গত কয়েক দিন ধরেই ব্লগ উত্তপ্ত ছিল লালনের মূর্তি সরানো সংক্রান্ত ঘটনায়। কেউ এর পক্ষে বলছেন, কেউ বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সারাংশ যা বুঝলাম তা হলো, ব্লগারদের বেশীরভাগই লালনের মূর্তি স্থাপনার পক্ষে। সামহোয়ার কর্তৃপক্ষও একই অবস্থান থেকে একটি পোস্ট স্টিকি করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে সামহোয়ারে সরকার ও ভাংচুরকারীদের সমালোচনাও অনেক বেশী হয়েছে।
আমি লালনের মূর্তি সরানো বিষয়ক সংবাদ এই সামহোয়ারেই দেখতে পাই। পত্রপত্রিকায় এ সংবাদ তেমন কোন গুরুত্ব নিয়ে ছাপা হয়েছে কিনা কে জানে। অন্তত আমার চোখে পড়েনি। আমি অবশ্য ইত্তেফাকসহ গুটিকয়েক পত্রিকাই পড়ে থাকি। কয়েক নজর চোখ বুলানো মাত্র। না, সেখানে এই সংবাদটি তেমন গুরুত্ব পায় নি। গুরুত্ব সহকারে হেড লাইন হয়ে থাকলে নিশ্চয়ই চোখে পড়ত।
মূর্তি সরানোর বিষয় নিয়ে তো অনেকেই অনেক কথাবার্তা বলেছেন। আমি এখন আর নূতন করে কি বলব। আমার বক্তব্য, মন্তব্য এই ব্লগে খুব যে আদৃত হয়, তাও নয়। ব্লগীয় মানুষের একরাশ বিরক্তি উৎপাটন ছাড়া আর কোন ফল পাওয়া যাবে - এই বিশ্বাস নিজের উপর আমার নেই। আর তাছাড়া আমি দিন এনে দিন খাই টাইপের সাধারন ছা পোষা মধ্যবিত্ত এক মানুষ। আমার সময় কাটে সংসারের ভাবনায়, চাকুরীর ভাবনায়। কি করে সন্তানদের মানুষ করব, সে চিন্তায়। দেশে কোথায় কি হয়ে গেল - সেটা দিয়ে আমার মত মানুষের কিই বা এসে যায়। ক্ষমতাহীন ছা পোষারা শুধু সংবাদ পড়েই যায় - এর বাইরে তেমন কিছু করতে পারেনা। তার উপরে আবার আমি প্রবাসের হাজারো সমস্যায় জর্জরিত।
তাও কিছু বিষয় নিয়ে লেখার তীব্র বাসনা থেকেই আমার এই পোস্টের অবতারনা। প্রথমেই বলে রাখছি, আমার এ লেখা লালনের মূর্তি সরানো সম্পর্কিত নয়। লালনের মূর্তি থাকবে কি সরবে - সে নিয়ে আমার খুব উচ্চ বাচ্য নেই। আমি মূর্তি স্থাপনার বিরুদ্ধে, কিন্তু এও জানি যে পৃথিবীর সব কিছু আমার ভাল লাগার মত করে হবে না। সুতরাং এই মূর্তি থাকল কি সরে গেল - সেটা আমাকে খুব বেশী বিচলিত করে না। এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেবার ক্ষেত্রে নিজের সীমাবদ্ধতার বিষয়ে আমি পুরোপুরিই সচেতন। তাই কার মূর্তি কোথায় থাকবে বা না থাকবে - তার ব্যপারে নির্লিপ্ত ভূমিকা নেয়াটাই শ্রেয় ভাবছি। মধ্যবিত্তের স্বাভাবিক গা বাচানো মানসিকতা আর কি।
আরেকটু ব্যাখা করি। আমরা গনতন্ত্রে বিশ্বাস করি। গনতন্ত্র মানেই সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতকে বেশী গুরুত্ব দেয়া। যার ফলে আমরা উন্নত বিশ্বে ক্রিসমাসে ছুটি পেলেও ঈদে পাই না। এটাই সত্য। এই বাস্তবতা অন্য সংখ্যা লঘুদের মেনে নেয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষ যদি মূর্তি স্থাপনার বিষয়টি মেনে নেয়, তবে আমি বাস্তবতার হাতে নিজেকে সমর্পন করা ছাড়া আর কোন বিকল্প দেখছি না।
এরও ব্যতিক্রম আছে। সংখ্যাগুরু হলেও যে সব সময় তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হয়, তা কিন্তু নয়। এই বিষয়টি আসলে অনেকটাই প্রভাব প্রতিপত্তির উপর নির্ভরশীল। যার জ্বলন্ত প্রমান তুরষ্ক। তুরষ্কে জাস্টিস এন্ড ওয়েলফেয়ার পার্টি হিজাব ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়। মানুষের কাছে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ স্কার্ফধারী নারীদের অফিসে, স্কুলে পুনর্বাসন করবে। কিন্তু না। তারা পারছে না হিজাবের অধিকার ফিরিয়ে দিতে। সেখানে বাধ সেধেছে সেনাবাহিনী। বিরোধীদের যুক্তি, নারীরা যারা হিজাব করে না, তাদের অধিকার অনুভূতি ব্যহত হবে যদি হিজাবিনীদের অফিস করার অনুমতি দেয়া হয়। তাদের অধিকার ও অনুভূতিকে সম্মান জানাতেই নাকি হিজাব বিরোধী এরকম সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এটাই হল বাস্তব। কে কখন প্রভাবশালী হবে তা আমাদের জানা নেই। আমার মত ছা পোষা মানুষেরা তা নির্ধারন করেনা। যার ফলে এইসব নিয়ে আলোচনায় এই মুহুর্তে যাবার কোন ইচ্ছে আমার নেই। আমার এই পোস্টের মূল প্রসংগ দুইটি। এই দুইটি বিষয়েই আমি আলোচনা করতে চাই। আপনারা মন্তব্যও করবেন এই দুইটি ইস্যুতে। প্রসংগ দুটি হল:
১। ইসলাম মূর্তির ব্যপারে কি বিধান দেয়?
২। নিয়ম তান্ত্রিক আন্দোলন না করে মোল্লাদের এই আস্ফালন কেন?
আমার ধারনা ছিল মূর্তির ব্যপারে সবাই একমত যে ইসলাম মূর্তিকে প্রচন্ড ভাবে নিরূৎসাহিত করে। কিন্তু তারপরেও দেখছি কেউ কেউ এ ব্যপারে এখনও সন্দিহান। তাদের জন্য আমার উচিত ছিল মূর্তি বিরোধী হাদীস গুলো সংকলন করা। কিন্তু এই মুহুর্তে হাতের কাছে সেসব নেই। হাদীসগুলো বেশ বিখ্যাত। "আমি মূর্তি ভাংগার জন্যে প্রেরিত হয়েছি" - এরকম বেশ অনেক হাদীস। ইসলাম অনলাইনের এই লিংকটি যারা ইন্টারেস্টেড তারা দেখতে পারেন। যাতে স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্তিকে সম্মান দেখাতে মূর্তি তৈরীকে নিষিদ্ধ বলা হয়েছে। Click This Link
এতো গেল সম্মান দেখাতে মূর্তি বানানোর বিধান। পুরাকীর্তির বিষয়ে অবস্থান কিছুটা ব্যতিক্রম। ফেরাউনকে একটি নিদর্শন হিসেবে ভবিষ্যৎবানী দেয়া হয়েছে তাতে এটা স্পষ্ট অতীত কর্মকান্ডের এসব নিদর্শন সংরক্ষন ইসলাম শুধু অনুমতিই দেয় না, বরং ক্ষেত্র বিশেষে উৎসাহিত করে। যেটা বাধা দেয় তা হল ব্যক্তি বিশেষের মূর্তি নির্মান যা সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে। আর সম্মানের উদ্দেশ্যে নির্মিত ব্যক্তি মূর্তি ব্যতীত শিশুতোষ খেলনার ক্ষেত্রে ইসলামের একই বিধান প্রযোজ্য নয়, বরং কিছুটা আলাদা। যার অনুমোদন বিভিন্ন হাদীসে এসেছে। সেসব নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এই পোস্ট জাম্বো সাইজের হয়ে যাবে। সারাংশ যা তা হল, পূর্ন শরীরের ব্যক্তি মূর্তির কোন অনুমোদন ইসলামে নেই।
লিংকে যেহেতু বিধান নিয়ে আলোচনা রয়েছে তাই আমি আর সে বিষয়ে এর চেয়ে বেশী বিস্তারিত কিছু বলছি না। আর আমি তো কোন ইসলামিক স্কলার নই। তাই আমার নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা খুব দ্রুতই প্রকাশ পেয়ে যেতে পারে। সেজন্যে আপাতত ক্ষান্ত দিচ্ছি।
দ্বিতীয় যে ইস্যুটি নিয়ে সবার মাথা ব্যথা, তা হল, মোল্লারা কেন নৈরাজ্য তৈরী করে বার বার। মোল্লাদের প্রতিবাদ কেন এরকম সহিংস আর অসহিষ্ণু? কেন তারা বার বার একই আচরন করে থাকে।
বলা উচিত, আমিও যে কোন ধরনের সহিংস আন্দোলনের বিরুদ্ধে। সেটা মোল্লারাই করুক, কিংবা নন-মোল্লারা। কোন ভাংচুর বা নৈরাজ্য কোন অবস্থাতেই সমর্থনযোগ্য নয়। সেটা যেই করুক না কেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, মোল্লাদের এই ভায়োলেন্ট প্রতিবাদ কি তাদের নিজস্ব মূল্যবোধ আর শিক্ষার সাথে কোন ভাবে জড়িত?
এই নিয়ে লিখতে গিয়ে প্রথমেই আমার স্মৃতিতে একটা ঘটনা চমকে গেল। অনেক আগের কথা। বুশের বিভিন্ন নীতি তখন বিভিন্ন রাষ্ট্রে প্রবল সমালোচনার ঝড় তুলেছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান তো বটেই - ইন্দোনেশিয়া সহ আরো অনেক দেশে বেশ বিক্ষোভ মিছিল হচ্ছে। দেখা গেল সৌদি আরবে এরকম কোন কিছু হচ্ছে না। রাষ্ট্রদূত বন্দরকে জিজ্ঞাসা করা হল, কি ব্যপার? সৌদিরা যে প্রতিবাদ মিছিল বের করছে না? বন্দর উত্তর দিয়েছিলেন, "দেখুন। এরকম মিছিল মিটিং ঠিক সৌদি কালচার নয়। আমাদের মানুষেরা এরকম করে থাকে না। তবে আমরা তাদের চোখে অসীম ঘৃনা দেখতে পাচ্ছি। সেটা আমাদের অজানা নয়।"
এই ঘটনা এই জন্য উল্লেখ করা যে কখন কোথায় মানুষ কি ভাবে প্রতিবাদ করবে তা মূলত সংশ্লিষ্ট এলাকার সংস্কৃতির উপর নির্ভর করে থাকে। বাংলাদেশে যেহেতু সহিংসতা একটি প্রচলিত কালচার, মোল্লারা তাই সেটাতে অভ্যস্ত। এদেশে সরকার বদলের সাথে সাথে চর দখলের কায়দায় চলে হল দখল, প্রকাশ্যে জুতা পেটা করা হয় বিরোধী মতাবলম্বনকারীদের, এমন কি শুধুমাত্র হরতাল সফল করার জন্য যাত্রীবাহী বাসে দেয়া হয় আগুন। এইসব ঘটনা যত না মোল্লারা ঘটিয়েছে, তার চেয়েও অনেক অনেক বেশী ঘটিয়েছে নন-মোল্লারা। সুতরাং মোল্লাদের এই সহিংস আস্ফালন তাদের বাংলাদেশী চরিত্রের স্বাভাবিক বহিপ্রকাশ মাত্র। মোল্লাদের গায়ে বাংলাদেশী গন্ধ রয়েছে বলেই কথায় কথায় তারা নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে।
উপসংহার বেশী দ্রুত হয়ে গেল। তবে আর লেখার ইচ্ছে নেই। ব্যস্ততার কারনে ড্রাফটেও রাখলাম না। তাই আপাতত এইটুকুই রইল।
ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম, ইসলাম ;
এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৬০ টি মন্তব্য ৫৭৮ বার পঠিত, আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ২৩ জনের ভাল লেগেছে, ২৬ জনের ভাল লাগেনি
--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন
--------------------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন
আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :
আপনার ই-মেইল
আপনার বন্ধুদের ইমেইল
মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a nice wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28856738 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান
--------------------------------------------------------------------------------
১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৩ আল-আমিন বলেছেন: সত্যিই ভালো লাগলো আপনার লেখা। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অন্তত একজনের হলেও ভাল লাগল।
মুছে ফেলুন
২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০০ বিবিধ বলেছেন: "গনতন্ত্র মানেই সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতকে বেশী গুরুত্ব দেয়া। যার ফলে আমরা উন্নত বিশ্বে ক্রিসমাসে ছুটি পেলেও ঈদে পাই না। এটাই সত্য। এই বাস্তবতা অন্য সংখ্যা লঘুদের মেনে নেয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষ যদি মূর্তি স্থাপনার বিষয়টি মেনে নেয়, তবে আমি বাস্তবতার হাতে নিজেকে সমর্পন করা ছাড়া আর কোন বিকল্প দেখছি না।
এরও ব্যতিক্রম আছে। সংখ্যাগুরু হলেও যে সব সময় তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হয়, তা কিন্তু নয়। এই বিষয়টি আসলে অনেকটাই প্রভাব প্রতিপত্তির উপর নির্ভরশীল। যার জ্বলন্ত প্রমান তুরষ্ক।"
আপনার এ কথার সাথে পুরোপুরি একমত। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মুছে ফেলুন
৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৩ রাশেদ বলেছেন: কিছুই বুঝি নাই! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৪
লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ে গেলেন বলে ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৪ দিগন্ত বলেছেন: মোল্লাদের গায়ে বাংলাদেশী গন্ধ রয়েছে বলেই কথায় কথায় তারা নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে
বুঝলাম ... !! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
লেখক বলেছেন: বুঝেছেন বলে ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৩ বিডি আইডল বলেছেন: যে কেউ সৎ কাজ নিয়ে আসবে, সে তার চাইতে উৎকৃষ্ট প্রতিফল পাবে এবং সেদিন তারা শংকা থেকে নিরাপদ থাকবে। যে কেউ অসৎ কাজ নিয়ে আসবে, তাকে অধোমুখে নিক্ষেপ করা হবে আগুনের মধ্যে এবং তাদের বলা হবে, ‘ তোমরা যা করতে তারই প্রতিফল তোমাদেরকে দেয়া হচ্ছে।’ -সূরা নাম্লঃ ৮৯-৯০ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আয়াতটি দেবার জন্যে।
মুছে ফেলুন
৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৬ সিফাতরক্স বলেছেন: আপনি তোভাই অনেক অলস। আইলসামি কোরতে কোরতে এতো বড় কিছু ভাইবা ফালাইছেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৯ দ্বীপবালক বলেছেন: বেশ ভাল লিখা। ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:২৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
মুছে ফেলুন
৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৯ ক্ষ্যাপা বলেছেন: হ, সব দোষ এই বাংগালী জাতের ।
মোল্লারা বাংগালী জাতের বইলায় এরা নৈরাজ্য করে, চেচনিয়ার স্কুলে বাচ্চাগোরে মারছিলো যারা হেরাও বাংগালী আছিলো, লন্ডনে বোমা মারছিলো যে ছাগুরা হেরা ও বাংগালী আছিলো, স্যাটানিক ভার্সেসের জাপানী অনুবাদকরে খুন করছিলো যে মোল্লা হে ও বাংগালী আছিলো?
বোনডি, আপনে কোন জাতের?
আপনের কথা এক অর্থে ঠিক । মোল্লাগো এই নৈরাজ্যরে ঠেকাইতে অইলে বাংগালী তরিকার বিকল্প নাই যেমুন '৭১ এ মোল্লাগোরে ক্যাঁচকি মাইর দেওন হইছিলো, তেমন কইরা বাংগাল মাইর দিতে অইবো ।
কষাইয়া মাইনাস দিলাম জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩২
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি যে ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন সেগুলো সন্ত্রাস। এরকম সন্ত্রাসের ইতিহাস বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনেও আছে। এর সাথে সাধারন দাবী আদায়ের আন্দোলনকে এক করে দেখাটা অন্তত আমার মতে উচিত নয়।
৭১ এ তাহলে মোল্লাদের মার দিয়েছিলেন। আপনি নিশ্চিত যে তার লক্ষ্য আসলে মোল্লাদের মার দেয়া?
মুছে ফেলুন
৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:২৩ ত্রিভুজ বলেছেন:
লেখাটা মনে হলো অসম্পূর্ন...
বেশ কিছু অংশের সাথে একমত হলেও বাংলাদেশ বিষয়ক মন্তব্যে একমত নই। "বাংলাদেশী চরিত্র" আমি দেখি অন্য দেশ থেকে অনেক ভাল। আমেরিকায় দেখুন, নিউইয়র্কে এক ঘন্টা কারেন্ট নেই তো সব লুট পাট হয়ে শেষ! বাংলাদেশে যে পরিমান লোড শেডিং সেটা আমেরিকায় হলে কি হতো ভেবে দেখেন। কিছুদিন আগে আমেরিকার একটি রাজ্যে ভয়াভয় প্রকৃতিক দূর্যোগ হলো। চরম বিপদে পড়া মানুষ গুলো এর ভেতরে খুন, লুটপাট ও ধর্ষনের শিকার হলো। বাংলাদেশে এরকম কোন নজীর নাই।
বিশ্বের অন্যসকল দেশের দিকে তাকান। ভারতের কাহিনী দেখেন.. ভারতীয় বুদ্ধিজীবির মুখেই জানুন তাদের দেশের জনগণের কথা-
Click This Link
এই তুলান জাতি হিসেবে আমরা বহু বহুগুন ভাল..
আর মূর্তির বিষয়টা আসলে চেতনা/দেশপ্রেম থেকে আসছে না, ওটা টোটালি একটা রাজনৈতিক ইস্যু।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশীদের চরিত্র অনেক উদার। এছাড়া আরো অনেক ভাল দিক আছে। কিন্তু সহিংসতা এখনও এদেশে আন্দোলনের প্ধান অস্ত্র। কর্তৃপক্ষও এরকম আন্দোলন ছাড়া কথা কানে নেয় না।
মুছে ফেলুন
১০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩১ রামন বলেছেন: যদি আজ এই ভাস্কার্যটি কোনো মসজিদের সামনে কিংবা মসজিদের ভেতরে স্হাপনের পরিকল্পনা করা হত তাহলে অবস্যই আমি তীব্র প্রতিবাদ করতাম কারণ ইসলাম ধর্মে এসব মসজিদের সামনে রাখা হারাম। আর সে কারণে হযরত মহাম্মদ সা. কাবাঘরের মূর্তি ভেংগে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। লালনের ভাস্কার্যটি যে স্হানে স্হাপন করা হয়েছিল যদি সেখানে মসজিদ বনানোর পূর্ব পরিকল্পনা থাকতো তাহলে সেখান থেকে ভাস্কার্যটি সরালে কোনো সমস্যা হত না। সেদিন ধর্মান্ধ ও মৌলবাদীরা ভাস্কার্যটি সরানোর জন্য যে তান্ডব ও পেশীশক্তি চলালো সেজন্য তাদেরকে তিরস্কার জানানো ব্যতিত অন্য কোনো ভাষা আমার নাই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
মুছে ফেলুন
১১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪ কানমলা-০৮ বলেছেন: ভালো লেখা। ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
১২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬ মুকুট বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো লিখেছেন! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
১৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫ বিবিধ বলেছেন: ত্রিভুজ ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে পোস্টের শেষ অংশটুকু আবার পড়লাম।
এ ব্যাপারে আমার মতামত হচ্ছে, হ্যা প্রতিবাদের ধরণ মূলত একেক অঞ্চলের সংস্কৃতির উপর নির্ভর করে। তবে এটা অবশ্যই ঠিক বাংলাদেশে যে ভাষায় প্রতিবাদ হয় তা যেমন অনৈতিক আবার যুক্তরাষ্ট্রে মানবিক বিপর্যয়ের সময় যে লুটপাট হয় তাও অনৈতিক।
"বাংলাদেশী চরিত্র" আমি দেখি অন্য দেশ থেকে অনেক ভাল।" কথাটি আপেক্ষিক। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
লেখক বলেছেন: ঠিক। একেক জাতির একেক চরিত্র।
মুছে ফেলুন
১৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮ আবূসামীহা বলেছেন: অলস সময়ে ভেবেছেন ভালই। ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫
লেখক বলেছেন: তাই মনে হল আপনার? ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
১৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৫ ত্রিভুজ বলেছেন:
@উন্মু আব্দুল্লাহ
"সহিংসতা এখনও এদেশে আন্দোলনের প্ধান অস্ত্র। কর্তৃপক্ষও এরকম আন্দোলন ছাড়া কথা কানে নেয় না।"
সমস্যা হলো কতৃপক্ষ আর আন্দোলনকারীরা একই চরিত্রের। এদেশ থেকে এই দুই শ্রেণীকেই ঝেটিয়ে বিদায় করে দিন, তারপর দেখবেন দেশে কোন আন্দোলন নাই।
@বিবিধ
কথাটা আপেক্ষিক হলে রেশিও হিসেব করলে আমরা অনেকের চেয়েই ভাল। অন্তত আমি সেরকমই বিশ্বাস করি। তবে দেশের বাইরে যারা অবস্থান করেন, তাদের বেশীর ভাগেরই দেশ সম্পর্কে প্রচুর ভুল ধারনা রয়েছে। মিডিয়ার ফুলানো ফাঁপানো নিউজগুলো হয়তো এর জন্য দায়ী।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৭
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পরে কোন রাজনৈতিক বিষয়ে একমত হলাম ত্রিভুজ। হ্যা, দুই গ্রুপের চরিত্র একই বলে এরকমটা হয়ে থাকে। তবে ঝেটিয়ে বিদায়ের কাজটি দুরূহ, প্রায় অসম্ভব।
মুছে ফেলুন
১৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৬ ত্রিভুজ বলেছেন:
@উন্মু আব্দুল্লাহ
আপনি সবার মন্তব্য মডারেশনে না রেখে নির্দিষ্ট কারো কারো মন্তব্য রাখতে পারেন। মন্তব্য করার পর অপেক্ষা করতে বললে কেমন যেন লাগে। আলোচনার মেজাজ নস্ট হয়ে যায়...
(এই মন্তব্যটা প্রকাশ করতে হবে না)
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১০
লেখক বলেছেন: স্যরি। মন্তব্য প্রকাশ করেছি বলে। আমি এটা বুঝি। কিন্তু এর আগে এরকম করেও কোন লাভ হয় নি। নিত্য নূতন নিক নিয়ে আসে। ব্লক করেও কোন লাভ হয় না। বাজে মন্তব্যে ঠিকই পোস্ট ভরে যেতে থাকে।
যা দরকার, তা হল বন্ধু ব্লগারের লিস্ট। যাদেরকে মডারেশনের বাইরে রাখতে পারি। পোস্ট মডারেশনে থাকলেও। সামহোয়ার যদি এরকমটার ব্যবস্থা করত, তবে খুব ভাল হত আমার জন্য।
মুছে ফেলুন
১৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৮ সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: জটিল সত্য কথা ~! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
১৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪১ বিবিধ বলেছেন: @ ত্রিভুজ
ধন্যবাদ।
আমাকে প্রবাসী মনে করার কারণ নেই। জীবনেও অন্য কোন দেশে যাই নি। হয়তো কোন এক সময়ে যাওয়া হবে।
কে কার চেয়ে ভাল সেটা বুঝানো আমার উদ্দেশ্য ছিল না। আমি বলতে চেয়েছি বাংলাদেশের মানুষের যেমন কিছু খারাপ দিক রয়েছে আবার আমেরিকানদেরও খারাপ দিক রয়েছে। তবে দেশের সকল জনগণই যে এর ভেতর অন্তর্ভুক্ত তা নয়।
# কম্পিউটার গ্রুপে আমি সমস্যা লিখে একটা পোস্ট দিয়েছি যদি পড়ে সমাধান দেন তাহলে উপকৃত হতাম। আগাম ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪২ বিবিধ বলেছেন: যা দরকার, তা হল বন্ধু ব্লগারের লিস্ট। যাদেরকে মডারেশনের বাইরে রাখতে পারি। পোস্ট মডারেশনে থাকলেও। সামহোয়ার যদি এরকমটার ব্যবস্থা করত, তবে খুব ভাল হত আমার জন্য।
সহমত। এরকম একটি ব্যবস্থা থাকলে খুবই ভাল হয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
২০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫১ হলদে ডানা বলেছেন: খুবই ভাল লাগলো আপনার লেখাটি। অনেক ধন্যবাদ।
কয়েকটি আপত্তি বা ব্যক্তিগত অভিমত আছে-
প্রথমত, মোল্লা শব্দটি ব্যবহার না করলে পারতেন। এতে সব মুসল্লি বা ইসলামপ্রিয়, সুন্নত প্রিয় মানুষের দিকেই অঙ্গুলি নির্দেশ করা হয়। অথচ এদেশের সাধারণ ইসলামপ্রিয় মানুষগুলো অধিকাংশই নিরিহ-নিস্পৃহ হয়ে থাকেন, যেমনটি আপনি নিজের ব্যাপারে বললেন।
যখন গার্মেন্টস শ্রমিক কিংবা রাজনৈতিক কর্মীরা নিজ স্বার্থ আদায়ে হিংস্র হয়ে ওঠে তখন তো তাদেরকে বিশেষ নামে ডাকা হয়না। পরিকল্পিতভাবেই মোল্লা শব্দটিকে নেতিবাচক করা হচ্ছে। আমরা সচেতনরা তাদের সে পরিকল্পনায় কেন সহযোগীতা করবো? এদেশের কয়বার "মোল্লা"দের আন্দোলন হয়েছে? সে তুলনায় এক সিইসি এম এ আজিজকে সরানোর জন্য যে হিংস্র আওয়ামী আন্দোলন হয়েছে তা অনেক বেশি বিভৎস। আমার আপত্তিটা "মোল্লাদের আস্ফালন" শব্দের ব্যবহারে।
২.
গনতন্ত্রের উপর শক্তিমত্তার প্রভাব বিষয়ক আপনার কথার সাথে পূর্ণ একমত, আলোচনা ও উদাহরণ উভয়ই ভালো লাগলো। এবং একইসূরে বলতে চাই, বাংলাদেশে অন্য যে সমস্ত ভাষ্কর্য তথা মূর্তি রয়েছে- ঢাবি ক্যাম্পাস তো শত শত মুর্তিতে ছেয়ে গেছে, এগুলোর ব্যাপারে খুব স্বল্প সংখ্যক জনমানুষেরই সমর্থন রয়েছে। মূলত শক্তি খাটিয়ে, প্রভাব খাটিয়ে এগুলো তৈরী করা হয়েছে।
তথ্যবহুল পোস্টের জন্য আবারো ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২
লেখক বলেছেন: মোল্লা শব্দটি আমি ইচ্ছে করেই ব্যবহার করেছি। কারন এইসব শব্দ এত বেশী দেখি যে আমি একজন সেটা না বললে কোন ক্ষতি বৃদ্ধি হবে না। এই নেতিবাচক শব্দের দ্বারা অনেকাংশেই সাধারন ইসলামপ্রিয় মানুষের দিকে ইংগিত করা হয় - সেটা মিথ্যা নয়। কিন্তু তাতে তো আমিও পড়ি। আমিও তো সেই বিদ্রূপ নিজের ঘাড়ে নিলাম।
মুছে ফেলুন
২১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩ হলদে ডানা বলেছেন: "বন্ধু ব্লগারের" জন্য কমেন্ট মডারেশন অপশনের নিরাপদ ব্লগার অপশনটি কোন কাজ দেয় কিনা দেখতে পারেন। আমি অবশ্য টেস্ট করে দেখিনি।
এটি প্রকাশ না করলেও চলবে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৩
লেখক বলেছেন: সেটা মনে হয় কাউকে একবার "সন্দেহজনক" বা "নিষিদ্ধ" করলে আবার ফিরিয়ে নেয়ার জন্য।
মুছে ফেলুন
২২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২২ বেতাল বলেছেন: সহমত @ক্ষ্যাপা।
পোস্টে মাইনাস জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
২৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮ বিবেক সত্যি বলেছেন: ১০ নম্বর মন্তব্যে রামনের কথার প্রেক্ষিতে , ভাষ্কর্যটি তৈরী করা হচ্ছিলো হাজী ক্যাম্পের কাছে । মসজিদের সামনে মূর্তি তৈরী করার যে সেন্স হাজী ক্যাম্পের কাছে মূর্তি বানানোর একই সেন্স । মোল্লারাদের (!) আস্ফালন (?) করার যথাযথ কারন ঘটেছে ...
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৫
লেখক বলেছেন: এয়ারপোর্টে এমন কোন স্থাপনা রাখা উচিত নয় যা সাধারন মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরী করে।
মুছে ফেলুন
২৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪ মদন বলেছেন: প্রতিবাদে যদি হাল্কাপাতলা ভাংচুরই না হইলো, তাইলে প্রতিবাদ হইলো কেমনে? তয় আমার গাড়ি ভাংলে আপত্তি আছে জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
লেখক বলেছেন: বেশীর ভাগ মানুষেরই মনে হয় এইরকম একই অনুভূতি!!!!!
মুছে ফেলুন
২৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯ ভাইরাস! বলেছেন: ক্ষ্যাপার প্রশ্নের উত্তর কি পোস্টদাতার কাছে নাই! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫১
লেখক বলেছেন: পোস্টদাতা ফরমায়েসী কাজ করে না। তবে সময় পেলে ক্ষ্যাপার কথার জবাব দেব বলে ঠিক করেছি।
মুছে ফেলুন
২৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩ শামীম রিয়াজ বলেছেন: কি যে লেখেন? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮
লেখক বলেছেন: সে তো আমারও কথা!!!!!!!!!!
মুছে ফেলুন
২৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৪ 'প্রবাল গ্রুপ' বলেছেন: প্রবাল গ্রুপকে ভুলেই গেলেন তাহলে? পোস্টটি গ্রুপে আসতে পারতো। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮
লেখক বলেছেন: এখন দিলাম।
মুছে ফেলুন
২৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫২ পারভেজ বলেছেন: আমার মনে হয় হাজী সাহেবদের তুলনায় অনেক বেশী সাধারণ মানুষ বিমান বন্দর দিয়ে আসা যাওয়া করে বছরের বাকি ১০ টা মাস, তাই না? তাই এটা খুব একটা শক্ত যুক্তি না। তবে, লালনের মূর্তি ঠিক প্রকৃত অর্থও বহন করবে না। স্বাধীনতা ভিত্তিক কিছু হওয়া উচিত। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
লেখক বলেছেন: সাধারন মানুষদের মধ্যে কি ইসলাম প্রিয় কেউ নেই?
মুছে ফেলুন
২৯. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪০ মাহমুদ রহমান বলেছেন: হুম..... ভাল লাগল।
পোস্ট পড়ে বুঝলাম মুর্তি ব্যাপারটা নিয়ে আপনি বেশ পরিশ্রম করেছেন। আপনার আন্তরিকতা প্রশংসার দাবী রাখে।
মুর্তি বা ভাস্কর্য সংক্রান্ত ইসলামের বিধানাবলী আলাদা পোস্ট আকারে একটু বিস্তারিত আসলে মন্দ হতো না। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ভাল হবে। তবে কাজটি কঠিন।
মুছে ফেলুন
৩০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২০ ফারুক আহসান বলেছেন: হাহাহা । আপনার সাথে বিন্দুমাত্র মতের মিল না থাকা সত্বেও লেখাটি ভালো লাগল । অন্তত মডারেট মোছলেম নামক ভন্ডামিটি নাই আপনার মধ্যে ।
ভালো থাকুন । জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৪
লেখক বলেছেন: গনতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে মতের অমিল থাকাটা আমি স্বাভাবিক ভাবেই নেই।
লেখা ভালো লেগেছে জেনে খুশী হলাম। আপনিও ভাল থাকুন।
মুছে ফেলুন
৩১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১ পারভেজ বলেছেন: আজকে প্রথম আলোতে হুমায়ুন আহমেদের একটি কলাম ছাপা হয়েছে। অবশ্যই পড়ে দেখবেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬
লেখক বলেছেন: পড়লাম। আপনাকে ধন্যবাদ। হুমায়ূন আহমেদকেও ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
Tuesday, May 5, 2009
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment