রোজার মধ্যে পরীক্ষা। চরম বিরক্তিকর। ভর্তি পরীক্ষা তো নয় যেন যুদ্ধ। সে যুদ্ধে যাতে না হেরে যাই সেজন্য কত প্রস্তুতি। রাতের পর রাত। দিনের পর দিন। খাওয়া/ঘুমের সময় টুকু শুধু অবসর। বাকী সময়টা চলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ভরে অংক কষা।
কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। পরীক্ষার হলে গিয়ে প্রথম অ্যালজাব্রার প্রথম প্রবলেমটাই ভুল করলাম। অতি সহজ সমস্যা। জটিল মূলের একটি দেয়া। কোয়াড্রেটিক ইকুয়েশনটি বের করতে হবে।
কেন যেন মাথা একেবারেই কাজ করল না। জলবৎ তরলং এই সমস্যাটির কোন সমাধান কিছুতেই খুজে পেলাম না। বার বার চিন্তা করেও মাথা ফাকা!! কিছুতেই মনে এল না সহজ সেই কনসেপ্ট, "জটিল মূল গুলো যুগল রূপে আসে। একটি পজিটিভ হলে অন্যটি হবে নেগেটিভ।" এটা জটিল রাশিমালার বেসিক কনসেপ্ট। এই সমস্যাটি সলভ করতে পারলাম না। শুরুটাই হয়ে গেল গোলমেলে। এর পরের তিন ঘন্টা একটা ঘোরের মধ্যে যেন ছিলাম। কি লিখছি, কি ভাবছি সব যেন এলোমেলো।
আমার মনে হয় না সেই ব্যাচে বুয়েটে যারা ঢুকেছিল তারা কেউ অ্যালজাব্রার এই সহজ সমীকরনটি বের করতে অপারগ হয়েছিল। আমি বোধকরি সবার মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম। ক্লাস সেভেনের ছাত্রের পক্ষে ক্লাশ ফোরের অংক ভুল করা আর কি।
আজও যখন অবসরে পুরানো দিনের কথা মনে দোলা দিয়ে যায় তখন সেই স্মৃতি আমাকে নাড়া দেয়। মনে হয়, আমি বসে আছি ই এম ই বিল্ডিং এর পরীক্ষার হলে। বার বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছি সলভ করতে। আর ভাবছি এসব সমস্যা তো হাজারোটা করেছি, এখন কেন পারছি না।
আজকে আমার ছেলে শুরু করেছে অ্যালজাব্রা। যেদিন সে প্রথম কমপ্লেক্স ভেরিয়েবলস ধরবে সেদিনই তাকে আমি প্রথম এই সমস্যাটা করাব বলে ঠিক করেছি। যাতে তার কোনদিন ভুল না হয়। যে ভুলটা আমি করেছিলাম, সেই একই ভুল তার যেন কখনই না হয়।
বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি তা বলে ব্যর্থ হয় নি। সহজ সমীকরনটি ভুল করেছি তবে ক্যালকুলাসের দক্ষতা আমাকে টেনে নিয়ে যায় ১০০ এর মধ্যে। আর স্বপ্ন হয় সত্যি। আমি পা রাখি বুয়েটে।
স্বপ্নভংগ হয় বুয়েট শুরু করার পর। কিন্তু সে গল্প আজ আর নয়। হবে আরেকদিন।
এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৪৬ টি মন্তব্য ৫৩০ বার পঠিত, আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন
--------------------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন
আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :
আপনার ই-মেইল
আপনার বন্ধুদের ইমেইল
মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a nice wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28754206 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান
--------------------------------------------------------------------------------
১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৮ শাওন বলেছেন: মাথা ! দেশের সবার স্বপ্নের মুল লক্ষ্য ।
আমাদের ফ্রেন্ডগ্রুপের মাত্র ১টা চান্স পেয়েছে । রাফি, যেবার দেশে গেলাম সেবার সবাই এস এস সি দিলো । এ + পেলো কিন্তু দেখি নিস্তব্দ রাগে ফুসতেছে , মেয়ে ৪টাই পেয়েছে গোল্ডেন প্লাস , সে পায়নি । এবার মেয়ে ৪টা বুয়েটে দিয়েছিলো , পায়নি । সে পেয়েছে ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৭
লেখক বলেছেন: শাওন, ভাল লাগল কথাগুলো। বুয়েট প্রতিযোগিতামূলক সন্দেহ নাই। তবে বুয়েটে টিকেনি এমন অনেকে পরের লাইফে অনেক বেশী ভাল করেছে। সুতরাং বুয়েট নিয়ে কোন দম্ভ নেই।
তবে স্মৃতিগুলো অমলিন। "বুয়েট" নাম শুনে মানুষ বাহবা দিয়েছে সেটাও ভাল লাগত।
আর আমাদের সময় বিদেশে পড়ার ডিসিশন যারা নিয়েছিল তাদের প্রায় সবাই আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। বুয়েটের সেশন জ্যাম, মান্ধাতা আমলের সিলেবাস - এইসবের কারনে বিদেশে এসে মাস্টার্সে নূতন করে শিখতে হয় সবকিছু।
মুছে ফেলুন
২. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০০ জেনারেল বলেছেন: বুয়েটে পড়েন নাই ভাল করছেন, পড়লে যে কি হত আল্লাহ-ই মালুম!!
ডিসক্লেইমারঃ
যদি কেউ মনে করে চান্স পাই নাই তাই এইসব বলি, তাদেরকে বলছি বুয়েটের অধিকাংশ পোলাগো আমি পুছি না, টাইমও নাই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেনারেল আপনার সহানুভূতিতে।
বুয়েটে না টিকলে খুব কষ্ট পেতাম। প্রস্তুতি নিয়েছিলাম তো।
বুয়েটে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নেই। ক্যাম্পাসটা নূতন দেখে ভাল লেগে যায়। আর মধ্যবিত্ত পরিবারের বলে বিদেশ যাওয়ার সামর্থ্য তখন ছিলো না।
মুছে ফেলুন
৩. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৬ পথহারা বলেছেন: জেনারেল, তোমার পিএইচডি কদ্দুর? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৪. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৪ আবূসামীহা বলেছেন: সাময়িক কেন? ভালইতো স্মৃতি কথা। বেশ ভাল লাগল। আমাদের সবারই এরকম কোন না কোন স্মৃতি আছে।
আর জেনারেল মনে করেছেন আপনি বুয়েটে পড়েননি। "ঐ একটা সমীকরণ সমাধান করতে না পারা মানে আর সব না পারা নয়", এটা বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথাতো নয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০১
লেখক বলেছেন: কি-বোর্ড দিয়ে এডিট হচ্ছে না বলে ভুল করে লেখা "সাময়িক পোস্ট" শব্দটি মুছতে পারছি না। মাউসের অভাব বোঝা যাচ্ছে।
এই বয়সে এসে স্মৃতিই শুধু রয়ে গেল। সেগুলো রোমন্থন করে হারানো অতীতকে আবার ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করি বার বার।
মুছে ফেলুন
৫. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০১ ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: মিলে গেল তো মনে হয়! রোযার মধ্যে তাও তো মনে ৪ ঘন্টার একটা ছিল, ছক্কা মারা তো দূরের কথা ছেড়ে দে মা কেদে বাচি! যন্ত্রনার কথা আর মনে করতে চাইনা। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০৪
লেখক বলেছেন: আমারও তো একই অবস্থা হয়েছিল। ছেড়ে দে মা কেদে বাচি।
মুছে ফেলুন
৬. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৯ হলদে ডানা বলেছেন: বুয়েটের পাশ দিয়ে যেতে মাঝে মাঝে বিল্ডিংগুলো দেখি। লেখকের কথাগুলো বিনয়মিশ্রিত তবে সত্য- - - "তবে বুয়েটে টিকেনি এমন অনেকে পরের লাইফে অনেক বেশী ভাল করেছে। সুতরাং বুয়েট নিয়ে কোন দম্ভ নেই।"
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৬
লেখক বলেছেন: অভিজ্ঞতা থেকে বলেছি।
মুছে ফেলুন
৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫০ হাশেম পোদ্দার বলেছেন: আই লাইক ইট - দাগাইলাম। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:১৭ প্রচেত্য বলেছেন: স্বপ্নভঙ্গ-স্বপ্নপূরণ - দুয়ের সমীকরণে এক মোহমযতায় আবদ্ধ হয়ে গেলাম- কিছুক্ষনের জন্য হলেও জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রচেত্য। স্মৃতি বড় মধুর।
মুছে ফেলুন
৯. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৫ বিবর্তনবাদী বলেছেন: এই পোস্ট সাময়িক কেন?? এটা ডিলিট করবেন না প্লিজ।
আমার বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার অভিজ্ঞতাও স্বরণীয়, তবে সেটা পরীক্ষার হলে না, হলের বাইরে। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়েই গুলিস্তানে জ্যামে আটকিয়ে ছিলাম। এমন সময় এক হিরোইনখোর এসে, বলে "১০০ টাকা দে"। আমি বললাম টাকা নাই। সে হঠাৎ মুখের ভিতর থেকে একটা ব্লেড বার করে বলে, "তাইলে ঘড়ি দে"। আমি যতদুর জানি, এই সব হিরোইনখোরদের ডর ভয় নাই, আমাকে একটা ব্লেডের পোচ দিতে আটকাবে না। আর ওদের বেশির ভাগই এইডস্ রোগী। এইডসের ভয়ে আমি ঘড়িটা দিয়ে দিলাম।
আমার করুন স্মৃতি রোমন্থন করলাম। তাই এই পোস্ট ডিলিট না করতে অনুরোধ করছি। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০২
লেখক বলেছেন: ভুল করে সাময়িক কথাটা লিখে ফেলেছিলেম। এখন ঠিক করেছি।
চিন্তার কারন নেই। আপনার কমেন্ট ঠিকমতই থাকবে।
মুছে ফেলুন
১০. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৪ পান্জেরী বলেছেন: আ. আলাইকুম।
আপনার পরবর্তী গল্প শুনার অপেক্ষায় রইলাম। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুছে ফেলুন
১১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১২ বিবেক সত্যি বলেছেন: ভালো, আমার প্রথম অংকটা (ডাবল ফাংশন, আমি পড়তাম ফগ-গফ) মিলে গেছিলো বলেই মনে হয় কেমিষ্ট্রিতে চরম খারাপ করেও টিকে গেছি.. জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০৮
লেখক বলেছেন: ঘটনাগুলো স্মৃতিতে জমা করে রাখ। একদিন তা মুহুর্তের জন্য হলেও সুখানুভূতি এনে দেবে।
মুছে ফেলুন
১২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩৩ পথহারা বলেছেন: বুয়েট হৈলো কতগুলান উরবর মাথারে চিরো দিনের জন্য নষ্ট কৈরা দেওয়ার মেশিন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন!!!!!!!
মুছে ফেলুন
১৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১৪ নরাধম বলেছেন: ভাইয়া বুয়েটে পড়েছিল। তাদের র্যাগডে'র টি-শার্টের পিছনে লেখা ছিল:
"I was born genius,
BUET made me dumb"
তবে আমি বুয়েটে অসাধারণ ব্রিলিয়ান্টও দেখেছি আবার চরম হাবা-হাদারাম ও দেখেছি। Overall, BUET বাংলাদেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোন সন্দেহ নেই, অন্তত ছাত্ররা বিশ্বের যে কোন ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্যতা রাখে। আমাদের পরিবারে একটা irony হচ্ছে আমার ছোট মামাকে সবচাইতে মেধাবী মনে করা হয় পরিবারের সবার মধ্যে। তিনি SAT এ খুব ভাল করেছিলেন এবং MIT তে full scholarship নিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তিনি বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাননি!!!!!!!!!!!! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১০
লেখক বলেছেন: ইংলিশ মিডি্য়াম হলে খুব স্বাভাবিক। কারন দুটোর সিলেবাস দুই রকম।
আর না হলে মজার ব্যাপারই বটে।
মুছে ফেলুন
১৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৭ আব্বু ৬৯ বলেছেন: আপা কোন ডিপার্টমেন্টে ছিলেন? আমার কাজিনরা ছিল বুয়েটে ৮০র দশকের শেষের দিকে৷ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:২৫ উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস।
আমি মুখচোরা। আমাকে না চেনার সম্ভাবনাই বেশী।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৪৩ জেনারেল বলেছেন: পথহারা,
আমি এক্সামে ফেলটু মারায় আমারে ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে বাহির কইরা দিছে, এখন পিয়াজ কাটি, মাঝে মাঝে পিয়াজ খাইও!! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৭ মুনিয়া বলেছেন:
বুয়েট আহামরি কিছু না। কিন্তু আমাদের দেশে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব এত বেশি যে তার মধ্যে যেখানে কিছুটা পড়াশোনা হয় ওটার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে সবাই।
লেখাটা ভাল লাগল। নিজের ভর্তি পরীক্ষার কথা মনে পড়ছে। ওভার কনফিডেন্ট আমি বলতে গেলে এইচ এস সির পর থেকে কোন পড়াশোনা না করে হলে বসে অন্যদের অংক করা দেখতে দেখতে দুয়েকটা করে অ্যানসার করছিলাম।
আর্কিটেকচার পরীক্ষাটা ভাল দিয়েছিলাম শুধু।
তারপরও বাসায় নিশ্চিন্ত বসে ছিলাম। আমি কোথাও পাব না চান্স নিশ্চিত ছিল ফ্যামিলি। কিন্ত আমার যে কাজিনকে নিয়ে সবাই আশাবাদী ছিল ও পরীক্ষাই দিতে পারেনি। আমার শুধু পরীক্ষা দিয়ে মনে হচ্ছিল যে এই চান্সটা ও পেলে বেটার হত, আমার মত ফাঁকিবাজদের চান্স পাওয়ার চেয়ে।
আবার এইসব করেও যখন শেষ হয়ে যাবে বুয়েট লাইফ তখন নিশ্চিতভাবেই মিস করব। ডিপার্টমেন্টের প্লিন্থে বসে দলবেধে আড্ডা হবে না; রাত ৯/১০টা পর্যন্ত স্টুডিওতে গান শুনতে শুনতে কাজ করা হবে না বন্ধুদের সাথে- এসব ভাবতেই পারি না। তবে জীবন তো এরকমই... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৯
লেখক বলেছেন: আর্কি হলে তো রাত জাগা কমন। আর এর মজাই তো আলাদা।
মুছে ফেলুন
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫
লেখক বলেছেন: "আবার এইসব করেও যখন শেষ হয়ে যাবে বুয়েট লাইফ তখন নিশ্চিতভাবেই মিস করব। ডিপার্টমেন্টের প্লিন্থে বসে দলবেধে আড্ডা হবে না; রাত ৯/১০টা পর্যন্ত স্টুডিওতে গান শুনতে শুনতে কাজ করা হবে না বন্ধুদের সাথে- এসব ভাবতেই পারি না। তবে জীবন তো এরকমই..."
মুনিয়া, সে জীবন একবার পেয়েছিলাম। সে কারনেই আমার এত ভাল লাগা রয়ে গেছে। আর স্মৃতিতে রয়ে গেছে সেই মুখগুলো যাদের সাথে এতটা সময়, এতটা বছর কাটিয়েছিলাম।
মুছে ফেলুন
১৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৫ মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ৯ জানুয়ারী , সে বছরের সবচেয়ে বেশি শীত পড়েছিল সেদিনই , ভুলবো না কখনো.........ভুলবার মত স্মৃতি না জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
লেখক বলেছেন: স্যারদের এত ঝাড়ি খেয়েও কেন যে বুয়েটকে এত ভালবাসলাম জানি না........................
মুছে ফেলুন
১৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৪ সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
+
'বুয়েট আহামরি কিছু না।'- সুন্দর বলেছেন মুনিয়া জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫১
লেখক বলেছেন: আমারও তাই মত।
তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বুয়েট স্বকী্য়তা বজায় রেখে চলেছে। রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত থাকাটাই এর সাফল্যের কারন।
মুছে ফেলুন
২০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৬ সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
জেনারেল
বলেছেন: পথহারা,
আমি এক্সামে ফেলটু মারায় আমারে ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে বাহির কইরা দিছে, এখন পিয়াজ কাটি, মাঝে মাঝে পিয়াজ খাইও!!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২২
লেখক বলেছেন: আমিও মজা পেয়েছি । হাহ....................
মুছে ফেলুন
২১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭ উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সবাইকে মন্তব্য করা ও পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
স্মৃতির ঝুলি থেকে কিছু সংগ্রহ নিয়ে পরবর্তীতে আপনাদের সাথে আবারো দেখা হবে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৮ মাহমুদ রহমান বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল......... ধন্যবাদ লেখককে।। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
মুছে ফেলুন
২৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১১ গণ্ডার বলেছেন:
বুয়েটে ২য় দিন ড্রইং ক্লাসে কম্পাস আর টি স্কেল লইয়া যাই নাই বইলা বদখত টাকলুটা ক্লাস থাইকা ঘাড় ধইরা বাইর কইরা দিসিলো , রাগে সেইদিনের পর আর বুয়েটে যাই নাই।
একন আমিও জেনারেলের মত পিয়াজ কাটি জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
লেখক বলেছেন: "বদখ্ত টাকলু" কাজটা অন্যায় করেছে তবে বুয়েটে কনটিনিউ করলে পারতেন। প্রানোচ্ছল এক পরিবেশ কি আর বিদেশের প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়?
মুছে ফেলুন
২৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৮ নীল েঢউ বলেছেন: বুয়েট ভালো ....।অনেক ভালো.।কিনতু বুয়েট এর টিচার দের একটু বুকিশ আর স্বাথ্র্পরতা ভাবটা কমাতে হবে...... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২০ রাশেদ বলেছেন: হা হা! টি স্কেলের কথা মনে করাইয়া দিলা গন্ডু। আজব এক জিনিস ছিলো।
হায় বুয়েট, কেন যে পড়তে পারলাম না!!
আমিও এখন থালাবাসুন ধুয়ে বেড়াই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৩ নীল েঢউ বলেছেন: রাশেদ বলেছেন: হা হা! টি স্কেলের কথা মনে করাইয়া দিলা গন্ডু। আজব এক জিনিস ছিলো।
হায় বুয়েট, কেন যে পড়তে পারলাম না!!
আমিও এখন থালাবাসুন ধুয়ে বেড়াই।
আমারো একি অবস্থা...... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
২৭. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২৯ বৃত্ত বলেছেন: পড়লাম। শুরুতে ডেমন অনুভুতি হয়েছিল- কমেন্ট পড়ে আসতে আসতে সেটা হাসিতে রুপান্তরিত হল। আপনার ব্লগে কমেন্ট করছি, জানি আপনি এর জবাব দিতে পারবেন না, কর্তৃপক্ষ আপনাকে ব্যান করে রেখেছে, তবুও, আমার ভালো লাগে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
Tuesday, May 5, 2009
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

1 comment:
বুয়েট ছিল আমার ছোটবেলা থেকে লালন করা স্বপ্ন। শুধু আমার না, আমার আম্মুব্বুরও। আমার বাসা ছিল বুয়েটের পাশেই, লালবাগ। তাই ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম যে, আমি বাসায় থেকেই বুয়েটে পড়ালেখা করব। সেই অনুযায়ী SSC & HSC তে বুয়েট এর "Naval Architecture" এর এক ভাইয়া আমাকে পড়িয়েছিলেন এক্কেবারে আমার বাসায় এসে। আমিও ভালই করেছিলাম SSC & HSC তে। আমি ছিলাম HSC 2008 ব্যাচ। এরপর......... এল বুয়েট ভর্তি এক্সাম। চান্স আর পেলামনা। আমার আজীবনের স্বপ্ন ভেঙ্গেচুরে একাকার হয়ে গেল। সবচাইতে বেশি খারাপ লেগেছিল আম্মুব্বুর জন্য। যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমার জন্য এত্তোকিছু করেছিলেন, তাদের এই কষ্টের প্রতিদান দিতে পারলামনা। :-((
এরপর...... সময়ের স্রোতে আমি এখন দেশ থেকে দূরে, অনেক অনেক অনেক দূরে। এত্তো তাড়াতাড়ি দেশ ছেড়ে চলে আসতে হবে, কোনদিন ভাবিনি। যাই হোক, তবে আল্লাহর কাছে হাজারো শোকর। তিনি যে সুযোগ এখন আমার সামনে দিয়েছেন, সে সুযোগ হয়তো বুয়েটে পড়লে জীবনেও পেতামনা.........
তবে মনটা খুব খুব খুব কাঁদে দেশের জন্য, আমার প্রিয় মাতৃভুমির জন্য। জানিনা দেশে আর কোনদিন স্থায়ী হতে পারব কিনা??? :-(( হয়তো অন্য সব প্রবাসীর মত আমারও ইচ্ছা থাকবে দেশে ফেরত আসার...... কিন্তু...... সময়ের স্রোত যে আমাকে কোথায় নিয়ে যায় তা আমি কি করে বলব???? :-O
Post a Comment