পাশ্চাত্যে সিংগেল সেক্স এডুকেশন: সাফল্য আর ব্যর্থতার খতিয়ান
১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৪
শেয়ার করুন:
বেশ কিছু দিন আগে সামহোয়ার ব্লগে একজন ব্লগার বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিল। সেবার সে লেখাটিতে মন্তব্য করতে গিয়ে এই ইস্যুতে পূর্নাংগ একটি লেখার ভাবনা আমার মাথায় উকি দিয়ে যায়। কিন্তু সে উকি দেয়া পর্যন্তই। সময় গড়িয়ে যায়, ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও আলসেমীতে আর কি-বোর্ড চাপা হয় না। এদিকে অন্য আরো কত লেখা সেরে ফেলি কিন্তু ওটা নিয়ে লেখা আর এগোয় না। আসলে লেখালেখিটা আমার স্রেফ ভাল লাগার জন্য - কোন ধরনের দায় বদ্ধতা সেখানে কাজ করে না। ব্লগ কিংবা ইন্টারনেট শুধুই অবসর কাটানোর সংগী, লেখালেখিটাও তাই বড় বেশী খাপছাড়া, এলোমেলো।
ফিরে আসি মূল প্রসংগে, অর্থ্যাৎ সিংগেল সেক্স এডুকেশন বিষয়ে। অবসরের ইন্টারনেট বিচরন আর সে নিয়ে কিছু অগোছালো ভাবনা থেকে সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে আজকের এ লেখার অবতারনা। এ আমার মৌলিক লেখা নয়, বরং বিভিন্ন সাইট পড়ে যা বুঝতে পেরেছি তাই লিখছি। কি করে আমেরিকাতে সিংগেল সেক্সে এডুকেশনের কনসেপ্ট এলো এবং কি করে তা সবার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে - তার খুব সংক্ষিপ্ত বিবরন এ লেখাটিতে দেয়ার চেষ্টা করছি।
আমেরিকাতে সিংগেল সেক্স এডুকেশনের অনুমোদন খুব বেশীদিন আগের নয়। ২০০৬ এর অক্টোবরে আমেরিকান পাবলিক স্কুলে সিংগেল সেক্স এডুকেশনের নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। তারপর থেকে তা সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যপক আগ্রহ এবং উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। এখন পর্যন্ত এই শিক্ষা পদ্ধতি সাধারনের কৌতুহল এবং মনোযোগের কেন্দ্র বিন্দু। পরীক্ষামূলক ভাবে চালু হবার পর থেকে এর পরিসর মোটামুটি ভাবে ক্রমবর্ধমান।
পাশ্চাত্যের পাবলিক স্কুলের অন্যতম সমস্যা ফ্রি মিক্সিং - যা টিন এজ মাতৃত্বের একটি বড় কারন। হাই স্কুল ড্রপ আউটের পেছনে এই টিন এজ মাতৃত্ব একটি গুরুত্ববহ ফ্যাক্টর। এই ইস্যুতে ব্যপক প্রচার প্রচারনা স্কুলে চালানো হচ্ছে, তবুও তা কাংখিত কার্যকরী কোন ফল বয়ে আনছে না। এমন কি কয়েক বছর আগে এই প্রচারনার অংশ হিসেবে এক পর্যায়ে স্কুলে বার্থ কন্টোল পিল দেয়া হয়। সেটা আবার জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ফলে এখন প্রকাশ্যে আর কোন জন্ম নিরোধক বিতরন করা হয় না।
সিংগেল সেক্স এডুকেশনের কনসেপ্ট দেখে আবার ধারনা করবেন না, ফ্রি মিক্সিং এর চ্যালেন্জ্ঞ মোকাবেলা করার জন্য সিংগেল সেক্স এডুকেশনকে সামনে টেনে আনা হয়েছে। অন্ততপক্ষে প্রবক্তা উদ্যোক্তারা এই বিষয়কে মূল ইস্যু হিসেবে সামনে টেনে আনেন নি। অন্যতম প্রবক্তা লিওনার্ড স্যাক্স, পেশায় যিনি চিকিৎসক আর ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভ্যানিয়া থেকে পি এইচ ডি এবং এম ডি দুটোই করেছেন, এক বছরে লিংগ পার্থক্য নিয়ে তিনি প্রায় ৫০ টির মত সেমিনার করেছেন। তার থিসিসের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ছেলে এবং মেয়েরা ভিন্ন পরিবেশে ভিন্নভাবে শেখে। সান ফ্রানসিসকোর একটি বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর ক্লাশরুমে তিনি ব্যখা করছিলেন তার তত্ত্ব: মেয়েদের শ্রবন এবং গন্ধ, এ দুটি ইন্দ্রিয় ছেলেদের চেয়ে অনেক বেশী উন্নত। এছাড়াও আরো কয়েকটি বিষয়ে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ভিন্ন ভাবে চিন্তা করতে শেখে। বয়:সন্ধিকালে তারা ভেবে পায় না কেন তাদের বাবা, ভাই এবং প্রতিবেশীরা এত বেশী হাবা। মেয়েদের স্কুলে সে স্পীচ দেবার কয়েক সপ্তাহ পরে স্যাক্স অভূতপূর্ব সাড়া পান ক্লাশের মেয়েদের কাছ থেকে। একটি মেয়ে তাকে চিঠিতে জানায়, "ড:স্যাক্স, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার ঘরে যে গন্ধ রয়েছে তা আমার বাবা টের পাচ্ছিল না। আমি ভাবছিলাম আমি বুঝি পাগল হয়ে গিয়েছি। পরবর্তীতে দেখা গেল আমার ঘর থেকে মৃত ইদুর বের হয়েছে। আশা করি আপনি আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।"
স্যাক্স আবারো ফিরে যান তার বিশ্বাসকে পুজি করে। মানুষের মাঝে ব্যক্ত করেছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। কি করে তিনি ২০০০ সালে সর্ব প্রথম সিংগেল সেক্স এডুকেশনের মহাত্ম খুজে পেলেন। তখন তিনি একটি বালকের চিকিৎসা করছিলেন বেশ কয়েক বছর ধরে। একদিন তার পিতা মাতা এসে জানালেন ছেলেটির অসম্ভব এক পরিবর্তনের কথা। একাধিক মেডিকেশনে থাকা নিস্পৃহ মনোভাবের এই ছেলেটির মধ্যে এসেছে বিশাল এক পরিবর্তন - যাকে তার বাবা মা মনে করছেন ছেলেদের স্কুলে দেবার জন্যে। স্যাক্স প্রথমটায় গুরুত্ব দেন নি, তিনি জবাব দেন, "আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি। সিংগেল সেক্স এডুকেশন ভিক্টোরিয়ান এন্টিকের ধ্বংসাবশেষ মাত্র।" ছেলেটির মাতা তা শুনে উত্তর দেন, "ড: স্যাক্স, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি। আপনি যা বলছেন তা সম্পর্কে আপনার নিজেরই কোন ধারনা নেই।" স্যাক্সের বিশ্বাসে চিড় ধরল। তিনি কয়েকটি সিংগেল সেক্স স্কুল ঘুরে দেখলেন। অধ্যয়ন করতে শুরু করলেন নারী এবং পুরুষের স্নায়বিক পার্থক্যের বিষয়টি। মনোযোগ দিলেন ছেলেদের বিশেষ কিছু সিনড্রোমের প্রতি, যেমন, ছেলেরা কেন ডেটিং কিংবা ক্লাশ ওয়ার্কের চেয়ে কিলিমানজারোর প্রতি বেশী আকর্ষন বোধ করে। স্যাক্সের প্রাথমিক কিছু প্রস্তাবনার মধ্যে ছিল ছেলেদেরকে কিন্ডারগার্টেনে ছয় বছর বয়েসে ভর্তি, অর্থ্যাৎ মেয়েদের এক বছর পরে। কেননা ছেলেদের ডেভেলপমেন্ট কিছুটা দেরীতে হয়ে থাকে। স্যাক্সের কিছু বন্ধু তাকে নিরুৎসাহিত করল এই বলে যে, আমেরিকান পরিবার কখনই এতে আগ্রহ দেখাবে না। ফলে স্যাক্স বিকল্প হিসেবে ভাবলেন ছেলে মেয়েদের পৃথকীকরনের কথা, পৃথক ক্লাশরুমের কথা।
সিংগেল সেক্স নিয়ে স্যাক্সের আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা শুরু হয় ২০০২ তে ন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর সিংগেল সেক্স পাবলিক এডুকেশনের মাধ্যমে। প্রথম দিকে ন্যাশনাল এসোসিয়েশন ফর সিংগেল সেক্স পাবলিক এডুকেশনের খুব একটা তৎপরতা ছিল না। তারপরে ২০০৪ এ তাকে ফোলেতে আমন্ত্রন জানানো হল সেমিনার আয়োজন করার জন্য। পরের কয়েক বছরের মধ্যেই সবার দৃষ্টি আকর্ষন করতে লাগল। যার ফলে এখনকার হিসেবে ৩৬০টি সিংগেল সেক্স স্কুলের মধ্যে ৩০০টি স্কুল নিউরোসাইন্সের ধারনাকে গ্রহন করে। বেন্জ্ঞামিন রাইট, নাশভিল প্রাইভেট স্কুলের প্রধান প্রশাসক, সিংগেল সেক্স এডুকেশন প্রসংগে বলেন, "কো-এড এখন আর কাজ করছে না। আমাদের এখন অন্য কিছু দেখতে হবে।" ১৯৯৯ সালে রাইট ঘুরে দেখেন সিয়াটলের একটি স্কুল যে স্কুলটি ভাল করছিল না। তিনি দেখলেন প্রতি তিনটি বালিকার জন্য একটি বালককে সাসপেন্ড করা হচ্ছে এবং তা খুব তুচ্ছ কারনে। বালিকাদের বহিষ্কারের তুলনায় বালকদের বহিষ্কারের হার দ্বিগুন। ৬৫ ভাগ ছাত্র যেখানে চার বছরে হাই স্কুল শেষ করে সেখানে ৭২ ভাগ ছাত্রী শেষ করে চার বছরে। যার ফলে রাইট ছেলে মেয়েদের পৃথকীকরনের সুপারিশ করেন। ২০০১ এ সিংগেল সেক্স ফরম্যাট দেবার ফলে দেখা যায় বালকদের একাডেমিক স্টান্ডার্ড পূরন করার হার অংকের ক্ষেত্রে ১০ ভাগ থেকে ৩৫ ভাগ এ উন্নীত হয় এবং রচনাশৈলীর এর ক্ষেত্রে ১০ ভাগ থেকে ৫৩ ভাগে উন্নীত হয়।
কিন্তু এটাই সব নয়। এ নিয়ে করা চল্লিশটি স্টাডির মধ্যে খুব শক্তিশালী ফল পাওয়া যায় নি। ৪১ ভাগ সিংগেল সেক্স স্কুলের পক্ষে গিয়েছে, ৪৫ ভাগ সিংগেল সেক্স বা কো-এড কোনটারই পক্ষে যায় নি, ৬ ভাগ সিংগেল সেক্সের একটি সেক্সের পক্ষে গিয়েছে, বাকী ৮ ভাগ কো-এডের পক্ষের গিয়েছে। কর্নেলিয়াস রিওর্ডান শিক্ষা বিভাগের পক্ষে এই জরিপটি করেন। তিনি ব্যখা করেন যে এ ধরনের মিশ্রিত ফলাফল স্কুল নিয়ে গবেষনার পক্ষে খুব স্বাভাবিক। এখানে অনেক ভেরিয়েবল কাজ করে: শিক্ষকের যোগ্যতা, প্রশাসকের যোগ্যতা, স্কুলের কাঠামো, পরিবারের অংশগ্রহন, অর্থায়ন, কারিকুলাম এসব। রিওর্ডান আরো বলেন যে, "আপনি কখনই দুই ধরনের স্কুলকে তুলনা করে বলতে পারবেন না, এই ধরনের স্কুল সেই ধরনের স্কুলের চেয়ে উন্নত।"
সিংগেল সেক্স এডুকেশনের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। সিংগেল সেক্স এডুকেশনের যেসব তথ্য আছে তাতে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না যে সিংগেল সেক্স এডুকেশন সমস্ত শিশুর জন্য অধিকতর উপযোগী। আবার এটাও বলা যায় না যে এটা খারাপ। দেখার মত বিষয় যে এইসব গবেষনাগুলো করা হয়েছে ক্যাথলিক স্কুলগুলোর উপরে যাদের সিংগেল সেক্স এডুকেশনের ইতিহাস প্রাচীন। এসব গবেষনা সাজেশন দিচ্ছে যে সিংগেল সেক্স এডুকেশন হোয়াইট মিডল ক্লাস ছেলেদের উপরে খুব অবদান না রাখলেও গরীব এবং সংখ্যালঘু ছেলেদের ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। রিওর্ডান বলেন, পিছিয়ে পড়া স্টুডেন্টরা কোএড স্কুলের চেয়ে সিংগেল সেক্স স্কুলে ম্যাথ সাইন্স এবং অন্যান্য স্টান্ডার্ড টেস্টে বেশী স্কোর করতে পারে। এর ব্যখায় বলা যায়, একাডেমি বহির্ভূত ইয়োথ কালচারের প্রাদুর্ভাব সিংগেল সেক্স স্কুলে কম থাকে বলে ছাত্রদের জন্য পজিটিভ ভাবধারাটা সিংগেল সেক্স এডুকেশনে বেশী থাকে। অন্যটি হল, পিতামাতার অবদান - সিংগেল সেক্স এডুকেশনের স্কুলে পিতামাতাকে অন্তত এইটুকু দায়িত্ববান হতে হয় যে স্কুল থেকে পাঠানো নোটিশগুলো তাকে পড়তে হয় এবং পছন্দ বেছে নেবার প্রক্রিয়া দিয়ে যেতে হয়।
১৯৯৬ এর সুপ্রীম কোর্টের রায়ে দেখা যায় সিংগেল সেক্স এডুকেশনের আইন গত বৈধতা নির্ভর করে প্রয়োগ পদ্ধতির উপরে। স্টেটস বনাম ভার্জিনিয়া কেসে একটি মিলিটারি ইনস্টিটিউট, যা ছিল ছেলেদের প্রতিষ্ঠান, তা থেকে নারীদের বাদ দেয়া সংক্রান্ত রায়ে বিচারকরা ১৪ তম সংশোধনীর ভায়োলেশন দেখতে পান। একজন বিচারকের অভিমত অনুযায়ী সিংগেল সেক্স এডুকেশনের বৈধতা একটা পর্যায় পর্যন্ত থাকতে পারে যতক্ষন না তা একজনের যোগ্যতার উপর কৃত্রিম সীমাবদ্ধতা এনে দেয়। ১৯৯৬ এ মেয়েদের স্কুল চালু হবার খবরে সমালোচনার ঝড় উঠে এই বলে যে এটি কি কোন নারী বিরোধী পদক্ষেপ কিনা। কিন্তু সিংগেল সেক্স এডুকেশনের প্রবক্তারা দাবী করেন লিংগের বিষয়টি ধর্ম কিংবা বর্নের চেয়ে কিছুটা আলাদা।
সিংগেল সেক্স এডুকেশনের বিরোধিতাও কম হয়নি। গার্ডিয়ান (Click This Link) এই রিপোর্টে সিংগেল সেক্স এডুকেশনের তেমন কোন উপকারিতা আছে বলে মনে করা হয় নি। তবুও এটা যে নানা কারনে অভিভাবকরা বেছে নিতে পারেন, তা স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।
মূল সূত্র:
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৪
৬৭ টি মন্তব্য
৭৭৪ বার পঠিত,
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি
--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন
--------------------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :
আপনার ই-মেইল
আপনার বন্ধুদের ইমেইল
মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28952060 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান
--------------------------------------------------------------------------------
১. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৮
জোহান বলেছেন: প্রথম হয়েছি।
এখানে কিছু -
Click This Link ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:২১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে মন্তব্যটা বুঝতে পারলাম না।
২. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১১
আকাশ_পাগলা বলেছেন: ভাল লাগল। এভাবে ভাবিনি ত আগে।+ ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমাদের হয়ত ভাবার প্রয়োজন পড়েনি।
৩. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৬
ইসানুর বলেছেন: হুমমম পড়লাম। ৪. ১৭ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
আশরাফ রহমান বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু। প্রিয়তে রাখলাম। ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ ভাই। আপনার মতামত পেলে ভাল লাগত।
৫. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
রাগিব বলেছেন: অফ টপিক প্রশ্ন - আবদুল্লাহকে কি নন-কো-এডুকেশন স্কুলে দিয়েছেন/দিবেন? ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৫
লেখক বলেছেন: অন টপিক মন্তব্য রাখলে ভাল হত না?
যা হোক অফ টপিকের জবাব দিচ্ছি। এখনও ঠিক করিনি।
৬. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৭
প্রচেত্য বলেছেন: বেশ তথ্যবহুল পোষ্ট
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ইংরেজী লেখা থেকে কপি পেস্ট তো, সেজন্য তথ্য বেশী।
আর আমি নিজেও টেকনোলোজি ব্যাকগ্রাউন্ড, তাই তথ্য বেশী টানে।
৭. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৯
বিডি আইডল বলেছেন: এ ধরণের স্কুলের সংখ্যা কেমন? ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২২
লেখক বলেছেন: আমার নিজেরও খুব বেশী ধারনা নেই। ৩৬০ এর কথা পেলাম ইন্টারনেটে।
৮. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২০
রাজর্ষী বলেছেন: তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ। সব অপশানস ই থাকা উচিৎ। ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সব অপশানস ই থাকা উচিৎ - উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালার প্রেক্ষিতে একমত।
৯. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩২
অ্যামাটার বলেছেন: একমত নই। সিঙ্গেল সেক্স এড ব্যাক্তিত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্থ করে। ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৪৯
লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
কোএডে ব্যক্তিত্বের বিকাশ নিয়ে অনেকেই দ্বিমত পোষন করেছেন। নীচে দেখুন।
১০. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
কাপাসিয়া বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা। ধন্যবাদ। ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
১১. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: নটরডেম, ভিকারুন নিসা নুন এ কারণেই কি সেরা বলতে চান? সেই মাদ্রাসা থেকে ক্যাডেট কলেজ হয়ে নটরডেম পর্যন্ত সমকামীতার ঘটনা ছড়িয়ে গিয়েছে, তার প্রতিকার/কারণ কী? ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:২৩
লেখক বলেছেন: এখানে অনেক ভেরিয়েবল কাজ করে: শিক্ষকের যোগ্যতা, প্রশাসকের যোগ্যতা, স্কুলের কাঠামো, পরিবারের অংশগ্রহন, অর্থায়ন, কারিকুলাম এসব। যা উপরে মূল লেখায় কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে।
আর সমকামিতা বা এরকম ইস্যুর বিষয় তো আমার জানা নেই। সম্ভবত এগুলো এখনও নৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যহত করার পর্যায়ে যায় নি।
১২. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫০
রাগিব বলেছেন: স্যাক্সের তত্ত্বের ভুল গুলো নিয়ে অনেকে লিখেছেন। উইকিতে যা দেখলাম, তা তুলে দিলাম -
Mark Liberman, a professor of linguistics and computer science at the University of Pennsylvania, has questioned on his blog, Language Log, many of Sax's key claims . Language Log linguists have sustained a consistent criticism against Sax and his school, claiming that Sax makes use of small distribution differences between groups to make sweeping generalizations about group differences, and also arguing that there are often only tenuous connections between the assertions he has made and the citations he has used to support the assertions . Liberman argues that there are serious problems with Sax's claims about sex differences in hearing, vision, and connections between emotions and language. Liberman has asserted that many of Sax's claims are pseudoscience. Sax denies this criticism on his website.
এই সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কী? ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭
লেখক বলেছেন: স্যাক্সের সমালোচনামূলক লেখা হিসেবে গার্ডিয়ানের উদাহরন আমি দিয়েছি। যা উইকির মত ওপেন রেফারেন্সের চেয়ে বরং বেটার। কিন্তু স্যাক্সের সমালোচনা সত্ত্বেও সিংগেল সেক্স এডুকেশনের উপর আরো অনেকেই পজিটিভ মনোভাব দেখিয়েছেন। টেলিগ্রাফের কিছু লেখা পড়তে পারেন।
Click This Link
Click This Link
এছাড়াও ইন্টারনেটে আরো অজস্র লেখা রয়েছে। সিংগেল সেক্সকে সমর্থন করে এবং বিরোধিতা করে।
পাবলিক স্কুল যে চ্যালেন্জ্ঞের মুখোমুখি তাতে বিকল্প হিসেবে হোম স্কুলিং জনপ্রিয় হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে সিংগেল সেক্স এডুকেশনও জনপ্রিয় হতে পারে যদি সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে এগিয়ে যায়।
১৩. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
দিগন্ত বলেছেন: পাশ্চাত্যের পাবলিক স্কুলের অন্যতম সমস্যা ফ্রি মিক্সিং - যা টিন এজ মাতৃত্বের একটি বড় কারন।
- এটার কোনো রেফারেন্স আছে যে ফ্রি-মিক্সিং এর কারণেই টিন-এজ মাতৃত্ব ঘটে? চিনে (জাপান সহ পূর্ব এশিয়াতেও) সব স্কুলই কো-এড আর ফ্রি-মিক্সিং চলছে অনেককাল ধরেই কিন্তু টিন-এজ মাতৃত্বর সমস্যা নেই কারণ সেক্স চিনে ট্যাবু। ফ্রি-মিক্সিং টিন-এজ মাতৃত্বের কারণ এরকম ভাবার আগে পূর্ব এশিয়ায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভাল। ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭
লেখক বলেছেন: "কিন্তু টিন-এজ মাতৃত্বর সমস্যা নেই কারণ সেক্স চিনে ট্যাবু। "
"ফ্রি-মিক্সিং টিন-এজ মাতৃত্বের কারণ এরকম ভাবার আগে পূর্ব এশিয়ায় চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভাল। "
ফ্রি-মিক্সিং এর কনসেপ্ট থাকলে আবার চীনে সেক্স ট্যাবু হয় কি করে? কথাগুলো পরষ্পর বিরোধী হয়ে গেল না?
১৪. ১৮ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৫
ভালো-মানুষ বলেছেন: কষ্ট করে লিখেছেন, তাই ধন্যবাদ। তবে, স্যাক্স মশায় একটি বড় আকারের আবাল। এডুকেশনে এসে ভর করেছে লোকটার সেক্সুয়াল ট্যাবু! পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মৌলবাদী দেশ হচ্ছে আমেরিকা! কিছুই বলার নেই ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও পড়ার জন্যে।
আমেরিকাকে আপনার মৌলবাদী মনে হয়!!!!!!!!!!!!!!!!
১৫. ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৫৯
পাশা বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
বাংলাদেশের ইউনি গুলোতে যে সব ছেলেরা ক্যাডেট কলেজ অথবা মাদ্রাসা থেকে আসে তাদেরকেই বেশি নষ্ট হতে দেখা যায়। যারা কো এডে পড়েনি তারা সবসময় একটা হীনমন্যতায় ভুগে। ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৭
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
স্কুল পর্যায়ে এ বিষয়টি নিয়ে আমার ঠিক ধারনা নেই। তবে বাংলাদেশের বেশীর ভাগ স্কুলই এক লিংগিক। তাই কো-এড থেকে আসেনি বলে ক্যাডেটের বা মাদ্রাসার ছাত্রদের সমস্যার বিষয়টি বুঝলাম না। প্রায় সবাই তো নন-কোএড থেকে আসা।
১৬. ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য; এই বিষয়ে জানতাম না । ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
১৭. ১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৮
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার যা অভিজ্ঞতা হয়েছে বা প্রতিনিয়ত যা হচ্ছে... ... কো এডুকেশনকে এখন আমি ঘৃনাই করি !
যে যত যুক্তি ই দিকনা কেন, আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই এটা বলব, যতদিন না মানুষের মধ্যে সঠিক মুল্যবোধের বিকাশ হচ্ছে , ছেলেরা সহপাঠিদের মেয়ে না ভেবে সহপাঠি ই ভাবতে পারছে , ততদিন দরকার নাই কো এড এর ! যে যত কিছুই এখন বলতে আসুকনা কেন , এক হাজারটা ঘটনা শুনিয়ে দিতে পারবো ... যেটা শুনে , যেসব শুনে টাশকি খেয়ে যেতে হয় ... এদেশে আবার আইন ও হয়েছে... তাকানৈ যাবেনা , টিয করা যাবেনা...
কোন দিন আইন করে বন্ধ করা যাবে এসব ? যেই মেয়েটা শিকার হয় মানসিক নির্যাতনের , সে কখনো যায় বা যেতে পারে আইনের কাছে এসব অভিযোগ নিয়ে ??
১৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:১১
লেখক বলেছেন: আপু, মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
পাশ্চাত্যেও সমস্যার মুখোমুখি হয় বলেই তারা প্রতিনিয়ত এসব নিয়ে গবেষনা করছে। এটাও সত্য যে, সঠিক মূল্যবোধের বিকাশই সমস্যাগুলোকে সমাধানের ক্ষমতা রাখে।
১৮. ১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
সেতু জোহরা বলেছেন: ধন্যবাদ।তথ্যবহুল লেখাটার জন্য।আসলে সোহায়লা আপুর সাথে আমিও একমত।সবসময় কো-এড এ পড়ে এসেছি,এখনও পড়ছি।তাই খুব ভালোভাবে জানি কো-এড এর উপকারিতা আছে কি নাই।কেউ এটা স্বীকার করুক বা নাই করুক।আইন দিয়ে কখনও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করা যায়না।যে ব্যক্তিত্ব বিকাশের উদ্দেশে কো-এড করা হয়েছিল তা আসলে কখনও সুফল আনেনি।বরং মূল্যবোধের চরম অবনতি ঘটাইছে।পাশ্চাত্য রা তাই আজ এত দিন পরে হলেও এটা নিয়ে গবেষনা করছে। ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৩
লেখক বলেছেন: আপু, মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি নিজে স্কুল বা কলেজ লেভেলে কোএডে পড়িনি। কিন্তু যারা পড়েছে তাদের দেখেছি। খুব পার্থক্য আমার চোখে পড়েনি। আমার কখনও মনে হয় নি আমরা তাদের চেয়ে কিছু কম ম্যাচিউরড।
১৯. ১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
সেতু জোহরা বলেছেন: ধন্যবাদ।সুন্দর তথ্যবহুল লেখাটার জন্য।সোহায়লা আপুর সাথে আমিও এক্মত।সবসময় কো-এড এ পড়েছি,এখনও পড়ছি।তাই জানি কো-এড এ পড়ার উপকারিতা আছে কি নাই।কেউ স্বীকার করুক বা নাই করুক কো-এড কখনও সুফল বয়ে আনেনি।ব্যক্তিত্ব বিকাশের দোহাই দিয়ে আমরা আমাদের মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলতেছি।তাই আইন দিয়ে কখনও এই মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনা যাবেনা।পাশ্চাত্য সমাজ আজ তাই সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে গবেষনা করছে... ২০. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:০৩
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: কো এডে না পড়লে হীনমন্যতায় ভোগে , একমত নই।
ক্যাডেট থেকে আসা ছেলে অনেক স্মার্ট হতে দেখেছি , মাদ্রাসা থেকে পড়ে আসা অনেককেই সেরকম ভদ্র হতে দেখেছি। আমি কলেজ পর্যন্ত কোএড এ ছিলাম না , কোন দিন এটার জন্য কোন ধরণের হীনমন্যতা আসেনি মনে একমুহুর্তের জন্য ! কো এড এ না পড়ায় আমার ব্যাক্তিত্বের বিকাশ ঘটেনি বলেই বিন্দুমাত্র মনে করছিনা , যেটা সেইম আমার ভাইদের ক্ষেত্রেও। গভঃল্যাব বা আইডিয়াল এর ছেলেরা বা ভিকারুন্নেসা , হলিক্রসের মেয়েরা কোনদিন ব্যাক্তিত্বে সংকটে পড়েছে কিনা দেখিনাই...
এডুকেশন দরকার , আর সেটা সুন্দর পরিবেশে ... ... সোজা কথা ! এমন ভাবে ক্লাস করা যায়না যেখানে সারাক্ষন মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে পেছনের বেঞ্চে বসা "কিছু"ছেলেদের টিটকারী আর অসভ্য ভাষার কথা বার্তা শুনে ...
২০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
লেখক বলেছেন: মন্তব্য বরাবরের মতই গোছানো এবং যুক্তিশীল।
সুন্দর পরিবেশের কোন বিকল্প নেই। সেই সুন্দর পরিবেশটাই যেসব ফ্যাক্টরের কারনে বাধাগ্রস্ত হতে পারে, তার একটা হল কোএড। সেজন্যেই সিংগেল সেক্স এডুকেশন নিয়ে এত গবেষনা হচ্ছে।
২১. ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
দিগন্ত বলেছেন: ফ্রি-মিক্সিং এর কনসেপ্ট থাকলে আবার চীনে সেক্স ট্যাবু হয় কি করে? কথাগুলো পরষ্পর বিরোধী হয়ে গেল না?
মিক্সিং মানেই সেক্স নয় আর কো-এড মানেও সেক্স নয়। আশাকরি বোঝাতে পারছি। ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৪
লেখক বলেছেন: ফ্রি-মিক্সিং বলতে সাধারনত বাধাহীন মিক্সিং বোঝায়। চীনের মিক্সিংটা ফ্রী নয়। সেটা যদি বুঝিয়ে থাকেন তবে বুঝতে পারলাম।
চীন আমার পরিচিত নয় বলে মন্তব্য করতে পারলাম না। হ্য়ত চীনেও একসময় কোএড/সিংগেল নিয়ে গবেষনা হবে । পশ্চিম যেমন হচ্ছে।
২২. ১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫৯
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমি সিডনীর একটা সিংগেল সেক্স স্কুলে পড়েছি। মজার ব্যাপার হচ্ছে ক্যাথলিক বা ইসলামিক বা জুইশ স্কুলগুলো এখানে মিক্সড, কিন্তু সরকারী স্কুলগুলোর বেশির ভাগই সিংগেল সেক্স। আমার দেখা মতে, সিংগেল সেক্স স্কুল থেকে তো বিকাশ ভালোই হয়!
মিক্সড স্কুলে কারো কারো বিকাশ খুব ভালো হতেই পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি মিক্সড স্কুলের মেয়েরা নিজেদের দেখতে কেমন লাগছে সেটা নিয়ে বাড়াবাড়ি রকমের চিন্তিত। সিঙগেল সেক্স স্কুলের মেয়েদের যে বয়ফ্রেন্ড থাকে না, বা ওরা স্কুলের বাইরে সাজুগুজু করে না, তা বলছি না, কিন্তু স্কুলের ভিতরে থাকা মানে সেটা নিয়ে সার্বক্ষনিক চিন্তা, তটস্থ থাকা। বয়সটাই এরকম, এই বয়সের কচি কচি ছেলেমেয়েদের শুধু শুধু এই টর্চারে রাখার জন্য রাষ্ট্রের মাথারা এত উদগ্রীব কেন?
একই মানুষ নিয়ে প্রতিযোগিতার মত উদ্ভট এবং কুৎসিত ব্যাপার স্যাপারও হয়।
মিক্সড স্কুলে অনাকাংখিত ঘটনা অনেক বেশি, বাথরুমগুলোতে কিংবা লাইব্রেরিতে।
অন্তত: স্কুল জীবনে সুন্দর বিকাশ হতে হলে এই সব দূরে রাখা দরকার! ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪
লেখক বলেছেন: আমেরিকাতে অবশ্য পাবলিক স্কুল গুলো মূলত কোএড।
এলিমেন্টারি স্কুলটা মোটামুটি গ্রহনযোগ্য হলেও মিডল স্কুলের পরিবেশ নিয়ে অনেক অনেক রকম কমপ্লেন করে থাকেন। বাথরুমই নয় শুধু, বরং বাসে যাওয়া আসার ব্যপারটিতে নিয়েও নানা জনের কাছ থেকে নানা কথা শোনা যায়। সামগ্রিক ভাবে পাবলিক স্কুলের পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার মত কারন রয়েছে। যার ফলে অনেকেই বাচ্চাদের হোম স্কুলিং করিয়ে থাকেন।
সবশেষে, মন্তব্যের জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবে।
২৩. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
আমি বাংলার গান গাই বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার লেখার জন্য।
শুধু একটি বিষয় যোগ করতে চাই ইন্টারনেটে পড়ার সময় দেখেছি সিঙ্গেল সেক্স স্কুলের সাপোর্টাররা আরেকটি যু্ক্তি দিচ্ছে তা হল: কো এড স্কুলে সাবজেক্টগুলো অনেক ক্ষেত্রেই জেন্ডার রিলেটেড হয়ে পড়ে। যেমন মেয়েরা বলে কম্পিউটার ছেলেদের সাবজেক্ট, ছেলেরা বলে লিটারেচার মেয়েদের - এভাবে তারা ঐসমস্ত সাবজেক্ট নিতে নিরুতসাহিত বোধ করে। কিন্তু সিংগেল সেক্স স্কুলে এই সমস্যা হয় না।
সারা দুনিয়াব্যাপী যে সংকট চলছে তা আসলে নৈতিকতার সংকট। যারা কো-এডের অন্ধ ভক্ত তাদের কাছে আসলে নীতি নৈতিকতার তেমন কোন গুরুত্ব নাই। আর যিনি বলেছেন কো-এড থেকে না আসলে হীনমন্যতায় ভোগে তার কথার আদতেই কোন ভিত্তি নেই। বরং কো-এডে পড়া অনেকের মধ্যে কুতসিত মানসিকতার বিকাশ দেখেছি।
যাইহোক লেখাটির জন্য আবারো ধন্যবাদ। ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১১
লেখক বলেছেন: আপনাকে চমৎকার মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
কোএডের সাথে ব্যক্তিত্বের বিকাশ কিংবা হীনমন্যতা হীনতার আদৌ কোন সম্পর্ক আছে বলে মনে করি না।
২৪. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৫
মজনু পাটোয়ারী বলেছেন: বেশ কঠিন বিষয়। ভাবিয়ে তুললেন। ২০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
লেখক বলেছেন: হুমমমমম ...........।
২৫. ২০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
আওরঙ্গজেব বলেছেন: অনেক কিছুই জানার আছে। ধন্যবাদ। ২০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৮
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
২৬. ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
নুরুজ্জামান০৮ বলেছেন: + ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৭. ২১ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:১৮
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। ভিন্ন কিন্তু প্রকৃত অবস্থার চিত্র উঠে এসেছে। ধর্মের গন্ধ না খুঁজেও সামাজিকতা থেকে ইসলামের পরামর্শগুলির যৌক্তিকতা উঠে আসে এটাই প্রমাণ হয়। তবে সব ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেই অভিভাবকদের অংশগ্রহন সবচেয়ে বেশী জরুরী। ২২ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় কি কি সমস্যা হতে পারে এবং তার সমাধানের পথ কি হতে পারে - তা নিয়ে নিরন্তর গবেষনা হচ্ছে। এই লেখা সেটার উপর ভিত্তি করেই।
২৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
তারিক রিদওয়ান বলেছেন: ++++++++++++++++++++++ ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। তবে মন্তব্য পেলে আরো বেশী খুশী হতাম।
ভালো থাকবে।
২৯. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ৭:২৫
তারিক রিদওয়ান বলেছেন: আমার কিছু ফ্রেন্ড মনে করে, আসলে শুধু ফ্রেন্ড বললে ভুল হবে, এদেশের অনেক মানুষ এখন মনে করে কো-এড এর ক্ষেত্রেই বেশি সুবিধা।
আমি স্কুল জীবন কো-এডুকেশনে পড়িনি। কিন্তু কলেজে আসার পর কো-এডুকেশন এর সিস্টেম দেখে আমার বরং বেশ বিরক্তিকর লেগেছিল। কো-এডের সিস্টেম টাই আমার কাছে আগা-গোড়া ফালতু মনে হয়েছে। সন্ধ্যাবাতি আপু যা বলেছেন, মুলত আমার মতও তাই। খুবই অস্বস্তিকর ও বিরক্তিকর এক পরিস্থিতি এই কো-এড এ। x( ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৫৯
লেখক বলেছেন: আমি যখন বাংলাদেশে ছিলাম, তখন অনেকেই এই পৃথকী করন শিক্ষাকে ব্যাকডেটেড মনে করে কো-এড খুব আধুনিক ভাবত। আমার বুঝে আসত না, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানুষ পড়াশোনা করতে যাবে, সেখানে পৃথক শিক্ষা কি করে ব্যাকডেটেড হয়।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৩০. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২০
ব্রুটাস বলেছেন: কো-এডুকেশনের সমস্যা কী? ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
লেখক বলেছেন: Click This Link
Click This Link
৩১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
জাতি জানতে চায় বলেছেন: চমৎকার পোস্টের ধন্যবাদ! ব্যাপারটা অনেকটাই দৃষ্টিভঙ্গীর বিষয়! ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪০
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
দৃষ্টিভংগির বিষয়? অনেকটা। তবে তার উৎস তো জীবনের অভিজ্ঞতা। অন্তত পক্ষে পশ্চিমের ক্ষেত্রে।
৩২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: ব্রিটিশ বা আমেরিকানরা কো-এডুকেশনের জ্বালা বুঝার পর হয়ত অন্যরকম চিন্তা করছে। আমাদের এখানে অনেকের দৃষ্টিভঙ্গীতে এটা থেকে শেখার ইচ্ছে নেই, বরং আমেরিকান ও বৃটিশদের মত ঠেকে পড়ে শিখতে চায়!! তাদের মূল যুক্তি কো-এড না হলে ছেলে-মেয়ের মধ্যে সম্পর্ক সহজ হয় না!! অথচ আমার মতে এটা ফ্যামিলি গুলোর যথাযথ দৃষ্টিভঙ্গীর অভাবের কারনে হয়ে থাকে। যার দৃষ্টিভঙ্গী যে রকম আর কি!! ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৫
লেখক বলেছেন: সেটাই। ঠেকে না শিখলে বুঝি শেখা বাকী থেকে যায়!
৩৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩০
সরকার সেলিম বলেছেন: সুন্দর একটা পোষ্ট। ভালো লাগলো। ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৫
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: কো এডুকেশনের সমস্যা নিয়ে কেউ কেউ জানতে চেয়েছিলেন।
Click This Link
লিংক থেকে তুলে দিলাম।
Boys should be taught separately to stop them falling further behind girls as part of an extensive overhaul of the education system, a powerful Government-backed review says today.
Teachers should be encouraged to tailor classes to fit the needs of boys, with more emphasis on "competitive" lessons and the reading of non-fiction books, according to the review, chaired by Christine Gilbert, the head of Ofsted, the schools watchdog.
The recommendation follows the publication of GCSE results last summer which showed that boys were achieving a level of performance that girls had reached seven years before.
Today's report calls for a huge shake-up in the way education is delivered over the next 15 years to ensure that school leavers in 2020 have all the requisite skills.
"It seems clear to us that the education system will not achieve the next 'step change' in raising standards simply by doing more of the same: a new approach is required," it says.
The report, 2020 Vision, is the culmination of an eight-month study.
It says parents should get state funding to give their children extra private tuition if they are struggling with English or maths.
It also suggests that high-flying pupils should be allowed to sit exams early and progress to the next year if they are clever enough — calling for a generation of schools focused on "stage not age".
The national testing regime should also be reviewed, with school league tables redrawn to take account of the achievements of individual pupils at 16, rather than narrowly focusing on those who gain at least five good GCSEs.
It suggests that weak pupils who gain a D-grade or below should be given greater recognition with a new qualification. It would give them something to work towards rather than becoming disruptive.
It is thought likely that many of the reforms will be implemented given the millions ministers have earmarked for "personalised learning".
Last year, Beverley Hughes, the the children's minister, said the Government had set aside £1.3 billion to support similar initiatives.
The review was commissioned last year by the Government to establish how schools could adapt to push the brightest pupils yet reach out to persistent underachievers.
Miss Gilbert's report says that "for too many pupils, school does not engage them or equip them with the skills they need".
It notes that poor standards achieved by boys remained "extremely persistent" and calls for different techniques to be employed for the sexes.
Schools should invest in gender-specific curriculum materials, it says, and boys should be encouraged to read more non-fiction.
In a controversial move, it also suggests that ministers consider funding extra lessons for all pupils who are not making the grade in English and maths, from primary school through to GCSE.
"Pupils and their parents could be offered a range of options, some provided by the school, some by other approved providers," it says. Officials said this could include private tuition.
Alan Johnson, the Education Secretary, welcomed the report and said it would be considered before any policy decisions were made.
"I want to remove the barriers which prevent any individual child from reaching their full potential," he said. "We need to make sure that no one is left behind at any point — from the most gifted and talented children at the top of the class, to the uninterested child at the back."
Nick Gibb, the Conservative shadow education secretary, also welcomed the report but said that schools needed to return to streaming by ability, a recommendation overlooked by the study.
৩৫. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: হাই স্কুলে একটা অদ্ভুত সিস্টেম ছিল- ৬-৮ পর্যন্ত মেয়েরা আলাদা ক্লাসরুমে পড়ত- কিন্তু কিছু ক্লাস করানোর জন্য শিক্ষকের সংকট থাকায় (যেমন ধর্ম শিক্ষা) একসাথে ক্লাস হত-
মেয়েদের সাথে পড়ছি কিনা এইটা আসলে তো তখন মাথায় আসে নাই- আপনার লেখা পড়ে মাথায় আসল- আমার এলাকায় সব স্কুলই প্রায় কো-এড ছিল বলে হতে পারে অবশ্য-
বাংলাদেশে অবশ্য এর চেয়ে অনেক বড় বড় সমস্যা আছে- এইটা নিয়ে কেউ হয়ত এখনই ভাববে না-
কিশোরী মাতৃত্বের জন্য স্কুলের চেয়ে সমাজের ভূমিকাই বেশি মনে হয়- ফ্রি-মিক্সিং এর সাথে কো-এড এর সম্পর্ক কিছুটা হয়ত আছে- কিন্তু বড় ব্যাপার আসলে সমাজ- বাংলাদেশে কো এড স্কুলের অভাব নাই - কিন্তু এই সমস্যাও নাই- ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৮
লেখক বলেছেন: আপনার কথা সম্ভবত ঠিক। কো এড বাংলাদেশের জন্য সম্ভবত কোন সামাজিক সমস্যা নয়, কারন যারা কোএড থেকে এসেছে তাদের মধ্যে কোন সামাজিক সমস্যা দেখি নি।
তবে শিক্ষার যে মূল উদ্দেশ্য, তা এক লিংগিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়েই বেশী অর্জন সম্ভব। অন্তত আমার তাই বিশ্বাস। সেজন্যই নীচের পর্যবেক্ষনটি গুরুত্ব বহ:
Schools should invest in gender-specific curriculum materials, it says, and boys should be encouraged to read more non-fiction
এরকম আরো কয়েকটি স্টাডি জেন্ডার স্পেসিফিক শিক্ষাকে প্রমোট করার ইংগিত করছে।
আর সামাজিক সমস্যা তো আরেক ইস্যু।
Tuesday, November 17, 2009
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment