নিংড়ানো অব্যক্ত শুভ কামনা যে আমারো চাই




লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৬
পেয়েছ। অন্তত পক্ষে ভার্চুয়াল জগতের জন্য।



বিবেক সত্যিবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২৩


বৃত্তভাই, শুধু এক মুসলমানের জন্য অন্য মুসলমানের ভালোবাসা থাকবে কেন ___সব মানুষের জন্যই মুসলমানদের ভালোবাসা থাকুক ______বরং তা-ও না___বলা উচিত___সব মানুষের জন্যই সব মানুষের ভালোবাসা থাকুক ।


লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৮
ঠিক।



অবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৭


যুবকের প্রতি সালাম।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৮
সালাম।



পৃথিবীবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:০০


ইসলামের ইতিহাসে ছড়িয়ে থাকা হাজারো নিঃস্বার্থ সাহায্যকারীর মহানুভব হৃদয় গুলোর একটি হয়তো আল্লাহ পাক তাকেও দান করেছেন।তাকে তিনি কবুল করুন।মনটা সত্যিই ভাল লাগছে।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৮
আপুর মন ভাল করতে পেরেছি - এই যে আমার বড় পাওয়া।



দুলালবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০৭


হুম , ভাল মানুষ আছে বলেই তো পৃথিবীটা আজ ও টিকে আছে ।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৭
একমত।



ভোরের কোলাহলবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:২৭


দুর থেকে সেই যুবককে শ্রদ্ধা জানাই। মুসলমানতো এমনই হওয়া উচিত ছিলো।
লেখক বলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৭
একমত। আমি নিজেও সেজন্য এরকম হবার চেষ্টা করেছি।



বিবেক সত্যিবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৫


শুভ কামনা কি আর দেখা যায় ? সে ও তো ভার্চুয়াল ব্যাপার স্যাপার । আমি তো বুঝি-ই ।
তবু ও মুখফুটে বলেছেন ...
কৃতজ্ঞতা সুপরিচিত "অজানা আপাটি "...
লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮
কৃতজ্ঞতা অতি সুপরিচিত অথচ অতি অজানা ভাইটির প্রতিও



মননশীলবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৭:০০


এই পোস্টখান পইড়া তো মচৎকার অনুভূতি আইলো!
একজন ভালা মানুষ বিপদে পড়সেন আরেক ভালা মানুষ হেল্প করসেন।
আল্লাহ তুমি এই দুইজনের উপর তোমার খায়ের বরকত নাজিল করো। আমীন

পৃথিবীতে জাতি বর্ন নির্বিশেষে একই আকাশের নীচে আছে ভালো মানুষেরা।

লেখক বলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
বরকত আপনার উপরেও নাজিল হোক।



ফজলে এলাহিবলেছেনঃ
১২ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮


ভালো লাগলো বর্ণনার ধারা। দো'আ থাকলো সেই মুসলমি ভাইয়ের জন্য। এবং ভাবছি আর ভাবছি,,, আমাদেরকে কি পৃথিবী বদলে দেয় না কি আমরাই সময়ের ব্যবধানে দারুন স্বার্থপর হয়ে উঠি। ছোটবেলায় কত বকা শুনেছি ঘরের সদস্য/সদস্যাদের কাছ থেকে, কারণটি ছিল সারা বাড়ীর অন্যান্যদের টুকিটাকি কাজে ব্যস্ত থাকা।
লেখক বলেছেনঃ
১৩ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
ভাল লাগল আপনার মন্তব্য। ধন্যবাদ।



মাহমুদ রহমানবলেছেনঃ
১৪ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৪১


ড্রাফটে যাওয়ার কারণ হচ্ছে, ঐ সময় আপনার এই পোস্টের পাশে আমার পোস্টটার কোন মুল্যই থাকত না।
লেখক বলেছেনঃ
১৪ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫০
তাও পড়তে চাই। খুব তাড়াতাড়ি।



মাহমুদ রহমানবলেছেনঃ
১৪ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:০৯


মাকে নিয়ে লেখা গানটায় ছিল সেই পোস্ট....

খেয়াল করলে দেখবেন, আমি মৌলিক পোস্ট খুব একটা দিতে পারি না। পার্সোনাল লাইফে আমি খুব চ্যুজি..... আমার বেশির ভাগ পোস্টই কোন বিষয় শেয়ার করার মত।

তবে, আপনার এই পোস্ট পড়ে একটা স্মৃতি মনে পড়ছে..... সেটা এক সময় লিখব ইনশা আল্লাহ।
উত্তর দিনঃ



বাতিল ব্যক্তিবলেছেনঃ
১৫ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪


আশাবাদী মানুষবলেছেনঃ
১১ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:১৮
পড়লাম । হুমম ভাল লাগল বরাবরের মতই ।
কোন কোন সময় ধন্যবাদ যেন ছোট মনে হয় । তারপরেও ধন্যবাদের ভাষা ধন্যবাদেই ।

উত্তর দিনঃ



উম্মু আবদুল্লাহবলেছেনঃ
১৫ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৩৯


"মৌলিক পোস্ট আমি দিতে পারিনা" - কথাটি মানা গেল না।

@মাহমুদ।

ধন্যবাদ বাতিল ব্যক্তি।
উত্তর দিনঃ



বাংলার মাটিবলেছেনঃ
১৫ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫০


পৃথিবীতে এখনো মানুষ আছে ।
লেখক বলেছেনঃ
১৫ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
তাই। ধন্যবাদ।



কাকটারুয়াবলেছেনঃ
১৮ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪১


খুব ভালো লাগল । একেই বলে মানুষ মানুষের জন্য..
উত্তর দিনঃ

No comments: