Tuesday, November 17, 2009

backup post

দেখা যাক ব্লগে প্রকাশ করতে পারি কিনা? - পারলাম দেখছি!!!!!!

আমার দুই গুনধর সন্তানের কান্ড! মাউসটাকে ধ্বংস করেছে। কি জানি কেন। মাউসটা দেখলেই তাদের ছুড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে। দফারফা না করা পর্যন্ত তারা শান্তি পায় না। মাউস নষ্ট তো তারা শান্ত।

কয়েক বার তাদের কারনে মাউস পাল্টানোর পর এখন মনে হল, থাক, কয়দিন মাউস ছাড়া থাকি। দেখি কতদিন থাকতে পারি।

এর ফলে ব্লগিং করাও বেশী একটা হচ্ছে না।

এখন চেষ্টা করে দেখছি কি বোর্ড দিয়ে কতটুকু যাওয়া যায়। নাহ, বেশী করতে পারছি না। কি-বোর্ড কি মাউসের বিকল্প হতে পারে!!!!!

আপনারা যারা ব্লগিং করতে পারছেন তাদেরকে আমার খুব সুখী মানুষ মনে হচ্ছে।

হ্যাপী ব্লগিং।




সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৭






এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৩৪ টি মন্তব্য
৫১৫ বার পঠিত,
আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি


--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন


--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল

আপনার বন্ধুদের ইমেইল

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28753493 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান


--------------------------------------------------------------------------------



১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫২
দ্বীপবালক বলেছেন: এইতো করে ফেললেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৮
লেখক বলেছেন: এখনও করছি। কি-বোর্ডকে যতটা খারাপ ভেবেছিলাম তা ততটা খারাপ নয়। চালাতে পারছি তো।


মুছে ফেলুন


২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫২
বজলু মহাজন বলেছেন: +


জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৩
লেখক বলেছেন: বজলু মহাজন, মন্তব্য বেশী ভাল লাগে।

তাও খুশী হলাম ব্লগ দেখেছেন বলে।


মুছে ফেলুন


৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৫
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: আশা করবো, তাড়াতাড়ি ফিরে আসবেন।

গুনধর সন্তানেরা এখন শান্ত!
হা হা হা....।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৫
লেখক বলেছেন: না ফিরে কি পারি। এখনও কি-বোর্ডে তবে কিছুটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।

মুছে ফেলুন


৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: যারা লিখেছেন, লিখবেন এবং লেখেন নি কিন্তু ব্লগে এসেছেন তাদের সবাইকে একসাথে ধন্যবাদ।

এই সাময়িক অসুবিধা কেটে গেলে আবারো আপনাদের বিরক্ত করতে আসব ব্লগে (ইনশাল্লাহ)।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৩
বাতিঘর বলেছেন: যাওয়ার আগে একটু বলে যাবেন- প্রিয় পোস্ট কিভাবে দেয়া যায়?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: পোস্টের নীচে হলুদ স্টারটাতে ক্লিক করে দেখুন তো। আমি তো চেক করতে পারছি না। আশা করি অন্যরা আপনাকে সাহায্য করবে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৪
বাতিঘর বলেছেন: ধন্যবাদ, অতি সহজ।




জানা থাকলে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
প্রচেত্য বলেছেন: ভাই কষ্টও পাইলাম আনন্দও পাইলাম
তবে কি-বোর্ড দিয়ে পিসি চালান
দেইখেন কি-বোর্ড ও যেন ..........
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৫
লেখক বলেছেন: সে সম্ভাবনাও আছে। কি-বোর্ডও যে কখন নষ্ট হয় কে জানে। তখন তো কানা মামাও থাকবে না।

মুছে ফেলুন


৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৬
খোলাচিঠি বলেছেন: গুণের সন্তানেরা দেখি গুণের একখান কাজ করসে !
ভাল। বাচ্চাদের টেকনিক্যাল নলেজ আর বারবে।
লেট দেম এঞ্জ্যয় ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
লেখক বলেছেন: গুনের সন্তানরা না শুধু বরং তাদের বন্ধু বান্ধবরাও এসে ঘরবাড়ীকে আস্তাবল বানিয়ে যায়। কখনই কেয়ার করিনা। তবে এখন যেহেতু ব্লগিং বন্ধ তাই বিরক্ত লাগছে। @খোলাচিঠি

মুছে ফেলুন


১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সুখী মানুষ
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০০
লেখক বলেছেন: আমারও তাই বিশ্বাস। জীবনকে পজিটিভ দেখতে চাই। দুঃখকে গায়ে লাগাতে চাই না।

পরম করুনাময় যাতে এমন কোন দুঃখ না দেন যা বইবার শক্তি আমার নেই।

মুছে ফেলুন


১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৯
আবাবিল বলেছেন: একবার দাওয়াত দিন, দেখি ওদের কিছূ টিপস দিয়ে আসা যায় কি না।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০২
লেখক বলেছেন: ব্লগের দাওয়াত নিয়মিত রাখুন - সেটা অনেক সহজ।

বাড়ীর দাওয়াত দিলে তো বেকায়দায় পড়বেন - রিকশা ভাড়া একটু বেশীই।

মুছে ফেলুন


১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৯
আবাবিল বলেছেন: বলা যায়না কি চাকরী পেয়ে বসি, তারপর বছর পাঁচেকের মধ্যেই টিকেটের টাকাটা জমিয়ে ফেলতে পারব ইনশাল্লাহ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৫
লেখক বলেছেন: আল্লাহ যদি চান তা হলে বোধ করি দাওয়াত কবুল করা সম্ভব। তবে টিপস নেবার সময় আর থাকবে না।

মুছে ফেলুন


১৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ব্লগানোর জন্য আবারো সবাইকে ধন্যবাদ। এখন ঘুমুতে যাচ্ছি। আশা করি এরপর মাউস নিয়ে পুরোদমে আবার আপনাদের জ্বালাতে আসব।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৭
খোলাচিঠি বলেছেন: ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
লেখক বলেছেন: গুনের সন্তানরা না শুধু বরং তাদের বন্ধু বান্ধবরাও এসে ঘরবাড়ীকে আস্তাবল বানিয়ে যায়। কখনই কেয়ার করিনা। তবে এখন যেহেতু ব্লগিং বন্ধ তাই বিরক্ত লাগছে। @খোলাচিঠি


are bloggin re gulli maren.
baccader creativity te beghat ghotayen na.
dorkar hole aro koyekta mouse dhorayen den.
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৮
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। আপনার পরামর্শ গ্রহন করা হল।

মুছে ফেলুন


১৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৯
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: সোজা একটা বুদ্ধি দিতে পারি। আপনার বাচ্চাদেরকে একটা আসল মাউস এনে দেখান। তারা সেটাকে ছোয়ার পর মাউস তারা ছুয়েও দেখবে না।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩১
লেখক বলেছেন: ভাল বুদ্ধি। তবে আসল জীব জানোয়ারের দাম একটু বেশী। লালন পালন করতেও ভালই খরচ। ঝামেলা তো আছেই।

পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


১৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩২
মিরাজ বলেছেন: গুণধর বাচ্চাদের জন্য আদর রইল। আমার বাচ্চারা আমার ল্যাপটপের কয়েক দফা দফারফা করার পর এখন শিখে গেছে

অবাক হলাম যে আপনি মাউস দিয়ে ব্লগিং করতেন!! কি- বোর্ড তো অনেক বেশী সহজ!!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

ল্যাপটপও রেহাই পায়নি।

কিন্তু কি-বোর্ড দিয়ে কি করে ব্লগিং করেন? কোনো মন্তব্যের জবাব দিতে চাইলে কি করে দেন?


মুছে ফেলুন


১৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৬
কোলাহল বলেছেন: কোরবানী শেষ করে মনে হচ্ছে গালগল্প ভালই জমেছে। বেশ, দিন দেখি পানের বাটা আর দাত খুচুনিটা। বসেই যখন পড়েছি....
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল আড্ডার আলাদা আনন্দ..........








মুছে ফেলুন


১৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কি বোর্ড দিয়ে সব কাজ করার মধ্যে কিন্তু একটা ভাব আছে ।
মাঝে আমার মাউসগুলো দ্রুত ইন্তেকাল করছিল বলে , কি বোর্ড দিয়ে বেশ কিছুদিন কাজ করেছিলাম ।

কলেজে থাকতে আমার এক ফ্রেন্ডকে কি-বোর্ডে কাজ করতে দেখে ভেবেছিলাম ......."বাব্বাহ , বিশাল বস" ।

আপনার বাচ্চাদের পাশে আপনাকে কি-বোর্ডে আপনাকে কাজ করতে দেখে আরেকবার ভাবছি .........."বাব্বাহ , বিশাল বস ...."
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৯
লেখক বলেছেন: চমতকার বলেছেন। এখনও চলছে কি-বোর্ড দিয়ে।


মুছে ফেলুন


১৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৪
বিবেক সত্যি বলেছেন: আপনার গুনধর সন্তানদের দেখতে চাই, ছবি পোষ্ট করুন প্লিজ...
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১২
লেখক বলেছেন: চেয়েছিলাম। কিন্তু ব্লগের পরিবেশ দেখে পিছিয়ে গেছি।


মুছে ফেলুন


২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মাউস নিয়ে আবার যাত্রা শুরু



"উই আর নন-ভায়োলেন্ট টু দেম, হু আর নন-ভায়োলেন্ট টু আস"। অনেকটা দম্ভের সাথেই অহিংস আন্দোলনের প্রস্তাব উড়িয়ে দিয়ে যিনি সমসাময়িক কালে চরম আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি হলেন ম্যলকম এক্স। কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং যখন সবাইকে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ে উতসাহিত করছিলেন, ম্যালকম তখন এটিকে অবহেলার সাথে পাশ কাটিয়ে যান তার এই বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে। তার ব্যক্তিত্ব, অসাধারন বাগ্মীতা ও আপোষহীন মনোভাব তাকে নিয়ে যায় জনপ্রিয়তা ও খ্যাতির শীর্ষে। তিনি সমালোচিত হয়েছেন কিন্তু তা তাকে মোটেও দমাতে পারেনি। তিনি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারীতে থাকলেও বিন্দুমাত্র আপোষ করেন নি নীতির প্রশ্নে। নিজের অবস্হানে তিনি ছিলেন অবিচল। কোনো বাধা বিপত্তিই তাকে শংকিত করে নি কখনও। যার মাশুল তাকে দিতে হয় আততায়ীর হাতে জীবন দিয়ে। তবে আততায়ী তার জীবন কেড়ে নিলেও পারেনি নীতিকে কেড়ে নিতে। তাই আজ নর্থ আমেরিকাতে ইসলামী আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে তাকেই গন্য করা হয়। তার অগনিত অনুসারী তার কর্মময় বৈচিত্রময় জীবনকে পৌছে দিয়েছে সাধারনের মাঝে, নূতন প্রজন্মের মাঝে।

ম্যালকম প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এই গ্রুপের চিন্তাভাবনা মূলধারার ইসলামের সাথে কিছুটা সাংঘর্ষিক। এটি মূলত কৃষ্ণাঙ্গদের সংগঠন। এই গ্রুপে তখন মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সহ প্রায় সব বড় বড় ফিগাররা ছিলেন। আলী তখন ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ জানান এই ভাবে, "দিস ওয়ার ইজ এগেইনস্ট মাই রিলিজিয়াস বিলিফ।" আলীর পদক কেড়ে নেয়া হয়। তিনিও একরোখা - এসব থোড়াই কেয়ার করেন। পরে অবশ্য আলীকে তার পদক ফিরিয়ে দেয়া হয়। যা হোক, আমার এই পোস্ট মূলত ম্যালকমকে নিয়ে। আমি তাতেই আলোচনা সীমিত রাখব। নতুবা প্রত্যেকের জীবন নিয়েই বিশাল ইতিহাস লেখা যায়।

ম্যলকম ন্যাশন অব ইসলামে থাকা কালে হজ্জব্রত পালন করেন। এটিই তার জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়। তিনি অনুভব করতে পারেন ইসলামে সাম্যের অর্থ। ইসলাম যে কালো সাদা ফকির আমীরের মধ্যে কোনো পার্থক্য করে না, সেটি হজ্জের মাধ্যমেই অনুধাবন করতে পারেন। তিনি ন্যাশন ছেড়ে দেন এবং হয়ে যান সুন্নী মুসলিম।

তার এই নূতন যাত্রাকে শুরুতে অনেকেই ভালভাবে নেয় নি। আলীসহ প্রায় সবাই রয়ে যান ন্যাশনের ছায়াতলে। তিনি তা বলে দমে যাবার পাত্র নন। একাই আবার গুছাতে চান সব কিছু। কিন্তু তার সেই উদ্যোগ থমকে দেয় আততায়ীর বুলেট।

ম্যালকম সমসাময়িক কালে রাজনৈতিক বিশ্বাসের জন্য হয়েছেন সমালোচিত। প্রেসিডেন্ট কেনেডির একজন নামকরা সমালোচক ছিলেন ম্যালকম। কেনেডি নিজেও কৃষ্ণাংগ অধিকারে বিশ্বাসী ছিলেন। তার সময়ে ইউনিভার্সিটি অব আ্যলাবামাতে কালোরা ভর্তি হবার সুযোগ পায়। কাজটা ছিলো বেশ কঠিন। কারন আলাবামার গভর্নর ওয়ালেস ছিলেন কালো আর সাদার একত্রীকরনের বিরোধী। তার সময়ে "ওনলি ফর হোয়াইটস" সাইনটি ছিল দৃশ্যমান। তার বিখ্যাত উক্তি, "আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন টুডে, আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন টুমোরো, আই ওয়ান্ট সেগরেগেশন ফর এভার।" কিন্তু কেনেডিও অনমনীয় ছিলেন। যার ফলে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা এট টাস্কালুসাতে কালোদের অর্ন্তভূক্তি নিশ্চিত হয়। ওয়ালেসের বিরোধিতা সত্ত্বেও।

কিন্তু তা সত্ত্বেও কেনেডির সমালোচনায় ম্যালকম ছিলেন মূখর। ম্যালকমের কেনেডি বিরোধী এই ব্যাপারটিকে আমি কখনই সমর্থন করিনি কারন আমি নিজেও কেনেডির ভক্ত। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়ে কেনেডিও মিথ্যা বলেছেন তবে তা যুদ্ধকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য। কেনেডির এই শান্তিপ্রিয় মানবতাবাদী ভূমিকা তাকে অনন্য করে তুলে। কিন্তু ম্যালকম বিভিন্ন ইস্যুতে তার সমালোচনা করে নিজেও হয়েছেন আলোচিত।

ম্যালকমের ইসলামী আন্দোলনের পেছনে যার অবদানকে গুরুত্ব দিতে হয় তিনি হলেন তার স্ত্রী এমা। এমাই প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের আভ্যন্তরীন সমস্যাগুলো তুলে ধরেন ম্যালকমের কাছে। এমার অকুন্ঠ সমর্থনেই ম্যালকম মূলধারার ইসলামে নিজেও সম্পৃক্ত হয়েছেন এবং অন্যদের সম্পৃক্ত করেছেন।

ম্যালকমকে নিয়ে আমেরিকায় যে মুভিটি হয়েছে তাতে ম্যালকমের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ডেনজেল ওয়াশিংটন। আমার এই লেখাটি অনেক আগে দেখা সেই মুভির স্মৃতি থেকে নেয়া। ভুল ত্রুটি থাকলে মার্জনা চাইছি।

কস্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।



সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১৯






এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৭৫ টি মন্তব্য
৭৮১ বার পঠিত,
আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি


--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন


--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল

আপনার বন্ধুদের ইমেইল

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28753644 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান


--------------------------------------------------------------------------------



১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৮
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
+

ইনফরমেটিভ পোস্ট। গুড।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ সারোয়ার।



মুছে ফেলুন


২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
পথহারা বলেছেন: আপা, '

'ন্যাশন অব ইসলাম ' এটা জিনিস, একটু বুঝাইয়া বলবেন কয়েক লাইনে?..or any reference?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৪
লেখক বলেছেন: আমেরিকার একটি প্লাটফর্ম। লুই ফারাহ খানের নেতৃত্বে। গুগল সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন। সেটাই সবচেয়ে ভাল হবে।

মুছে ফেলুন


৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪২
পথহারা বলেছেন: এটা জিনিস=এটা কি জিনিস
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
মাহিরাহি বলেছেন: ম্যালকমকে বলা হত কালোদের রাজপুত্র, ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য।


মুছে ফেলুন


৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: পোস্ট টা ভাল লাগল এমন আরো পোস্ট চাই।+
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে।


মুছে ফেলুন


৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: ওয়াও! এক্সিলেন্ট!
খুব সুন্দর হয়েছে। আরো একটু সাজিয়ে পেপারে পাঠিয়ে দিন।

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম।


মুছে ফেলুন


৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: লুই ফারাহ খানের ভাষণ আমি দেখেছি। এতো প্রাঞ্জল সহজ উপস্থাপনের ক্ষমতা দেখে বিস্মিত হয়েছি।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৪
লেখক বলেছেন: হ্যা। লুই ফারাহ খানের বক্তব্য চমতকার।


মুছে ফেলুন


৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৫
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।




মুছে ফেলুন


৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১০
পথহারা বলেছেন: [আলীসহ প্রায় সবাই রয়ে যান ন্যাশনের ছায়াতলে।]

আপা,

একটু আগে উইকি পড়লাম। আলী পরবরতিতে main stream
ইসলামে যোগ দেয় following ম্যালকম এক্স......

এটা উল্লেখ করলে মনে হয় ভালো হয়.....
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৮
লেখক বলেছেন: স্যরি। আলী বর্তমানে সুন্নী মুসলিম। যখন ন্যাশন ভাগ হয় তখনকার কথা বলছিলাম।


মুছে ফেলুন


১০. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৯
মুনিয়া বলেছেন: ভালো লাগল...
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।


মুছে ফেলুন


১১. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৪
বাঙাল যুবক বলেছেন: বাংলাদেশে এক আমেরিকান নেতা এসেছিলেন? তিনি কি লুই ফারাহ খান? মনে করতে পারছিনা। তবে তার বক্তব্য শুনেছি ।

ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪০
লেখক বলেছেন: মনে হয় লুই ফারাহ খান।

যতদূর মনে করতে পারি তার পকেট থেকে বারশ ডলার চুরি হয়ে যায়।



মুছে ফেলুন


১২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
আবূসামীহা বলেছেন: "There is nothing in the Quran, as you call it koran, that teaches us to suffer peacefully. Our religion teaches us to be intelligent, be peaceful, be courteous, obey the law, respect everyone. But if someone puts his hand on you, then send him to the Cemetery." - Alhajj Malik al-Shabazz (Malcolm X)
Malcolm, my brother! O prince of Islam! This ummah needs a man like you again. Today we have leaders who love us to suffer peacefully. The youth of the Ummah, who stood up to defend the honor of the ummah, so as to send those to cemetery who laid hand on us, are branded terrorists. Our rulers and intellectuals prefer peaceful suffering over dignified living.
Oh Allah! send us thousands of Malik Shabazz who will raise the honor of this ummah - "by any means necessary" - if the enemy is nonviolent then by way of nonviolence and if they are violent then violently.

Click This Link
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪২
লেখক বলেছেন: আবু সামীহা, আপনার লেখা পড়ে দেখি আমার কান্না চলে আসল।

ধন্যবাদ।


মুছে ফেলুন


১৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৭
আবূসামীহা বলেছেন: আমিতো এখনো কাঁদছি।
আমার চোখ ব্রাদার ম্যালকমের মত মানুষদের জন্য অবিরাম অশ্রু ঝরাতেই থাকবে,
তাঁর মত মানুষদের জন্য আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হতেই থাকবে।

আমার সমগ্র সত্ত্বা জুড়ে এ বাসনা জাগরুক থাকবে তাঁর মত মানুষদের সঙ্গী হওয়ার জন্য জান্নাতে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫০
লেখক বলেছেন: একমত। তবে আপনি যেহেতু বড় মাপের লেখক, তাই কান্নাকে প্রকাশ করতে হবে লেখায়। ম্যালকমের জীবনী নিয়ে আপনার কাছ থেকে তথ্যবহুল আর সাবলীল লেখা চাই।





মুছে ফেলুন


১৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
বাঙাল যুবক বলেছেন: আবু সামীহাকে ধন্যবাদ
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৫. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০০
কোলাহল বলেছেন: উম্মু আব্দুল্লাহ বলেছেন: কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং যখন সবাইকে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ে উতসাহিত করছিলেন, ম্যালকম তখন এটিকে অবহেলার সাথে পাশ কাটিয়ে যান তার এই বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে।



ম্যালকম অহিংস আন্দোলনকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তার মানে কি সহিংস আন্দোলন করেছিলেন ? এই সহিংস আন্দোলনের সাথে তার ইসলাম গ্রহনের কোন সম্পর্ক আছে কি?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৬
লেখক বলেছেন: তিনি মার্টিন লুথার কিং এর ফিলোসোফিকে গ্রহন করেন নি। তার সেই বিখ্যাত উক্তিটি তিনি কিং এর উদ্দেশ্যে বোধ করি ছিল। তিনি কালোদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে কিং প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন দেন নি।

আশা করি আমার চেয়ে যারা ভাল জানেন তারা ব্যাপারগুলো ব্যাখা করতে পারবেন। আমি যেহেতু স্মৃতি থেকে লিখছি তাই ভুল হওয়া বিচিত্র নয়।



মুছে ফেলুন


১৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০২
আবূসামীহা বলেছেন: আমি যে লিঙ্কটা দিয়ে ছিলাম আগে দয়া করে ওটা দেখুন।
Malcolm X - Prince of Islam.

Click This Link
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
আবূসামীহা বলেছেন: "ম্যালকমের ইসলামী আন্দোলনের পেছনে যার অবদানকে গুরুত্ব দিতে হয় তিনি হলেন তার স্ত্রী এমা। এমাই প্রথমে ন্যাশন অব ইসলামের আভ্যন্তরীন সমস্যাগুলো তুলে ধরেন ম্যালকমের কাছে। এমার অকুন্ঠ সমর্থনেই ম্যালকম মূলধারার ইসলামে নিজেও সম্পৃক্ত হয়েছেন এবং অন্যদের সম্পৃক্ত করেছেন।"
==========
উপরের ইনফরমেশনে একটু ভুল আছে। এমা ম্যালকমের বোন। তাঁর উৎসাহেই ম্যালকম হজ্জে গিয়েছিলেন যা তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ম্যালকমের স্ত্রীর নাম বেটি - পরবর্তীতে ডঃ বেটি আল-শাবাজ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫২
লেখক বলেছেন: ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। হ্যা, এমা হলেন বোন আর বেটি হলেন স্ত্রী। তবে বেটি ন্যাশনের ব্যাপারে তার কাছে প্রশ্ন তোলেন। সে প্রশ্ন ম্যালকমকেও সন্দিহান করে তোলে।

মুছে ফেলুন


১৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৪
আবূসামীহা বলেছেন: Eulogy speech by Actor Ossie Davis on Malcolm's funeral

Here at this final hour, in this quiet place, Harlem has come to bid farewell to one of its brightest hopes, extinguished now, and gone from us now forever. It is not in the memory of men that this beleaguered, unfortunate but nonetheless, proud community has found a braver more gallant young champion then this Afro-American who lies before us unconquered still. I say the word again as he would want me to "Afro-American, Afro-American Malcolm." Malcolm stopped being Negro years ago. It had become too small, too puny, too weaker word for him. Malcolm was bigger than that.

There are those who will consider it their duty, as friends of the Negro people, to tell us to revile him, to flee, even from the presence of his memory, to save ourselves by writing him out of the history of our turbulent times. Many will ask what Harlem finds to honor in this stormy, controversial and bold young captain — and we will smile. Many will say turn away — away from this man, for he is not a man but a demon, a monster, a subverter and an enemy of the black man — and we will smile. They will say that he is of hate — a fanatic, a racist — who can only bring evil to the cause for which you struggle! And we will answer and say to them: Did you ever talk to Brother Malcolm? Did you ever touch him, or have him smile at you? Did you ever really listen to him? Did he ever do a mean thing? Was he ever himself associated with violence or any public disturbance? For if you did you would know him. And if you knew him you would know why we must honor him.

Malcolm was our manhood, our living black manhood. This was his meaning to his people, an in honoring him we honor the best in ourselves. However much we may had differed with him or with each other about him, and his value as a man let his going from us serve only to bring us together now. Consigning this mortal remains to earth, the common mother of all, securing the knowledge that what we place in the ground as no more now a man, but a seed, which after the winter of our discontent will come forth again to meet us and we shall know him then for what he was and is, a prince -shining prince who didn't hesitate to die because he loved us so.

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৭
লেখক বলেছেন: স্পীচটি খুব টাচি।

মুছে ফেলুন


১৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১১
শমশের আলম শোভন বলেছেন: ওকে আন্ডারস্টুড করলাম যে আপনেরা সহিংস আন্দোলনের বড় ভক্ত৷ নাসারাগো দ্যাশে বইসা নিমকহারামি করতাছেন তো ভালোই
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২০. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৩
ডোরাকাটা বলেছেন: তুমি যে তুমার তুলনা......
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৭
"কুদরত আলী" বলেছেন: বলেছেন: ম ্যালকম-এক্স সম্পর্কে লেখা গুলো পড়লাম। এখন কিছু প্রশ্ন? ম্যালকম-এক্স একজন দাগী আসামী এবং আমেরিকান কারগিার কতৃপ ম্যালকম-এক্সকে সমস্ত রকম মানবাধিকার সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন যাতে তিনি উনার কতকর্মর শাস্তি ভোগ করার পরে সম্মানৈর সাথে সমাজে ফিরে যেতে পারেন। ব্যপিারঠি কি সম্বভ হতো আস্তমেয়ের শরীয়া আইনে। ম্যালকম-এক্স কে হয়তো দোররা মারা হতো,কিংবা হাত কাটা হতো। আর শেষ হয়তো গলা কাটা হতো শেষৈ। যদি আমি মেনে নেই ম্যালকম-এক্স এর মহাত্ব তা কিন্ত ইসলামের দান নয়। দান আমেরিকার কারাগার ব্যবসহার। ঐশলামিক আইনে তিনি হয়তো হারিয়ে যেতেন এক হাত কাটা ভিখারী হিসাবে।

বলতে চাই আমেরিকা বর্নবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্যর পরিবর্তন ঘটিয়েছে তার সামাজিক বিপ্লবের মাধ্যমে।ইতিহাস পযালোচনা করলে দেখা যাবে ,কৃতিত্বআব্রাহাম লিক্নন দাস প্রথ িউঠিয়ে দেয়ার জন্য আর নেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস সামাজিক পরিবর্তনের এে তৈরির জন্য। আন্দোলনের কৃতিত্ব যাবে মাটিন লুথার কিং বা রোসা পার্কের াছে। সাংবিধানিক পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দিয়েছে ইউ এস সুপ্রিম কোট।ম ্যালকম-এক্স র ভমিকা খুবই কম এবং প্রশনবিদ্্ব ঐতিহাসিকদের কাছে। তিনি ধর্মের নামে পরিবর্তন আনতে যেয়ে বিছিছন্নকরেছেন মুল আন্দোলনকে। উসকে দিয়েছেন ব্লল্যাক প্যানহরি জাতীয় দলগুলোকে।চরমপনিহ আনেদালনখে বেগবান করেছেন। ফল হয়েছে যে সামাজিক পরিবর্তন বাধা প্রাপ্ত হয়েছে। উনার ধর্মযইি হোক আমেরিকার পরিবতর্নে ম ্যালকম-এক্স র ভূমিকা খুবই কম এবং কোন কোন ঐতিহাসিক ওনাকে চরমপনিহ বলবেন। আরও জানাচিছ কালো কমুনিটি ম ্যালকম-এক্স কে তাদের এাতা মনে না করে , মূল সমস্যা থেকে ডিসট্রকিশন মনে করে।। আইন যদিহয় ভালো সময়ে হাত কাটা তহিলে আপনরি হিরোর হাত কাটা যেতো। ঐশলামিক আইন সেদিক দিয়ে সফল।
আমেরিকার কালোরা অনেক এগিয়েছৈ গত কয়েক দশকে। কৃতিত্ব যাবে ষাটের দশকের আনেদালন মাটিন লুথার কিংকিংবা আলবামার বাস বয়কট এর রোসা পার্কের। সততর দশকের সামাজিক পরিবর্তন এনফোর্সড বাই ইউ এস সুপ্রিম কোর্ট বিশাল অবদান রেখেছে। কেনেডী,জনসন এবং নিক্সন প্রেসিডেনিস রেখেছে বিশাল ভুমিকা ।সকল প েএকএ্র কাজ করেছেন,আপনার হিরো ছাড়া। ধর্মের নামে তিনি সমাজকেদই ভাগে ভাগ করেছেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৯
লেখক বলেছেন: ম্যালকমের অবদান আছে বলেই তার স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশিত হয়েছে (আমার স্মৃতি যদি বিশ্বাস ঘাতকতা না করে)।

আমি উগ্রবাদে বিশ্বাস করি না। সেজন্য প্রথম প্রথম ম্যালকমকে আমার ততটা ভাল লাগত না। পরে যখন বর্ন বৈষম্যের আসল রূপটি দেখি, তখন আমি ম্যালকমসহ হাজারো কালোদের মানসিকতা বুঝতে পারি।

ম্যালকম পরবর্তী জীবনে সাদাদের প্রতি অনেকটাই নমনীয় হয়ে ছিলেন।

মুছে ফেলুন


২২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:০৮
প্রচেত্য বলেছেন:
ম্যলকম এর জন্য তো শ্রদ্ধাই রইলই
আপনার প্রতিও সম্মানের স্তরটি অনেক উচুতে স্থান করে নিলাম
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রচেত্য। লজ্জা লাগল কিছুটা। আমি সম্মানের ততটা যোগ্য নই।



মুছে ফেলুন


২৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:১২
দ্বীপবালক বলেছেন: সুন্দর লিখিয়াছেন। ম্যালকম এক্স সম্পর্কে অনেক কিছু জানা হইল লেখা এবং মন্তব্য সমূহ হইতে। ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৩
লেখক বলেছেন: আপনাকে ব্লগ পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আমার অসময়ের এলোমেলো ভাবনা গুলো যদি পড়ার যোগ্য মনে করেন তবে আমি সার্থক।


মুছে ফেলুন


২৪. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৫
আবূসামীহা বলেছেন: জনাব কুদরত আলী,
মুসলিম বিদ্বেষে আপনি অন্ধ জানি। কিন্তু যে ধরণের মন্তব্য করলেন এক মহান ব্যক্তি সম্পর্কে তা কোনভাবেই জাস্টিফাই করা যায়না। ম্যালকম তার প্রথম যৌবনে যে উচ্ছৃংখল জীবন যাপন করেছেন তাও বর্ণবৈষম্যের শিকার হওয়ার কারণে। হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টরা [ সাদা বর্ণবাদীরা] তাঁর পিতাকে হত্যা করলে তার মা পাগল হয়ে যান। ফলে তিনি এবং তার ভাই বোনেরা কোন রকমের যথার্থ অভিভাবকত্ব ছাড়াই বড় হয়েছেন। ফলে সৃষ্টি হয় তার জীবনের প্রাথমিক উচ্ছৃংখলতাগুলো। আর সেগুলোও মূলতঃ বেঁচে থাকার প্রয়োজনে। আর বেঁচে থাকার প্রয়োজনে যারা অপরাধ করে ইসলাম তাদের শাস্তি দেয়না। ইসলাম শাস্তি দেয় তাদেরকে যারা অপরাধপ্রবণ এবং বিনা কারণে অন্যের অধিকার নষ্ট করে ও সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে।

ম্যালকম তার জীবনকে সংশোধন করেছেন। নিজেকে নিজে শিক্ষিত করেছেন। কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে আত্মমর্যাবোধ সৃষ্টি করতে চেষ্টা করেছেন। তিনি মিলিট্যান্ট ছিলেন শব্দে, কাজে নয়। এটা এজন্য ছিল যাতে কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে সাদাদের প্রতি যে ভীতি ছিল তা চলে যায়। ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো কোন সহিংস ঘটনায় অংশ নেননি বা কাউকে সেজন্য নিয়োগ করেননি। বরং নিজেই সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এজন্যই আমার আগে উদ্ধৃত করা অভিনেতা ওসি ডেভিসের বক্তব্যের একটা অংশের দিকে চোখ ফেরাতে বলবঃ
There are those who will consider it their duty, as friends of the Negro people, to tell us to revile him, to flee, even from the presence of his memory, to save ourselves by writing him out of the history of our turbulent times. Many will ask what Harlem finds to honor in this stormy, controversial and bold young captain — and we will smile. Many will say turn away — away from this man, for he is not a man but a demon, a monster, a subverter and an enemy of the black man — and we will smile. They will say that he is of hate — a fanatic, a racist — who can only bring evil to the cause for which you struggle! And we will answer and say to them: Did you ever talk to Brother Malcolm? Did you ever touch him, or have him smile at you? Did you ever really listen to him? Did he ever do a mean thing? Was he ever himself associated with violence or any public disturbance? For if you did you would know him. And if you knew him you would know why we must honor him.

ম্যালকম সাদা কালোদের মাঝে বিভেদ ঘুচাতে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করেছেন। বর্ণবাদী পরিচয় বাদ দিয়ে তিনি হতে পেরেছিলেন উদার সর্বগ্রাহী। আর আজ এজন্য কালোদের নিগ্রো না বলে আফ্রিকান-আমেরিকান বলা হয় যা ম্যালকমের বানানো টার্ম "afro-american" থেকেই নেয়া।

ম্যালকমের মত মানুষেরা চিরকাল বেঁচে থাকবেন সুন্দর পৃথিবী আকাঙ্খী মানুষদের অন্তরে। আর ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টিকারী কুদরত আলীদের নাম কেউ কখনো মনে রাখবেনা। রাখলেও রাখবে ঘৃণার উপাদান হিসেবে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪
লেখক বলেছেন: আবু সামীহা, আবারো আপনার লেখা পড়ে কাদলাম। আসলে ম্যালকমের মত উচু মানুষ নিয়ে লেখার কোন যোগ্যতা আমার নেই। আপনার এই মন্তব্য গুলোই এই লেখার প্রান।

আমি আপনাকে ম্যালকমকে নিয়ে একটি পোস্ট দেয়ার অনুরোধ জানাই। পারলে ইংরেজীটুকু অনুবাদ দেবেন।

মুছে ফেলুন


২৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
আবূসামীহা বলেছেন: চেষ্টা করবো, আপু।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আরেকটি অনুরোধ।

ইসলাম শেষ সম্বল আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে অস্ত্র ধারনের অনুমতি দিলেও তা কঠিন শর্তের জালে বাধা। ম্যালকমের পরিস্থিতিতে যা মানানসই, তা স্বাভাবিক অবস্থায় বেমানান।

তাই যে কোন সহিংতাকে আমি মনে করি নিরুতসাহিত করা উচিত। ধৈর্য এবং সহনশীলতা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করাটাই প্রথম কর্তব্য।

আমি এই নিয়ে তর্কে যেতে চাই না। তবে আমার দৃষ্টিভংগি ব্যাখা করলাম।


মুছে ফেলুন


২৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১১
আবূসামীহা বলেছেন: "ইসলাম শেষ সম্বল আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে অস্ত্র ধারনের অনুমতি দিলেও তা কঠিন শর্তের জালে বাধা।"
এর সাথে আমারো দ্বিমত আছে। আমি অবশ্য বিতর্ক করছিনা। নীচের লিঙ্কে একটা লেখা আছে ইংরেজীতে।

Click This Link

আর ম্যালকমের ব্যাপারটা হল, তিনি মূলতঃই ভায়োলেন্ট ছিলেননা। তাঁর পূরো সংগ্রামী জীবনে একবারও তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোন সহিংস কাজে অংশগ্রহন করেননি এবং এর নির্দেশও কাউকে দেননি। যতটুকু মিলিট্যান্সি ছিল তার মধ্যে তা ছিল তার কথায়। এবং তা ছিল একটা স্ট্র্যাটেজির অংশ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৮
লেখক বলেছেন: ম্যালকম প্রতিবাদী হলেও সহিংসতাকে কথায় কিংবা কাজে কোন ভাবেই উস্কে দেন নি। এ ব্যাপারে আমি একমত।

বরং তিনিই বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন।




মুছে ফেলুন


২৭. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
ভাল পোস্ট। অনেক কিছু জানলাম।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩
লেখক বলেছেন: ওয়াস সালাম।

ভালো লেগেছে তাই খুশী হলাম।

মুছে ফেলুন


২৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

কুদরত আলীর কাজই হলো মানুষের চরিত্রের ব্ল্যাক সাইড খুঁজে বের করা। আরে ব্ল্যাক তো থাকবোই। হোয়াইট সাইড যদি বেশি হয় সেটা বলবেনা?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৬
লেখক বলেছেন: ভাল মন্দ সব মানুষেরই থাকে। তবে বীর সাহসী আর মানবতাবাদীদের দোষটুকু সহজে চোখে পড়ে না।

ম্যালকম মানুষ হিসেবে ছিলেন অসাধারন। তার একটি সভায় এক সাদা মেয়ে অংশ নেয় এবং পরবর্তীতে ম্যালকমের পাশে দাড়ানোর অভিপ্রায় জানায়। সে মুহুর্তে ম্যালকম তাকে এড়িয়ে যান কারন তিনি তখন সাদা কাউকে তার সাথে চাচ্ছিলেন না।

পরে সে জন্য দুঃখ করেছেন। তিনি বলেছেন, "তাকে আমি অনেক খুজেছি। পাই নি।"



মুছে ফেলুন


২৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৫
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ঠিক বলেছেন এরকম হওয়াটা স্বাভাবিক।

একটা পক্ষে আন্দোলন করলে হুট করে অন্য পক্ষকে সাদর সম্ভাষণ জানানো যায় না। ম্যালকমের ওটা দোষ ছিলো না। বরং নিজের পক্ষের প্রতি নিষ্ঠাই প্রকাশ পেয়েছে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫২
লেখক বলেছেন: এই ব্লগে ডানপন্থী, বামপন্থী সহ বহু মতের মানুষ আছে। তবে সত্যিকার মানবতাবাদী আছেন গুটিকয়েক। সেই গুটিকয়েকের মধ্যে আপনি একজন। ম্যালকমকে কি আপনার কাছে ভাল না লেগে পারে?



মুছে ফেলুন


৩০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০২
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: চোখ ভিজে উঠলো আপু আপনার মন্তব্যে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। নিজের উপর বিশ্বাস করুন।


মুছে ফেলুন


৩১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৭
শমশের আলম শোভন বলেছেন: হৃদয় ছুয়ে যায় লেখাটিতে৷ চলুন না আজই মেলকমের আদর্শে ঝাপিয়ে পড়ি৷ আপনিও করতে পারেন৷ যুদ্ধ এখনই শুরু করতে হবে আর দেরী নয়
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৬
লেখক বলেছেন: ম্যালকমের ব্যাক্তিত্ব আমার নেই। তাও চেষ্টা করি মানুষকে সম্মান দিতে।



মুছে ফেলুন


৩২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:২৮
শমশের আলম শোভন বলেছেন: বেক্তিত্ব দরকার নেই৷ যার যা কিছু অস্ত্র আছে তা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া উচিত৷ যেমন আপনি রান্না ঘরের এক্টা ছুরি নিয়ে দুটো কাফের মেরে আসতে পারেন, সেই অবদান মুসলিমরা হাজার বছর মনে রাখবে৷
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৯
লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তাধারা ম্যালকমের আদর্শের বিপরীত। ম্যালকম বোধকরি আপনার প্রিয় ব্যক্তি নন। আপনার প্রিয় ব্যক্তিত্ব বোধকরি ম্যালকমের পিতৃঘাতক। লেখা পড়ে তাই মনে হচ্ছে।



মুছে ফেলুন


৩৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৪৩
শমশের আলম শোভন বলেছেন: আমার ত ধারনা আপনি মেলকমকে বুঝেন নি৷ উনি বলেছেনঃ "উই আর নন-ভায়োলেন্ট টু দেম, হু আর নন-ভায়োলেন্ট টু আস"৷ আজ কাফেররা লাখে লাখে মুসলিম হত্যা করছে, আর আপনি বলছেন চুপ করে থাকতে
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩০
লেখক বলেছেন: আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করি। অন্যায় দেখে চুপ করে থাকাটা আমার স্বভাব নয়। সহনশীলতা আর ধৈর্যের অর্থ অন্যায় মেনে নেয়া নয়।

যা হোক, আপনার সাথে আর আলোচনায় যাচ্ছি না। কারন এসব কথা এই পোস্টের সাথে অপ্রাসংগিক।





মুছে ফেলুন


৩৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৪৫
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: কালো আমেরিকানদের মাঝে ম্যালকমের প্রভাব এখনো অতুলনীয়। কথায় কথায় তারা উনার উদাহরন নিয়ে আসেন। কোন এক হজ্জে উনি তো একটি যুগান্তকারী ভাষনও দিয়েছিলেন। সম্ভবত. ইউটিউবে এখনো আছে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩৮
লেখক বলেছেন: হ্যা, কালোদের মাঝে তিনি প্রবাদ পুরুষ।
সেজন্যই তারাই এই নর্থ আমেরিকার মুসলিম সমাজের মূল ধারা।

এই সময়ে ইমাম সিরাজ ওয়াহাজ হলেন সমাজ সংস্কারক এবং ইসলামী দাওয়া কর্মকান্ডে অগ্রদূত।





মুছে ফেলুন


৩৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: ধ্বংসের কিনারা থেকে উঠে দৃঢ বিশ্বাসী হয়ে আলোয় কিভাবে জীবনকে উদ্ভাসিত করা যায় ম্যালকম তার বলিষ্ঠ উদাহরন। তিনি শুধু নিজেকে বাচাননি, এ আলোর দ্যুতি তিনি হোয়াইট হাউজেও পাঠাতে সক্ষম হয়েছিলেন। পেরেছিলেন হতাশা, মাদকাশক্তিতে আসক্ত একটা জাতির মধ্যে প্রাণের স্পন্দন আনতে। নির্ভয়ে সত্য কথা বলতে পেরেছিলেন। সেজন্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তাঁকে বাচতেও দেয়নি, কিন্তু তিনি বেঁচে আছেন লক্ষ লক্ষ মানবতাবাদী মানুষদের মনের মুকুরে।

ডেট্রোয়েটে মুসলিম অমুসলিম কালোদের মাঝে ম্যালকম মিশনের তত্‌পরতা দেখেছি।
আল্লাহ্‌ সুবহানাহু তাআলা তাঁকে বেহেশত নসীব করুন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১১
লেখক বলেছেন: একমত আপনার সাথে। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।


মুছে ফেলুন


৩৬. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৫
শান্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১২
লেখক বলেছেন: ভাল লাগাতে পেরেছি জেনে খুশী হলাম।


মুছে ফেলুন


৩৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৩২
শমশের আলম শোভন বলেছেন: আন্টি, নতুন ল্যাখা দেন, এইটা লম্বা হয়া গেছে লোড হইতে টাইম লইতাছে
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ব্যক্তিকেন্দ্রিক আর এই পোস্টের সাথে অপ্রাসংগিক মন্তব্য গুলো মুছে ফেললাম।

যে কোন অপ্রাসংগিক মন্তব্যে আমার প্রিয় পোস্টে রাখা পোস্ট টিতে করুন।


জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
স্হপতি বলেছেন: ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


৪০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৭
ত্রিভুজ বলেছেন:

+

প্রিয় পোস্টেড!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

মুছে ফেলুন


৪১. ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আজ হাইওয়েতে ম্যালকমের নামে একটি রাস্তা দেখলাম, "ম্যালকম এভিনিউ"। তখন আমার এ লেখাটির কথা মনে এল। ম্যালকমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেখে খুব ভাল লাগল।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন



প্রতিবার থার্টি ফাস্টে অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে যায়।পত্র পত্রিকার শিরোনামের অনেকটাই দখল করে থাকে থার্টি ফাস্ট নাইটের রমরমা কাহিনী। উচু তলার লোকজন তো বটেই সাধারন মধ্যবিত্তদের মাঝেও এটি যেন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। পর্নো মুভি, নেশাদ্রব্য, আপত্তিকর নাচ গান সহ বিভিন্ন আজে বাজে বেহায়ামিপূর্ন কীর্তিকলাপ দ্বারা থার্টি ফাস্ট উদযাপন গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে চলে আসছে। ফলে অবধারিত ভাবে জন্ম নেয় টি এস সি চত্বরে "বাধন"দের কাহিনী।

এবারেও সম্মুখীন থার্টি ফাস্ট। প্রয়োজনে টাস্ক ফোর্স দিয়ে হাই সোসাইটির এসব উচ্ছৃংখলতা দমন করুন। এতে সাধারন জনগনকে আপনাদের পাশে পাবেন।

সরকারের প্রতি আমার এই আহবান।





সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৫






এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ২৬ টি মন্তব্য
৫০২ বার পঠিত,
আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ১৩ জনের ভাল লাগেনি


--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন


--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------
এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন
আপনার নাম :

আপনার ই-মেইল

আপনার বন্ধুদের ইমেইল

মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28755016 , please visit the link and rate it if you like. :-)
নিজেকেও একটি কপি পাঠান


--------------------------------------------------------------------------------



১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৩
হাসিব বলেছেন:

উদ্ধৃতি

পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ।


খুব মূল্যবান তথ্য দিলেন দেখি একটা । কৈত্থিকা পান এইসব ?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩০
লেখক বলেছেন: পত্র পত্রিকা মূল সোর্স। কয়েকদিন অপেক্ষা করুন। আবারো পেপারে আসবে।



মুছে ফেলুন


২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:২৫
জেনারেল বলেছেন: পর্ণো মুভিতে থার্টি ফার্ষ্ট উদযাপন করে নাকি?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩০
আশরাফ রহমান বলেছেন: দাবীর সাথে সহমত।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:০৭
সিকদার আলি আহসান বলেছেন: বর্তমান প্রজন্ম ৩১ ডিসেম্বর এর উদযাপন করতে যেয়ে কিছু অসামাজিক আচরন যে করে থাকে তা’ কারো অজানা নয়।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: প্রয়োজনে টাস্ক ফোর্স দিয়ে হাই সোসাইটির এসব উচ্ছৃংখলতা দমন করুন।
সহমত
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩
জেনারেল বলেছেন: শাওনের সাথে একমত
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সহমত প্রকাশ যারা করেছেন তাদের ধন্যবাদ। যাদের থার্টি ফাস্ট নিয়ে সন্দেহ আছে তারা বোধ করি বাধনের ঘটনা কিংবা গত বছরের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো জানেন না। অতি প্রকাশ্য এসব ঘটনা না জানা থাকলে আশ্চর্যের কথাই বটে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২২
মুনিয়া বলেছেন:
একমত হতে পারছি না- বিশেষত, ''পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফার্স্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ''- এই কথাটুকু মানতে পারছি না।

পর্নো মুভিতে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন উতসাহিত করা হয়েছে কিভাবে জানি না, তবে এই উৎসবটাকে মিডিয়া(প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক) যেভাবে পাবলিসাইজ করেছে- তাতে এর জনপ্রিয় না হওয়াটাই অস্বাভাবিক।

মিডিয়া যেভাবে ভ্যালেন্টাইন্স, থ্যাংকস গিভিং, থার্টি ফার্স্ট নাইট- এইসব ভিনদেশি কালচারকে পাবলিসাইজ করছে, একই ভাবে কিন্তু পহেলা বৈশাখ, বসন্ত বরণ - এইসব দেশি সংস্কৃতিকেও অনেকটাই জনপ্রিয় করেছে তরুণদের কাছে।

আসলে গ্লোবালাইজেশনের এই প্রভাবটা সব দেশেই কমবেশি পড়েছে। এ থেকে মুক্ত থাকা একরকম অসম্ভব। বিশেষত তরুণদের মধ্যে এখন শুধুমাত্র নিজদেশের সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে রাখার বদলে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির আস্বাদ নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে।

এটাই উচিত কিনা সে ভিন্ন প্রসঙ্গ। তবে বাস্তবতা এটাই।

আর উচ্ছৃংখলতার ব্যাপারে কি বলব- সোসাইটি এটার দিকেই যাচ্ছে। বাঁধনের ব্যাপারটা আসলে আমাদের সোসাইটিতে সোশাল চেইঞ্জটা আনব্যালান্সড ওয়েতে হওয়ার কারণেই হয়েছে। পশ্চিমে এর চেয়ে অনেক বেশি উদ্দাম আনন্দ হয় কিন্তু মেয়েদের হেনস্থা হয় না। কারণ ওদের লাইফস্টাইল হয়ে গেছে ওটা।

সময়োপযোগী প্রসঙ্গ তবে আরও বিশ্লেষণী হওয়া ডিমান্ড করে আপনার সাবজেক্ট।
ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৮
লেখক বলেছেন: মুনিয়া, বিশ্লেষনী না হওয়ার জন্য ক্ষমা চাইছি। আসলে আজকেই এক পত্রিকায় এই নিয়ে একটি লেখা দেখে গত বছরের ঢাকা আর চট্টগ্রামে থার্টি ফাস্টে ঘটে যাওয়া ভয়ংকর পত্রিকার রিপোর্টগুলো মনে পড়ল। তাই যা মনে ছিল (পত্রিকা রিপোর্টের সারবানী) তাই ব্লগে তুলে দিলাম। যেহেতু ফাস্ট হ্যান্ড নলেজ নেই, তাই ভুল হওয়া বিচিত্র কিছু নয়। আর থার্টি ফাস্টের রেওয়াজটি আমাদের সময় ততটা পপুলার ছিল না।

লেখাটি মুছেই হ্য়ত ফেলতাম কিন্তু আপনার আর মাহবুবার সুন্দর আলোচনার জন্য রয়ে গেল।

ধন্যবাদ আপনাকে।

মুছে ফেলুন


৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২৪
নাদান বলেছেন: মুনিয়া খুব ভাল বলেছেন।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১০. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২৯
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: আমাদের দেশে ভিন্দেশী যে জিনিশ গুলা আশে কেম্নে যেন এক্টু বেশী জোশ পাইয়া যায়।

মুনিয়া বলেছেন
আর উচ্ছৃংখলতার ব্যাপারে কি বলব- সোসাইটি এটার দিকেই যাচ্ছে। বাঁধনের ব্যাপারটা আসলে আমাদের সোসাইটিতে সোশাল চেইঞ্জটা আনব্যালান্সড ওয়েতে হওয়ার কারণেই হয়েছে। পশ্চিমে এর চেয়ে অনেক বেশি উদ্দাম আনন্দ হয় কিন্তু মেয়েদের হেনস্থা হয় না। কারণ ওদের লাইফস্টাইল হয়ে গেছে ওটা।

আমি সম্পুর্ন ভাবে একমত।

পানি আর তেল সহজে মিশে না এই যা

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫২
নতুন বলেছেন: ""প্রয়োজনে টাস্ক ফোর্স দিয়ে হাই সোসাইটির এসব উচ্ছৃংখলতা দমন করুন।""

যত বেশি দমনের চেস্টা করবেন ...এরা তত বেশি ফান পাবে...কারন এরা এইসব উচ্ছৃংখলতা করতে যায়.. excitement এর জন্য...

একে সহজ ভাবে নিলে পরে ...কিছুদিন পরে এরা মজা হারিয়ে ফেলবে... :-)
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৯
মানুষ বলেছেন: যার মনে যা
ফাল দিয়া ওঠে তা
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৭
দ্বীপবালক বলেছেন: থার্টি ফার্স্ট নাইটটাই বা উদযাপন করিতে হইবে কেন, আমাদিগের দেশে? বৎসরখানি বাঙ্গালী সংস্কৃতির সহিত কোন্‌ প্রকারে জড়িত?
দাবীর সহিত একমত।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ। ফলে জন্ম নেয় টি এস সি চত্বরে "বাধন"দের কাহিনী।


ভালোই কইছেন ভাইডি! আপনে ভালোই মিথ্যা কথা বলেন। আমিও তো যুবক তাই নিজে এবং আমার ফ্রেন্ড সার্কেল দিয়া বিচার কইরা কইয়া দিলাম। অবশ্য এখন তো মানুষ চানরাইতে যা করে তা মনে হয় আপনে ড্রইং রুমে বইসা কিছুই দেখেন না!আর বাংলাদেশ মনে হয় শতাব্দিতে এক বার এক বাধনের অকারেন্স এক বিশেষ রাতে হইছিলো আর পাকিস্তানে হুদুদ আইন নিয়া প্রতি মাদিন মুখতারান মাইয়ের মতো ফোরএক্স এ্যাডাল্ট ফিল্মের জন্ম দেয় দিনের বেলা জনসম্মুখে সেটা নিয়া বোধ হয় কারো গায়ে ব্যাথা নেই। অবশ্য এসব জঙ্গীদেশে আমরা শুধু দেখি আমেরিকা কেমনে বাশ দেয় সেই ঘটনা, মাগার মুসলমানরা যে কত নীচ হইয়া কত সুন্দর বাশ দেয় সেটা এড়ায়া যাই। আসলে আত্নসমালোচনা বইলা যে কোরআনে কিছু লেখা সেইটা আমরা বরাবরই ইগনোর করি!

মাইন্ড খাইয়েন কিন্তু আমি আজকা একটু এক্সাইটেড কারন কালকে থার্টিফার্স্ট তো!
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
পান্জেরী বলেছেন: আ.আলাইকুম,
ভাল পোস্ট। যাদের পোস্ট টি পছন্দ হয়নি, তাদের কি ঐসব খারাপ রুচিহীনদের কাজ গুলো ভাল লাগে?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা....থার্টি ফাস্র্টে কবে পর্নো দেখলাম মনে পড়েনা......আমি একজন মধ্যবিত্ত তরুন.......হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা.......না জাইনা লেখেন ক্যান? কয়টা জরিপ করছেন লেখার আগে?হাহাহাহাহাহাহাহাহা....থার্টি ফাস্টে পর্নো মুভি
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯
মদনবাবু বলেছেন: পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ। ফলে জন্ম নেয় টি এস সি চত্বরে "বাধন"দের কাহিনী।



......হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা......

অসহনীয় মাথাব্যাথার চিকিৎসা করান নিজের ।
তারপরে আইসেন নয়া তত্ব কপচাইতে ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




১৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮
মাহবুবা আখতার বলেছেন: থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন নিয়ে উচ্ছৃংখলতা হয় আমাদের দেশে (শুধু আমাদের দেশেই না, আরো অনেক দেশেই হয়, কালচারটা পশ্চিমা, উচ্ছৃংখলতা ওরাও করে)....
আরেকটা বিষয় হল আমাদের দেশের আর সবকিছুর সাথে থার্টি ফার্স্ট নাইটের তেমন কোন সম্পর্ক নেই। যেহেতু ওটা অ্যাডাপ্টেড কালচার, সেহেতু ওটা আমাদের কালচারের সাথে পুরো মিশবে না কখানোই এটা বোঝাই যায়। ইংরেজি নববর্ষ হিসেবে একটা দিন আনন্দ করায় কোন দোষ ছিল না, কিন্তু আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে যে জিনিসগুলোর চর্চা (যেগুলোর কারণে বাঁধনের ঘটনা ঘটেছিল) শুরু হয়েছে সেগুলো খারাপ।
সমস্যাটা হল আপনার লেখায়-"পর্নো মুভি দেখে থার্টি ফাস্ট উদযাপন বহু বছর ধরেই যুব সম্প্রদায়ের রেওয়াজ। " এই বক্তব্যটা নিয়ে। এটা আপনি একেবারেই ঠিক বলেননি। যারা পর্ণো দেখে তারা কি কেবল থার্টি ফার্স্ট নাইটে দেখে?
নাহ!
আমার তা মনে হয় না।
যারা দেখে তারা সব নাইটেই দেখে।
অনেকে হয়ত পর্ণোও দেখে না,উচ্ছৃংখলও না, কিন্তু থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে দুটোই করার সুযোগ পেয়ে গেল---এটা নিঃসন্দেহে খারাপ।
আমাদের দেশের সামাজিক পরিবর্তনের যে গতি আর ধরণ তাতে মেয়েদের হিন্দি সিরিয়াল দেখা যতটা সহজে কালচার হয়ে যাচ্ছে, থার্টি ফার্স্ট নাইটের নাচ গানটা তত সহজে হবে না। হওয়া সম্ভবই না।
বোধহয় একারণেই এখন আশপাশে আর থার্টি ফার্স্ট নাইট নিয়ে অতটা মাতামাতি আর দেখি না।
আপনার লেখার টপিক সিলেকশনকে অবশ্যই সাধুবাদ জানাতে হবে। তবে আপনার কথাটা ঠিকমত বোধহয় আপনি বুঝিয়ে বলতে পারেননি।
লেখার জন্য ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৯
লেখক বলেছেন: তাড়াহুড়ায় লিখা। তাই অনেক কথা সংক্ষেপে হয়ে গেছে। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমার কথাগুলো পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ের প্রকাশনা থেকে নেয়া। এসব মিথ্যা হলে তো ভালই। কিন্তু সত্য হলেই সমস্যা। আর সেই সমস্যার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সে জন্যই পোস্টটি দেয়া। আমিও চাই মিথ্যা হোক।

আপনার মন্তব্য খুবই সুন্দর। পোস্টটি হয়ত মুছে ফেলতাম। কিন্তু আপনার আর মুনিয়ার মন্তব্যের জন্যই রয়ে গেল।

মুছে ফেলুন


১৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৭
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

আসলে উম্মু আবদুল্লাহ আপু বলতে চেয়েছেন পর্নো মুভি যারা দেখে, তারাই থার্টি ফার্স্ট নাইটে উছৃংখলতা করে। বাক্যটা একটু জটিল হয়েছে মাত্র।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৬
লেখক বলেছেন: সারোয়ার ভাই, থার্টি ফাস্ট নিয়ে উচ্ছৃংখলতার অবসান চাইছি। এটা বোঝা অন্যদের পক্ষে এত কঠিন হচ্ছে কেন?

তবে কি তারা থার্টি ফাস্টের উচ্ছৃংখলতা সমর্থন করে? মনে রাখা প্রয়োজন বাধনের ঘটনার পেছনে ছিল এক ছাত্রলীগ কর্মী। নৈতিকতা বিহীন ধর্ম নিরপেক্ষ এসব মানুষজনের পক্ষে সব কিছুই সম্ভব। মানিকের ঘটনাও তাদের চরিত্র প্রকাশ করে।



মুছে ফেলুন


২০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: যাক, এ বছর অনেকটা ভাল গিয়েছে। পত্রিকার শিরোনাম দেখে তাই মনে হল।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




২১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
বিবেক সত্যি বলেছেন: সরকার সচেতন থাকলে সব নোংরামিই দূর করা সম্ভব !
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন




০১ লা জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
লেখক বলেছেন: আমিও তাই মনে করি।

মুছে ফেলুন

Tuesday, May 5, 2009

লালনের মূর্তি

গত কয়েক দিন ধরেই ব্লগ উত্তপ্ত ছিল লালনের মূর্তি সরানো সংক্রান্ত ঘটনায়। কেউ এর পক্ষে বলছেন, কেউ বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সারাংশ যা বুঝলাম তা হলো, ব্লগারদের বেশীরভাগই লালনের মূর্তি স্থাপনার পক্ষে। সামহোয়ার কর্তৃপক্ষও একই অবস্থান থেকে একটি পোস্ট স্টিকি করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে সামহোয়ারে সরকার ও ভাংচুরকারীদের সমালোচনাও অনেক বেশী হয়েছে।

আমি লালনের মূর্তি সরানো বিষয়ক সংবাদ এই সামহোয়ারেই দেখতে পাই। পত্রপত্রিকায় এ সংবাদ তেমন কোন গুরুত্ব নিয়ে ছাপা হয়েছে কিনা কে জানে। অন্তত আমার চোখে পড়েনি। আমি অবশ্য ইত্তেফাকসহ গুটিকয়েক পত্রিকাই পড়ে থাকি। কয়েক নজর চোখ বুলানো মাত্র। না, সেখানে এই সংবাদটি তেমন গুরুত্ব পায় নি। গুরুত্ব সহকারে হেড লাইন হয়ে থাকলে নিশ্চয়ই চোখে পড়ত।

মূর্তি সরানোর বিষয় নিয়ে তো অনেকেই অনেক কথাবার্তা বলেছেন। আমি এখন আর নূতন করে কি বলব। আমার বক্তব্য, মন্তব্য এই ব্লগে খুব যে আদৃত হয়, তাও নয়। ব্লগীয় মানুষের একরাশ বিরক্তি উৎপাটন ছাড়া আর কোন ফল পাওয়া যাবে - এই বিশ্বাস নিজের উপর আমার নেই। আর তাছাড়া আমি দিন এনে দিন খাই টাইপের সাধারন ছা পোষা মধ্যবিত্ত এক মানুষ। আমার সময় কাটে সংসারের ভাবনায়, চাকুরীর ভাবনায়। কি করে সন্তানদের মানুষ করব, সে চিন্তায়। দেশে কোথায় কি হয়ে গেল - সেটা দিয়ে আমার মত মানুষের কিই বা এসে যায়। ক্ষমতাহীন ছা পোষারা শুধু সংবাদ পড়েই যায় - এর বাইরে তেমন কিছু করতে পারেনা। তার উপরে আবার আমি প্রবাসের হাজারো সমস্যায় জর্জরিত।

তাও কিছু বিষয় নিয়ে লেখার তীব্র বাসনা থেকেই আমার এই পোস্টের অবতারনা। প্রথমেই বলে রাখছি, আমার এ লেখা লালনের মূর্তি সরানো সম্পর্কিত নয়। লালনের মূর্তি থাকবে কি সরবে - সে নিয়ে আমার খুব উচ্চ বাচ্য নেই। আমি মূর্তি স্থাপনার বিরুদ্ধে, কিন্তু এও জানি যে পৃথিবীর সব কিছু আমার ভাল লাগার মত করে হবে না। সুতরাং এই মূর্তি থাকল কি সরে গেল - সেটা আমাকে খুব বেশী বিচলিত করে না। এই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেবার ক্ষেত্রে নিজের সীমাবদ্ধতার বিষয়ে আমি পুরোপুরিই সচেতন। তাই কার মূর্তি কোথায় থাকবে বা না থাকবে - তার ব্যপারে নির্লিপ্ত ভূমিকা নেয়াটাই শ্রেয় ভাবছি। মধ্যবিত্তের স্বাভাবিক গা বাচানো মানসিকতা আর কি।

আরেকটু ব্যাখা করি। আমরা গনতন্ত্রে বিশ্বাস করি। গনতন্ত্র মানেই সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতকে বেশী গুরুত্ব দেয়া। যার ফলে আমরা উন্নত বিশ্বে ক্রিসমাসে ছুটি পেলেও ঈদে পাই না। এটাই সত্য। এই বাস্তবতা অন্য সংখ্যা লঘুদের মেনে নেয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষ যদি মূর্তি স্থাপনার বিষয়টি মেনে নেয়, তবে আমি বাস্তবতার হাতে নিজেকে সমর্পন করা ছাড়া আর কোন বিকল্প দেখছি না।

এরও ব্যতিক্রম আছে। সংখ্যাগুরু হলেও যে সব সময় তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হয়, তা কিন্তু নয়। এই বিষয়টি আসলে অনেকটাই প্রভাব প্রতিপত্তির উপর নির্ভরশীল। যার জ্বলন্ত প্রমান তুরষ্ক। তুরষ্কে জাস্টিস এন্ড ওয়েলফেয়ার পার্টি হিজাব ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়। মানুষের কাছে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ স্কার্ফধারী নারীদের অফিসে, স্কুলে পুনর্বাসন করবে। কিন্তু না। তারা পারছে না হিজাবের অধিকার ফিরিয়ে দিতে। সেখানে বাধ সেধেছে সেনাবাহিনী। বিরোধীদের যুক্তি, নারীরা যারা হিজাব করে না, তাদের অধিকার অনুভূতি ব্যহত হবে যদি হিজাবিনীদের অফিস করার অনুমতি দেয়া হয়। তাদের অধিকার ও অনুভূতিকে সম্মান জানাতেই নাকি হিজাব বিরোধী এরকম সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এটাই হল বাস্তব। কে কখন প্রভাবশালী হবে তা আমাদের জানা নেই। আমার মত ছা পোষা মানুষেরা তা নির্ধারন করেনা। যার ফলে এইসব নিয়ে আলোচনায় এই মুহুর্তে যাবার কোন ইচ্ছে আমার নেই। আমার এই পোস্টের মূল প্রসংগ দুইটি। এই দুইটি বিষয়েই আমি আলোচনা করতে চাই। আপনারা মন্তব্যও করবেন এই দুইটি ইস্যুতে। প্রসংগ দুটি হল:

১। ইসলাম মূর্তির ব্যপারে কি বিধান দেয়?

২। নিয়ম তান্ত্রিক আন্দোলন না করে মোল্লাদের এই আস্ফালন কেন?

আমার ধারনা ছিল মূর্তির ব্যপারে সবাই একমত যে ইসলাম মূর্তিকে প্রচন্ড ভাবে নিরূৎসাহিত করে। কিন্তু তারপরেও দেখছি কেউ কেউ এ ব্যপারে এখনও সন্দিহান। তাদের জন্য আমার উচিত ছিল মূর্তি বিরোধী হাদীস গুলো সংকলন করা। কিন্তু এই মুহুর্তে হাতের কাছে সেসব নেই। হাদীসগুলো বেশ বিখ্যাত। "আমি মূর্তি ভাংগার জন্যে প্রেরিত হয়েছি" - এরকম বেশ অনেক হাদীস। ইসলাম অনলাইনের এই লিংকটি যারা ইন্টারেস্টেড তারা দেখতে পারেন। যাতে স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্তিকে সম্মান দেখাতে মূর্তি তৈরীকে নিষিদ্ধ বলা হয়েছে। Click This Link

এতো গেল সম্মান দেখাতে মূর্তি বানানোর বিধান। পুরাকীর্তির বিষয়ে অবস্থান কিছুটা ব্যতিক্রম। ফেরাউনকে একটি নিদর্শন হিসেবে ভবিষ্যৎবানী দেয়া হয়েছে তাতে এটা স্পষ্ট অতীত কর্মকান্ডের এসব নিদর্শন সংরক্ষন ইসলাম শুধু অনুমতিই দেয় না, বরং ক্ষেত্র বিশেষে উৎসাহিত করে। যেটা বাধা দেয় তা হল ব্যক্তি বিশেষের মূর্তি নির্মান যা সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে। আর সম্মানের উদ্দেশ্যে নির্মিত ব্যক্তি মূর্তি ব্যতীত শিশুতোষ খেলনার ক্ষেত্রে ইসলামের একই বিধান প্রযোজ্য নয়, বরং কিছুটা আলাদা। যার অনুমোদন বিভিন্ন হাদীসে এসেছে। সেসব নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এই পোস্ট জাম্বো সাইজের হয়ে যাবে। সারাংশ যা তা হল, পূর্ন শরীরের ব্যক্তি মূর্তির কোন অনুমোদন ইসলামে নেই।

লিংকে যেহেতু বিধান নিয়ে আলোচনা রয়েছে তাই আমি আর সে বিষয়ে এর চেয়ে বেশী বিস্তারিত কিছু বলছি না। আর আমি তো কোন ইসলামিক স্কলার নই। তাই আমার নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা খুব দ্রুতই প্রকাশ পেয়ে যেতে পারে। সেজন্যে আপাতত ক্ষান্ত দিচ্ছি।

দ্বিতীয় যে ইস্যুটি নিয়ে সবার মাথা ব্যথা, তা হল, মোল্লারা কেন নৈরাজ্য তৈরী করে বার বার। মোল্লাদের প্রতিবাদ কেন এরকম সহিংস আর অসহিষ্ণু? কেন তারা বার বার একই আচরন করে থাকে।

বলা উচিত, আমিও যে কোন ধরনের সহিংস আন্দোলনের বিরুদ্ধে। সেটা মোল্লারাই করুক, কিংবা নন-মোল্লারা। কোন ভাংচুর বা নৈরাজ্য কোন অবস্থাতেই সমর্থনযোগ্য নয়। সেটা যেই করুক না কেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, মোল্লাদের এই ভায়োলেন্ট প্রতিবাদ কি তাদের নিজস্ব মূল্যবোধ আর শিক্ষার সাথে কোন ভাবে জড়িত?

এই নিয়ে লিখতে গিয়ে প্রথমেই আমার স্মৃতিতে একটা ঘটনা চমকে গেল। অনেক আগের কথা। বুশের বিভিন্ন নীতি তখন বিভিন্ন রাষ্ট্রে প্রবল সমালোচনার ঝড় তুলেছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান তো বটেই - ইন্দোনেশিয়া সহ আরো অনেক দেশে বেশ বিক্ষোভ মিছিল হচ্ছে। দেখা গেল সৌদি আরবে এরকম কোন কিছু হচ্ছে না। রাষ্ট্রদূত বন্দরকে জিজ্ঞাসা করা হল, কি ব্যপার? সৌদিরা যে প্রতিবাদ মিছিল বের করছে না? বন্দর উত্তর দিয়েছিলেন, "দেখুন। এরকম মিছিল মিটিং ঠিক সৌদি কালচার নয়। আমাদের মানুষেরা এরকম করে থাকে না। তবে আমরা তাদের চোখে অসীম ঘৃনা দেখতে পাচ্ছি। সেটা আমাদের অজানা নয়।"

এই ঘটনা এই জন্য উল্লেখ করা যে কখন কোথায় মানুষ কি ভাবে প্রতিবাদ করবে তা মূলত সংশ্লিষ্ট এলাকার সংস্কৃতির উপর নির্ভর করে থাকে। বাংলাদেশে যেহেতু সহিংসতা একটি প্রচলিত কালচার, মোল্লারা তাই সেটাতে অভ্যস্ত। এদেশে সরকার বদলের সাথে সাথে চর দখলের কায়দায় চলে হল দখল, প্রকাশ্যে জুতা পেটা করা হয় বিরোধী মতাবলম্বনকারীদের, এমন কি শুধুমাত্র হরতাল সফল করার জন্য যাত্রীবাহী বাসে দেয়া হয় আগুন। এইসব ঘটনা যত না মোল্লারা ঘটিয়েছে, তার চেয়েও অনেক অনেক বেশী ঘটিয়েছে নন-মোল্লারা। সুতরাং মোল্লাদের এই সহিংস আস্ফালন তাদের বাংলাদেশী চরিত্রের স্বাভাবিক বহিপ্রকাশ মাত্র। মোল্লাদের গায়ে বাংলাদেশী গন্ধ রয়েছে বলেই কথায় কথায় তারা নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে।

উপসংহার বেশী দ্রুত হয়ে গেল। তবে আর লেখার ইচ্ছে নেই। ব্যস্ততার কারনে ড্রাফটেও রাখলাম না। তাই আপাতত এইটুকুই রইল।

ধন্যবাদ সবাইকে।



লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম, ইসলাম ;






এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৬০ টি মন্তব্য ৫৭৮ বার পঠিত, আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ২৩ জনের ভাল লেগেছে, ২৬ জনের ভাল লাগেনি



--------------------------------------------------------------------------------

এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন



--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------

এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন
আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন

আপনার নাম :


আপনার ই-মেইল


আপনার বন্ধুদের ইমেইল


মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a nice wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28856738 , please visit the link and rate it if you like. :-)

নিজেকেও একটি কপি পাঠান




--------------------------------------------------------------------------------



১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৩ আল-আমিন বলেছেন: সত্যিই ভালো লাগলো আপনার লেখা। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অন্তত একজনের হলেও ভাল লাগল।

মুছে ফেলুন


২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০০ বিবিধ বলেছেন: "গনতন্ত্র মানেই সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতকে বেশী গুরুত্ব দেয়া। যার ফলে আমরা উন্নত বিশ্বে ক্রিসমাসে ছুটি পেলেও ঈদে পাই না। এটাই সত্য। এই বাস্তবতা অন্য সংখ্যা লঘুদের মেনে নেয়ার কোন বিকল্প নেই। তাই বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষ যদি মূর্তি স্থাপনার বিষয়টি মেনে নেয়, তবে আমি বাস্তবতার হাতে নিজেকে সমর্পন করা ছাড়া আর কোন বিকল্প দেখছি না।

এরও ব্যতিক্রম আছে। সংখ্যাগুরু হলেও যে সব সময় তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হয়, তা কিন্তু নয়। এই বিষয়টি আসলে অনেকটাই প্রভাব প্রতিপত্তির উপর নির্ভরশীল। যার জ্বলন্ত প্রমান তুরষ্ক।"

আপনার এ কথার সাথে পুরোপুরি একমত। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

মুছে ফেলুন


৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৩ রাশেদ বলেছেন: কিছুই বুঝি নাই! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৪
লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ে গেলেন বলে ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৪ দিগন্ত বলেছেন: মোল্লাদের গায়ে বাংলাদেশী গন্ধ রয়েছে বলেই কথায় কথায় তারা নৈরাজ্যের পথ বেছে নিয়েছে

বুঝলাম ... !! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
লেখক বলেছেন: বুঝেছেন বলে ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৩ বিডি আইডল বলেছেন: যে কেউ সৎ কাজ নিয়ে আসবে, সে তার চাইতে উৎকৃষ্ট প্রতিফল পাবে এবং সেদিন তারা শংকা থেকে নিরাপদ থাকবে। যে কেউ অসৎ কাজ নিয়ে আসবে, তাকে অধোমুখে নিক্ষেপ করা হবে আগুনের মধ্যে এবং তাদের বলা হবে, ‘ তোমরা যা করতে তারই প্রতিফল তোমাদেরকে দেয়া হচ্ছে।’ -সূরা নাম্‌লঃ ৮৯-৯০ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৪
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আয়াতটি দেবার জন্যে।

মুছে ফেলুন


৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৬ সিফাতরক্‌স বলেছেন: আপনি তোভাই অনেক অলস। আইলসামি কোরতে কোরতে এতো বড় কিছু ভাইবা ফালাইছেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৯ দ্বীপবালক বলেছেন: বেশ ভাল লিখা। ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:২৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

মুছে ফেলুন


৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৯ ক্ষ্যাপা বলেছেন: হ, সব দোষ এই বাংগালী জাতের ।
মোল্লারা বাংগালী জাতের বইলায় এরা নৈরাজ্য করে, চেচনিয়ার স্কুলে বাচ্চাগোরে মারছিলো যারা হেরাও বাংগালী আছিলো, লন্ডনে বোমা মারছিলো যে ছাগুরা হেরা ও বাংগালী আছিলো, স্যাটানিক ভার্সেসের জাপানী অনুবাদকরে খুন করছিলো যে মোল্লা হে ও বাংগালী আছিলো?

বোনডি, আপনে কোন জাতের?

আপনের কথা এক অর্থে ঠিক । মোল্লাগো এই নৈরাজ্যরে ঠেকাইতে অইলে বাংগালী তরিকার বিকল্প নাই যেমুন '৭১ এ মোল্লাগোরে ক্যাঁচকি মাইর দেওন হইছিলো, তেমন কইরা বাংগাল মাইর দিতে অইবো ।

কষাইয়া মাইনাস দিলাম জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩২
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি যে ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন সেগুলো সন্ত্রাস। এরকম সন্ত্রাসের ইতিহাস বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনেও আছে। এর সাথে সাধারন দাবী আদায়ের আন্দোলনকে এক করে দেখাটা অন্তত আমার মতে উচিত নয়।

৭১ এ তাহলে মোল্লাদের মার দিয়েছিলেন। আপনি নিশ্চিত যে তার লক্ষ্য আসলে মোল্লাদের মার দেয়া?

মুছে ফেলুন


৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:২৩ ত্রিভুজ বলেছেন:
লেখাটা মনে হলো অসম্পূর্ন...

বেশ কিছু অংশের সাথে একমত হলেও বাংলাদেশ বিষয়ক মন্তব্যে একমত নই। "বাংলাদেশী চরিত্র" আমি দেখি অন্য দেশ থেকে অনেক ভাল। আমেরিকায় দেখুন, নিউইয়র্কে এক ঘন্টা কারেন্ট নেই তো সব লুট পাট হয়ে শেষ! বাংলাদেশে যে পরিমান লোড শেডিং সেটা আমেরিকায় হলে কি হতো ভেবে দেখেন। কিছুদিন আগে আমেরিকার একটি রাজ্যে ভয়াভয় প্রকৃতিক দূর্যোগ হলো। চরম বিপদে পড়া মানুষ গুলো এর ভেতরে খুন, লুটপাট ও ধর্ষনের শিকার হলো। বাংলাদেশে এরকম কোন নজীর নাই।

বিশ্বের অন্যসকল দেশের দিকে তাকান। ভারতের কাহিনী দেখেন.. ভারতীয় বুদ্ধিজীবির মুখেই জানুন তাদের দেশের জনগণের কথা-
Click This Link

এই তুলান জাতি হিসেবে আমরা বহু বহুগুন ভাল..


আর মূর্তির বিষয়টা আসলে চেতনা/দেশপ্রেম থেকে আসছে না, ওটা টোটালি একটা রাজনৈতিক ইস্যু।

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশীদের চরিত্র অনেক উদার। এছাড়া আরো অনেক ভাল দিক আছে। কিন্তু সহিংসতা এখনও এদেশে আন্দোলনের প্ধান অস্ত্র। কর্তৃপক্ষও এরকম আন্দোলন ছাড়া কথা কানে নেয় না।

মুছে ফেলুন


১০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩১ রামন বলেছেন: যদি আজ এই ভাস্কার্যটি কোনো মসজিদের সামনে কিংবা মসজিদের ভেতরে স্হাপনের পরিকল্পনা করা হত তাহলে অবস্যই আমি তীব্র প্রতিবাদ করতাম কারণ ইসলাম ধর্মে এসব মসজিদের সামনে রাখা হারাম। আর সে কারণে হযরত মহাম্মদ সা. কাবাঘরের মূর্তি ভেংগে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। লালনের ভাস্কার্যটি যে স্হানে স্হাপন করা হয়েছিল যদি সেখানে মসজিদ বনানোর পূর্ব পরিকল্পনা থাকতো তাহলে সেখান থেকে ভাস্কার্যটি সরালে কোনো সমস্যা হত না। সেদিন ধর্মান্ধ ও মৌলবাদীরা ভাস্কার্যটি সরানোর জন্য যে তান্ডব ও পেশীশক্তি চলালো সেজন্য তাদেরকে তিরস্কার জানানো ব্যতিত অন্য কোনো ভাষা আমার নাই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

মুছে ফেলুন


১১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪ কানমলা-০৮ বলেছেন: ভালো লেখা। ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


১২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬ মুকুট বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো লিখেছেন! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


১৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫ বিবিধ বলেছেন: ত্রিভুজ ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে পোস্টের শেষ অংশটুকু আবার পড়লাম।
এ ব্যাপারে আমার মতামত হচ্ছে, হ্যা প্রতিবাদের ধরণ মূলত একেক অঞ্চলের সংস্কৃতির উপর নির্ভর করে। তবে এটা অবশ্যই ঠিক বাংলাদেশে যে ভাষায় প্রতিবাদ হয় তা যেমন অনৈতিক আবার যুক্তরাষ্ট্রে মানবিক বিপর্যয়ের সময় যে লুটপাট হয় তাও অনৈতিক।

"বাংলাদেশী চরিত্র" আমি দেখি অন্য দেশ থেকে অনেক ভাল।" কথাটি আপেক্ষিক। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
লেখক বলেছেন: ঠিক। একেক জাতির একেক চরিত্র।

মুছে ফেলুন


১৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮ আবূসামীহা বলেছেন: অলস সময়ে ভেবেছেন ভালই। ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫
লেখক বলেছেন: তাই মনে হল আপনার? ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


১৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৫ ত্রিভুজ বলেছেন:
@উন্মু আব্দুল্লাহ
"সহিংসতা এখনও এদেশে আন্দোলনের প্ধান অস্ত্র। কর্তৃপক্ষও এরকম আন্দোলন ছাড়া কথা কানে নেয় না।"

সমস্যা হলো কতৃপক্ষ আর আন্দোলনকারীরা একই চরিত্রের। এদেশ থেকে এই দুই শ্রেণীকেই ঝেটিয়ে বিদায় করে দিন, তারপর দেখবেন দেশে কোন আন্দোলন নাই।


@বিবিধ
কথাটা আপেক্ষিক হলে রেশিও হিসেব করলে আমরা অনেকের চেয়েই ভাল। অন্তত আমি সেরকমই বিশ্বাস করি। তবে দেশের বাইরে যারা অবস্থান করেন, তাদের বেশীর ভাগেরই দেশ সম্পর্কে প্রচুর ভুল ধারনা রয়েছে। মিডিয়ার ফুলানো ফাঁপানো নিউজগুলো হয়তো এর জন্য দায়ী।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৭
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পরে কোন রাজনৈতিক বিষয়ে একমত হলাম ত্রিভুজ। হ্যা, দুই গ্রুপের চরিত্র একই বলে এরকমটা হয়ে থাকে। তবে ঝেটিয়ে বিদায়ের কাজটি দুরূহ, প্রায় অসম্ভব।

মুছে ফেলুন


১৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৬ ত্রিভুজ বলেছেন:

@উন্মু আব্দুল্লাহ
আপনি সবার মন্তব্য মডারেশনে না রেখে নির্দিষ্ট কারো কারো মন্তব্য রাখতে পারেন। মন্তব্য করার পর অপেক্ষা করতে বললে কেমন যেন লাগে। আলোচনার মেজাজ নস্ট হয়ে যায়...


(এই মন্তব্যটা প্রকাশ করতে হবে না)
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১০
লেখক বলেছেন: স্যরি। মন্তব্য প্রকাশ করেছি বলে। আমি এটা বুঝি। কিন্তু এর আগে এরকম করেও কোন লাভ হয় নি। নিত্য নূতন নিক নিয়ে আসে। ব্লক করেও কোন লাভ হয় না। বাজে মন্তব্যে ঠিকই পোস্ট ভরে যেতে থাকে।

যা দরকার, তা হল বন্ধু ব্লগারের লিস্ট। যাদেরকে মডারেশনের বাইরে রাখতে পারি। পোস্ট মডারেশনে থাকলেও। সামহোয়ার যদি এরকমটার ব্যবস্থা করত, তবে খুব ভাল হত আমার জন্য।

মুছে ফেলুন


১৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৮ সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: জটিল সত্য কথা ~! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


১৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪১ বিবিধ বলেছেন: @ ত্রিভুজ
ধন্যবাদ।
আমাকে প্রবাসী মনে করার কারণ নেই। জীবনেও অন্য কোন দেশে যাই নি। হয়তো কোন এক সময়ে যাওয়া হবে।

কে কার চেয়ে ভাল সেটা বুঝানো আমার উদ্দেশ্য ছিল না। আমি বলতে চেয়েছি বাংলাদেশের মানুষের যেমন কিছু খারাপ দিক রয়েছে আবার আমেরিকানদেরও খারাপ দিক রয়েছে। তবে দেশের সকল জনগণই যে এর ভেতর অন্তর্ভুক্ত তা নয়।

# কম্পিউটার গ্রুপে আমি সমস্যা লিখে একটা পোস্ট দিয়েছি যদি পড়ে সমাধান দেন তাহলে উপকৃত হতাম। আগাম ধন্যবাদ। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪২ বিবিধ বলেছেন: যা দরকার, তা হল বন্ধু ব্লগারের লিস্ট। যাদেরকে মডারেশনের বাইরে রাখতে পারি। পোস্ট মডারেশনে থাকলেও। সামহোয়ার যদি এরকমটার ব্যবস্থা করত, তবে খুব ভাল হত আমার জন্য।

সহমত। এরকম একটি ব্যবস্থা থাকলে খুবই ভাল হয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


২০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫১ হলদে ডানা বলেছেন: খুবই ভাল লাগলো আপনার লেখাটি। অনেক ধন্যবাদ।

কয়েকটি আপত্তি বা ব্যক্তিগত অভিমত আছে-

প্রথমত, মোল্লা শব্দটি ব্যবহার না করলে পারতেন। এতে সব মুসল্লি বা ইসলামপ্রিয়, সুন্নত প্রিয় মানুষের দিকেই অঙ্গুলি নির্দেশ করা হয়। অথচ এদেশের সাধারণ ইসলামপ্রিয় মানুষগুলো অধিকাংশই নিরিহ-নিস্পৃহ হয়ে থাকেন, যেমনটি আপনি নিজের ব্যাপারে বললেন।

যখন গার্মেন্টস শ্রমিক কিংবা রাজনৈতিক কর্মীরা নিজ স্বার্থ আদায়ে হিংস্র হয়ে ওঠে তখন তো তাদেরকে বিশেষ নামে ডাকা হয়না। পরিকল্পিতভাবেই মোল্লা শব্দটিকে নেতিবাচক করা হচ্ছে। আমরা সচেতনরা তাদের সে পরিকল্পনায় কেন সহযোগীতা করবো? এদেশের কয়বার "মোল্লা"দের আন্দোলন হয়েছে? সে তুলনায় এক সিইসি এম এ আজিজকে সরানোর জন্য যে হিংস্র আওয়ামী আন্দোলন হয়েছে তা অনেক বেশি বিভৎস। আমার আপত্তিটা "মোল্লাদের আস্ফালন" শব্দের ব্যবহারে।

২.
গনতন্ত্রের উপর শক্তিমত্তার প্রভাব বিষয়ক আপনার কথার সাথে পূর্ণ একমত, আলোচনা ও উদাহরণ উভয়ই ভালো লাগলো। এবং একইসূরে বলতে চাই, বাংলাদেশে অন্য যে সমস্ত ভাষ্কর্য তথা মূর্তি রয়েছে- ঢাবি ক্যাম্পাস তো শত শত মুর্তিতে ছেয়ে গেছে, এগুলোর ব্যাপারে খুব স্বল্প সংখ্যক জনমানুষেরই সমর্থন রয়েছে। মূলত শক্তি খাটিয়ে, প্রভাব খাটিয়ে এগুলো তৈরী করা হয়েছে।

তথ্যবহুল পোস্টের জন্য আবারো ধন্যবাদ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২
লেখক বলেছেন: মোল্লা শব্দটি আমি ইচ্ছে করেই ব্যবহার করেছি। কারন এইসব শব্দ এত বেশী দেখি যে আমি একজন সেটা না বললে কোন ক্ষতি বৃদ্ধি হবে না। এই নেতিবাচক শব্দের দ্বারা অনেকাংশেই সাধারন ইসলামপ্রিয় মানুষের দিকে ইংগিত করা হয় - সেটা মিথ্যা নয়। কিন্তু তাতে তো আমিও পড়ি। আমিও তো সেই বিদ্রূপ নিজের ঘাড়ে নিলাম।



মুছে ফেলুন


২১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩ হলদে ডানা বলেছেন: "বন্ধু ব্লগারের" জন্য কমেন্ট মডারেশন অপশনের নিরাপদ ব্লগার অপশনটি কোন কাজ দেয় কিনা দেখতে পারেন। আমি অবশ্য টেস্ট করে দেখিনি।



এটি প্রকাশ না করলেও চলবে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৩
লেখক বলেছেন: সেটা মনে হয় কাউকে একবার "সন্দেহজনক" বা "নিষিদ্ধ" করলে আবার ফিরিয়ে নেয়ার জন্য।

মুছে ফেলুন


২২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২২ বেতাল বলেছেন: সহমত @ক্ষ্যাপা।
পোস্টে মাইনাস জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন


২৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮ বিবেক সত্যি বলেছেন: ১০ নম্বর মন্তব্যে রামনের কথার প্রেক্ষিতে , ভাষ্কর্যটি তৈরী করা হচ্ছিলো হাজী ক্যাম্পের কাছে । মসজিদের সামনে মূর্তি তৈরী করার যে সেন্স হাজী ক্যাম্পের কাছে মূর্তি বানানোর একই সেন্স । মোল্লারাদের (!) আস্ফালন (?) করার যথাযথ কারন ঘটেছে ...
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৫
লেখক বলেছেন: এয়ারপোর্টে এমন কোন স্থাপনা রাখা উচিত নয় যা সাধারন মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরী করে।

মুছে ফেলুন


২৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪ মদন বলেছেন: প্রতিবাদে যদি হাল্কাপাতলা ভাংচুরই না হইলো, তাইলে প্রতিবাদ হইলো কেমনে? তয় আমার গাড়ি ভাংলে আপত্তি আছে জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
লেখক বলেছেন: বেশীর ভাগ মানুষেরই মনে হয় এইরকম একই অনুভূতি!!!!!

মুছে ফেলুন


২৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯ ভাইরাস! বলেছেন: ক্ষ্যাপার প্রশ্নের উত্তর কি পোস্টদাতার কাছে নাই! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫১
লেখক বলেছেন: পোস্টদাতা ফরমায়েসী কাজ করে না। তবে সময় পেলে ক্ষ্যাপার কথার জবাব দেব বলে ঠিক করেছি।

মুছে ফেলুন


২৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩ শামীম রিয়াজ বলেছেন: কি যে লেখেন? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮
লেখক বলেছেন: সে তো আমারও কথা!!!!!!!!!!

মুছে ফেলুন


২৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৪ 'প্রবাল গ্রুপ' বলেছেন: প্রবাল গ্রুপকে ভুলেই গেলেন তাহলে? পোস্টটি গ্রুপে আসতে পারতো। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮
লেখক বলেছেন: এখন দিলাম।

মুছে ফেলুন


২৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫২ পারভেজ বলেছেন: আমার মনে হয় হাজী সাহেবদের তুলনায় অনেক বেশী সাধারণ মানুষ বিমান বন্দর দিয়ে আসা যাওয়া করে বছরের বাকি ১০ টা মাস, তাই না? তাই এটা খুব একটা শক্ত যুক্তি না। তবে, লালনের মূর্তি ঠিক প্রকৃত অর্থও বহন করবে না। স্বাধীনতা ভিত্তিক কিছু হওয়া উচিত। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
লেখক বলেছেন: সাধারন মানুষদের মধ্যে কি ইসলাম প্রিয় কেউ নেই?

মুছে ফেলুন


২৯. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪০ মাহমুদ রহমান বলেছেন: হুম..... ভাল লাগল।

পোস্ট পড়ে বুঝলাম মুর্তি ব্যাপারটা নিয়ে আপনি বেশ পরিশ্রম করেছেন। আপনার আন্তরিকতা প্রশংসার দাবী রাখে।

মুর্তি বা ভাস্কর্য সংক্রান্ত ইসলামের বিধানাবলী আলাদা পোস্ট আকারে একটু বিস্তারিত আসলে মন্দ হতো না। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ভাল হবে। তবে কাজটি কঠিন।

মুছে ফেলুন


৩০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২০ ফারুক আহসান বলেছেন: হাহাহা । আপনার সাথে বিন্দুমাত্র মতের মিল না থাকা সত্বেও লেখাটি ভালো লাগল । অন্তত মডারেট মোছলেম নামক ভন্ডামিটি নাই আপনার মধ্যে ।

ভালো থাকুন । জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৪
লেখক বলেছেন: গনতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে মতের অমিল থাকাটা আমি স্বাভাবিক ভাবেই নেই।

লেখা ভালো লেগেছে জেনে খুশী হলাম। আপনিও ভাল থাকুন।

মুছে ফেলুন


৩১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১ পারভেজ বলেছেন: আজকে প্রথম আলোতে হুমায়ুন আহমেদের একটি কলাম ছাপা হয়েছে। অবশ্যই পড়ে দেখবেন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬
লেখক বলেছেন: পড়লাম। আপনাকে ধন্যবাদ। হুমায়ূন আহমেদকেও ধন্যবাদ।

মুছে ফেলুন

buet memory

রোজার মধ্যে পরীক্ষা। চরম বিরক্তিকর। ভর্তি পরীক্ষা তো নয় যেন যুদ্ধ। সে যুদ্ধে যাতে না হেরে যাই সেজন্য কত প্রস্তুতি। রাতের পর রাত। দিনের পর দিন। খাওয়া/ঘুমের সময় টুকু শুধু অবসর। বাকী সময়টা চলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ভরে অংক কষা।

কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। পরীক্ষার হলে গিয়ে প্রথম অ্যালজাব্রার প্রথম প্রবলেমটাই ভুল করলাম। অতি সহজ সমস্যা। জটিল মূলের একটি দেয়া। কোয়াড্রেটিক ইকুয়েশনটি বের করতে হবে।

কেন যেন মাথা একেবারেই কাজ করল না। জলবৎ তরলং এই সমস্যাটির কোন সমাধান কিছুতেই খুজে পেলাম না। বার বার চিন্তা করেও মাথা ফাকা!! কিছুতেই মনে এল না সহজ সেই কনসেপ্ট, "জটিল মূল গুলো যুগল রূপে আসে। একটি পজিটিভ হলে অন্যটি হবে নেগেটিভ।" এটা জটিল রাশিমালার বেসিক কনসেপ্ট। এই সমস্যাটি সলভ করতে পারলাম না। শুরুটাই হয়ে গেল গোলমেলে। এর পরের তিন ঘন্টা একটা ঘোরের মধ্যে যেন ছিলাম। কি লিখছি, কি ভাবছি সব যেন এলোমেলো।

আমার মনে হয় না সেই ব্যাচে বুয়েটে যারা ঢুকেছিল তারা কেউ অ্যালজাব্রার এই সহজ সমীকরনটি বের করতে অপারগ হয়েছিল। আমি বোধকরি সবার মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম। ক্লাস সেভেনের ছাত্রের পক্ষে ক্লাশ ফোরের অংক ভুল করা আর কি।

আজও যখন অবসরে পুরানো দিনের কথা মনে দোলা দিয়ে যায় তখন সেই স্মৃতি আমাকে নাড়া দেয়। মনে হয়, আমি বসে আছি ই এম ই বিল্ডিং এর পরীক্ষার হলে। বার বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছি সলভ করতে। আর ভাবছি এসব সমস্যা তো হাজারোটা করেছি, এখন কেন পারছি না।

আজকে আমার ছেলে শুরু করেছে অ্যালজাব্রা। যেদিন সে প্রথম কমপ্লেক্স ভেরিয়েবলস ধরবে সেদিনই তাকে আমি প্রথম এই সমস্যাটা করাব বলে ঠিক করেছি। যাতে তার কোনদিন ভুল না হয়। যে ভুলটা আমি করেছিলাম, সেই একই ভুল তার যেন কখনই না হয়।

বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি তা বলে ব্যর্থ হয় নি। সহজ সমীকরনটি ভুল করেছি তবে ক্যালকুলাসের দক্ষতা আমাকে টেনে নিয়ে যায় ১০০ এর মধ্যে। আর স্বপ্ন হয় সত্যি। আমি পা রাখি বুয়েটে।

স্বপ্নভংগ হয় বুয়েট শুরু করার পর। কিন্তু সে গল্প আজ আর নয়। হবে আরেকদিন।












এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন ৪৬ টি মন্তব্য ৫৩০ বার পঠিত, আপনি রেটিং দিতে পারবেন না
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি



--------------------------------------------------------------------------------

এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন



--------------------------------------------------------------------------------





--------------------------------------------------------------------------------

এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন
আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন

আপনার নাম :


আপনার ই-মেইল


আপনার বন্ধুদের ইমেইল


মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন
hi, i have been reading a nice wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28754206 , please visit the link and rate it if you like. :-)

নিজেকেও একটি কপি পাঠান




--------------------------------------------------------------------------------



১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৮ শাওন বলেছেন: মাথা ! দেশের সবার স্বপ্নের মুল লক্ষ্য ।
আমাদের ফ্রেন্ডগ্রুপের মাত্র ১টা চান্স পেয়েছে । রাফি, যেবার দেশে গেলাম সেবার সবাই এস এস সি দিলো । এ + পেলো কিন্তু দেখি নিস্তব্দ রাগে ফুসতেছে , মেয়ে ৪টাই পেয়েছে গোল্ডেন প্লাস , সে পায়নি । এবার মেয়ে ৪টা বুয়েটে দিয়েছিলো , পায়নি । সে পেয়েছে ।

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৭
লেখক বলেছেন: শাওন, ভাল লাগল কথাগুলো। বুয়েট প্রতিযোগিতামূলক সন্দেহ নাই। তবে বুয়েটে টিকেনি এমন অনেকে পরের লাইফে অনেক বেশী ভাল করেছে। সুতরাং বুয়েট নিয়ে কোন দম্ভ নেই।

তবে স্মৃতিগুলো অমলিন। "বুয়েট" নাম শুনে মানুষ বাহবা দিয়েছে সেটাও ভাল লাগত।

আর আমাদের সময় বিদেশে পড়ার ডিসিশন যারা নিয়েছিল তাদের প্রায় সবাই আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। বুয়েটের সেশন জ্যাম, মান্ধাতা আমলের সিলেবাস - এইসবের কারনে বিদেশে এসে মাস্টার্সে নূতন করে শিখতে হয় সবকিছু।


মুছে ফেলুন


২. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০০ জেনারেল বলেছেন: বুয়েটে পড়েন নাই ভাল করছেন, পড়লে যে কি হত আল্লাহ-ই মালুম!!


ডিসক্লেইমারঃ
যদি কেউ মনে করে চান্স পাই নাই তাই এইসব বলি, তাদেরকে বলছি বুয়েটের অধিকাংশ পোলাগো আমি পুছি না, টাইমও নাই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৩
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেনারেল আপনার সহানুভূতিতে।

বুয়েটে না টিকলে খুব কষ্ট পেতাম। প্রস্তুতি নিয়েছিলাম তো।

বুয়েটে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নেই। ক্যাম্পাসটা নূতন দেখে ভাল লেগে যায়। আর মধ্যবিত্ত পরিবারের বলে বিদেশ যাওয়ার সামর্থ্য তখন ছিলো না।






মুছে ফেলুন


৩. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৬ পথহারা বলেছেন: জেনারেল, তোমার পিএইচডি কদ্দুর? জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




৪. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৪ আবূসামীহা বলেছেন: সাময়িক কেন? ভালইতো স্মৃতি কথা। বেশ ভাল লাগল। আমাদের সবারই এরকম কোন না কোন স্মৃতি আছে।

আর জেনারেল মনে করেছেন আপনি বুয়েটে পড়েননি। "ঐ একটা সমীকরণ সমাধান করতে না পারা মানে আর সব না পারা নয়", এটা বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথাতো নয়। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০১
লেখক বলেছেন: কি-বোর্ড দিয়ে এডিট হচ্ছে না বলে ভুল করে লেখা "সাময়িক পোস্ট" শব্দটি মুছতে পারছি না। মাউসের অভাব বোঝা যাচ্ছে।

এই বয়সে এসে স্মৃতিই শুধু রয়ে গেল। সেগুলো রোমন্থন করে হারানো অতীতকে আবার ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করি বার বার।



মুছে ফেলুন


৫. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০১ ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: মিলে গেল তো মনে হয়! রোযার মধ্যে তাও তো মনে ৪ ঘন্টার একটা ছিল, ছক্কা মারা তো দূরের কথা ছেড়ে দে মা কেদে বাচি! যন্ত্রনার কথা আর মনে করতে চাইনা। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০৪
লেখক বলেছেন: আমারও তো একই অবস্থা হয়েছিল। ছেড়ে দে মা কেদে বাচি।

মুছে ফেলুন


৬. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৯ হলদে ডানা বলেছেন: বুয়েটের পাশ দিয়ে যেতে মাঝে মাঝে বিল্ডিংগুলো দেখি। লেখকের কথাগুলো বিনয়মিশ্রিত তবে সত্য- - - "তবে বুয়েটে টিকেনি এমন অনেকে পরের লাইফে অনেক বেশী ভাল করেছে। সুতরাং বুয়েট নিয়ে কোন দম্ভ নেই।"
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৬
লেখক বলেছেন: অভিজ্ঞতা থেকে বলেছি।


মুছে ফেলুন


৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫০ হাশেম পোদ্দার বলেছেন: আই লাইক ইট - দাগাইলাম। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




৮. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:১৭ প্রচেত্য বলেছেন: স্বপ্নভঙ্গ-স্বপ্নপূরণ - দুয়ের সমীকরণে এক মোহমযতায় আবদ্ধ হয়ে গেলাম- কিছুক্ষনের জন্য হলেও জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রচেত্য। স্মৃতি বড় মধুর।


মুছে ফেলুন


৯. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৫ বিবর্তনবাদী বলেছেন: এই পোস্ট সাময়িক কেন?? এটা ডিলিট করবেন না প্লিজ।


আমার বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার অভিজ্ঞতাও স্বরণীয়, তবে সেটা পরীক্ষার হলে না, হলের বাইরে। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়েই গুলিস্তানে জ্যামে আটকিয়ে ছিলাম। এমন সময় এক হিরোইনখোর এসে, বলে "১০০ টাকা দে"। আমি বললাম টাকা নাই। সে হঠাৎ মুখের ভিতর থেকে একটা ব্লেড বার করে বলে, "তাইলে ঘড়ি দে"। আমি যতদুর জানি, এই সব হিরোইনখোরদের ডর ভয় নাই, আমাকে একটা ব্লেডের পোচ দিতে আটকাবে না। আর ওদের বেশির ভাগই এইডস্‌ রোগী। এইডসের ভয়ে আমি ঘড়িটা দিয়ে দিলাম।


আমার করুন স্মৃতি রোমন্থন করলাম। তাই এই পোস্ট ডিলিট না করতে অনুরোধ করছি। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০২
লেখক বলেছেন: ভুল করে সাময়িক কথাটা লিখে ফেলেছিলেম। এখন ঠিক করেছি।
চিন্তার কারন নেই। আপনার কমেন্ট ঠিকমতই থাকবে।


মুছে ফেলুন


১০. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৪ পান্জেরী বলেছেন: আ. আলাইকুম।
আপনার পরবর্তী গল্প শুনার অপেক্ষায় রইলাম। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২১
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।


মুছে ফেলুন


১১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১২ বিবেক সত্যি বলেছেন: ভালো, আমার প্রথম অংকটা (ডাবল ফাংশন, আমি পড়তাম ফগ-গফ) মিলে গেছিলো বলেই মনে হয় কেমিষ্ট্রিতে চরম খারাপ করেও টিকে গেছি.. জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০৮
লেখক বলেছেন: ঘটনাগুলো স্মৃতিতে জমা করে রাখ। একদিন তা মুহুর্তের জন্য হলেও সুখানুভূতি এনে দেবে।



মুছে ফেলুন


১২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩৩ পথহারা বলেছেন: বুয়েট হৈলো কতগুলান উরবর মাথারে চিরো দিনের জন্য নষ্ট কৈরা দেওয়ার মেশিন। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন!!!!!!!

মুছে ফেলুন


১৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:১৪ নরাধম বলেছেন: ভাইয়া বুয়েটে পড়েছিল। তাদের র‌্যাগডে'র টি-শার্টের পিছনে লেখা ছিল:

"I was born genius,
BUET made me dumb"

তবে আমি বুয়েটে অসাধারণ ব্রিলিয়ান্টও দেখেছি আবার চরম হাবা-হাদারাম ও দেখেছি। Overall, BUET বাংলাদেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোন সন্দেহ নেই, অন্তত ছাত্ররা বিশ্বের যে কোন ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্যতা রাখে। আমাদের পরিবারে একটা irony হচ্ছে আমার ছোট মামাকে সবচাইতে মেধাবী মনে করা হয় পরিবারের সবার মধ্যে। তিনি SAT এ খুব ভাল করেছিলেন এবং MIT তে full scholarship নিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তিনি বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাননি!!!!!!!!!!!! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১০
লেখক বলেছেন: ইংলিশ মিডি্য়াম হলে খুব স্বাভাবিক। কারন দুটোর সিলেবাস দুই রকম।

আর না হলে মজার ব্যাপারই বটে।



মুছে ফেলুন


১৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৭ আব্বু ৬৯ বলেছেন: আপা কোন ডিপার্টমেন্টে ছিলেন? আমার কাজিনরা ছিল বুয়েটে ৮০র দশকের শেষের দিকে৷ জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:২৫ উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস।

আমি মুখচোরা। আমাকে না চেনার সম্ভাবনাই বেশী।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৪৩ জেনারেল বলেছেন: পথহারা,
আমি এক্সামে ফেলটু মারায় আমারে ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে বাহির কইরা দিছে, এখন পিয়াজ কাটি, মাঝে মাঝে পিয়াজ খাইও!! জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৭ মুনিয়া বলেছেন:

বুয়েট আহামরি কিছু না। কিন্তু আমাদের দেশে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব এত বেশি যে তার মধ্যে যেখানে কিছুটা পড়াশোনা হয় ওটার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে সবাই।

লেখাটা ভাল লাগল। নিজের ভর্তি পরীক্ষার কথা মনে পড়ছে। ওভার কনফিডেন্ট আমি বলতে গেলে এইচ এস সির পর থেকে কোন পড়াশোনা না করে হলে বসে অন্যদের অংক করা দেখতে দেখতে দুয়েকটা করে অ্যানসার করছিলাম।

আর্কিটেকচার পরীক্ষাটা ভাল দিয়েছিলাম শুধু।
তারপরও বাসায় নিশ্চিন্ত বসে ছিলাম। আমি কোথাও পাব না চান্স নিশ্চিত ছিল ফ্যামিলি। কিন্ত আমার যে কাজিনকে নিয়ে সবাই আশাবাদী ছিল ও পরীক্ষাই দিতে পারেনি। আমার শুধু পরীক্ষা দিয়ে মনে হচ্ছিল যে এই চান্সটা ও পেলে বেটার হত, আমার মত ফাঁকিবাজদের চান্স পাওয়ার চেয়ে।

আবার এইসব করেও যখন শেষ হয়ে যাবে বুয়েট লাইফ তখন নিশ্চিতভাবেই মিস করব। ডিপার্টমেন্টের প্লিন্থে বসে দলবেধে আড্ডা হবে না; রাত ৯/১০টা পর্যন্ত স্টুডিওতে গান শুনতে শুনতে কাজ করা হবে না বন্ধুদের সাথে- এসব ভাবতেই পারি না। তবে জীবন তো এরকমই... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৯
লেখক বলেছেন: আর্কি হলে তো রাত জাগা কমন। আর এর মজাই তো আলাদা।



মুছে ফেলুন


২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫
লেখক বলেছেন: "আবার এইসব করেও যখন শেষ হয়ে যাবে বুয়েট লাইফ তখন নিশ্চিতভাবেই মিস করব। ডিপার্টমেন্টের প্লিন্থে বসে দলবেধে আড্ডা হবে না; রাত ৯/১০টা পর্যন্ত স্টুডিওতে গান শুনতে শুনতে কাজ করা হবে না বন্ধুদের সাথে- এসব ভাবতেই পারি না। তবে জীবন তো এরকমই..."

মুনিয়া, সে জীবন একবার পেয়েছিলাম। সে কারনেই আমার এত ভাল লাগা রয়ে গেছে। আর স্মৃতিতে রয়ে গেছে সেই মুখগুলো যাদের সাথে এতটা সময়, এতটা বছর কাটিয়েছিলাম।

মুছে ফেলুন


১৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৫ মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ৯ জানুয়ারী , সে বছরের সবচেয়ে বেশি শীত পড়েছিল সেদিনই , ভুলবো না কখনো.........ভুলবার মত স্মৃতি না জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
লেখক বলেছেন: স্যারদের এত ঝাড়ি খেয়েও কেন যে বুয়েটকে এত ভালবাসলাম জানি না........................

মুছে ফেলুন


১৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৪ সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

+

'বুয়েট আহামরি কিছু না।'- সুন্দর বলেছেন মুনিয়া জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫১
লেখক বলেছেন: আমারও তাই মত।

তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বুয়েট স্বকী্য়তা বজায় রেখে চলেছে। রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত থাকাটাই এর সাফল্যের কারন।



মুছে ফেলুন


২০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৬ সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:



জেনারেল
বলেছেন: পথহারা,
আমি এক্সামে ফেলটু মারায় আমারে ঘাড়ে ধাক্কা দিয়ে বাহির কইরা দিছে, এখন পিয়াজ কাটি, মাঝে মাঝে পিয়াজ খাইও!!

জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২২
লেখক বলেছেন: আমিও মজা পেয়েছি । হাহ....................


মুছে ফেলুন


২১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭ উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সবাইকে মন্তব্য করা ও পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

স্মৃতির ঝুলি থেকে কিছু সংগ্রহ নিয়ে পরবর্তীতে আপনাদের সাথে আবারো দেখা হবে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৮ মাহমুদ রহমান বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল......... ধন্যবাদ লেখককে।। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

মুছে ফেলুন


২৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১১ গণ্ডার বলেছেন:
বুয়েটে ২য় দিন ড্রইং ক্লাসে কম্পাস আর টি স্কেল লইয়া যাই নাই বইলা বদখত টাকলুটা ক্লাস থাইকা ঘাড় ধইরা বাইর কইরা দিসিলো , রাগে সেইদিনের পর আর বুয়েটে যাই নাই।

একন আমিও জেনারেলের মত পিয়াজ কাটি জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
লেখক বলেছেন: "বদখ্ত টাকলু" কাজটা অন্যায় করেছে তবে বুয়েটে কনটিনিউ করলে পারতেন। প্রানোচ্ছল এক পরিবেশ কি আর বিদেশের প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়?

মুছে ফেলুন


২৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৮ নীল েঢউ বলেছেন: বুয়েট ভালো ....।অনেক ভালো.।কিনতু বুয়েট এর টিচার দের একটু বুকিশ আর স্বাথ্র্পরতা ভাবটা কমাতে হবে...... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২০ রাশেদ বলেছেন: হা হা! টি স্কেলের কথা মনে করাইয়া দিলা গন্ডু। আজব এক জিনিস ছিলো।

হায় বুয়েট, কেন যে পড়তে পারলাম না!!


আমিও এখন থালাবাসুন ধুয়ে বেড়াই। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৩ নীল েঢউ বলেছেন: রাশেদ বলেছেন: হা হা! টি স্কেলের কথা মনে করাইয়া দিলা গন্ডু। আজব এক জিনিস ছিলো।

হায় বুয়েট, কেন যে পড়তে পারলাম না!!


আমিও এখন থালাবাসুন ধুয়ে বেড়াই।

আমারো একি অবস্থা...... জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


আপনার জবাবটি লিখুন




২৭. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২৯ বৃত্ত বলেছেন: পড়লাম। শুরুতে ডেমন অনুভুতি হয়েছিল- কমেন্ট পড়ে আসতে আসতে সেটা হাসিতে রুপান্তরিত হল। আপনার ব্লগে কমেন্ট করছি, জানি আপনি এর জবাব দিতে পারবেন না, কর্তৃপক্ষ আপনাকে ব্যান করে রেখেছে, তবুও, আমার ভালো লাগে। জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

women politics

বর্তমানে বাংলাদেশের চলমান বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে নারীর রাজনৈতিক অধিকারের বিষয়টি আরেকবার আমাকে ভাবিয়েছে । এর পেছনে মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের নারী নীতি থেকে সৃষ্ট জটিলতা। নারী নীতির বিরোধীরা সরকারকে বিভিন্ন ধারা সংশোধনের পাশাপাশি সংসদে নারীর সংরক্ষিত আসন উঠিয়ে দেবার পক্ষে মত দিয়েছে বলে প্রথম আলোতে এসেছে। নারী নীতির বিরোধীদের সহিংস আন্দোলন দমনের ক্ষেত্রে সরকার কিছুটা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে তবে আপাতত নারী নীতি মূলতবি অবস্থায় রয়েছে। যার ফলে নারী নীতি প্রনয়ন হচ্ছে না বলে ধরে নিতে হচ্ছে।

দ্বিতীয় ঘটনাটির প্রেক্ষাপট সম্পূর্ন আলাদা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্নমত পোষনকারী সীমা ইসলাম নামের ছাত্র লীগের এক নারী কর্মী তারই সহকর্মীদের দ্বারা নিতান্ত বর্বরভাবে শারীরিক আক্রমনের শিকার হন। কিন্তু এক্ষেত্রে আশ্চর্যের ব্যপার হল সীমার ঘটনার মূল নায়কদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ রহস্যময় নীরব ভূমিকা অবলম্বন করেছে। পত্র পত্রিকাসহ গনমাধ্যম এ ব্যপারে তেমন একটা দায়িত্বশীল আচরন দেখায় নি। নারী নীতির বিরোধিতা নিয়ে যতটা কভারেজ হয়েছে, সীমার ঘটনা নিয়ে সে তুলনায় কিছুই হয় নি। অথচ নারী নীতি তো নারীদের অধিকারের জন্যই। নীতি প্রনয়ন করে তো কোন লাভ নেই যদি না তা বাস্তবায়ন হয়। বাস্তবে সীমার মত নারী কর্মীদের যদি ভিন্নমত পোষনের দায়ে এভাবে শারীরিক আক্রমনের শিকার হতে হয় তবে হাজারটা নীতি প্রনয়ন করে নারীর অবস্থা পরিবর্তন সম্ভব নয়।

উপরের দুটো ঘটনার পেছনের শক্তির আদর্শিক অবস্থান দুই মেরুতে হলেও ঘটনা দুটি নারীর রাজনীতিকে কেন্দ্র করে। পৃথিবীর ইতিহাসে রাজনীতিতে নারীর পদচারনা নূতন কিছু নয়। রাজনীতির পথে এই বাধা বিপত্তির মুখোমুখি নারীকে এখনকার মত অতীত কালে হতে হয়েছে, কুসুমাস্তীর্ন পথ তার জন্য কখনই ছিল না। তা সত্ত্বেও আদিমকাল থেকে আজ পর্যন্ত যুগে যুগে প্রাসাদ রাজনীতির ইতিহাস নারীর পদচারনায় মূখর। আজকের বাংলাদেশ সেই ধারাকেই অনুসরন করছে মাত্র। আদিম পৃথিবীর অপরিসীম ক্ষমতাধর নারী ক্লিওপেট্রা থেকে শুরু করে আধুনিক পৃথিবীতে গোল্ডা মেয়ার পর্যন্ত হাজারো নারী রাজনীতিতে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন বুদ্ধি এবং কৌশলের মাধ্যমে। কেউ কেউ হয়ত পরবর্তীতে উচ্চাভিলাষের কারনে পরাজিত হয়েছেন - যার উদাহরন হতে পারেন ক্লিওপেট্রা। আবার গোল্ডা মেয়ারের মত নারী রাজনীতিবিদেরা স্বীয় মেধা, জনসম্পৃক্ততা আর কৌশলের কারনে তাদের মানুষের কাছে বরনীয় হয়ে থেকেছেন।

কিংবদন্তী রানী ক্লিওপেট্রার উথ্থান ও পতন দুটোই অত্যন্ত ঘটনা বহুল। মিশরের শেষ ফারাও ক্লিওপেট্রাকে যখন তার পিতা টলেমী উত্তরাধিকারী মনোনীত করে যান তখন তার বয়স মাত্র ১৮। মিশরের আইনে পুরুষ সংগী ছাড়া কোন নারী একক ভাবে শাষক হতে পারত না। ফলে তাকে বিয়ে করতে হয় তারই ১২ বছরের বয়সী ছোট ভাই টলেমীকে। কিন্তু উচ্চাভিলাষী ক্লিওপেট্রা মসনদ পেয়েই সরকারী নথি পত্রে টলেমীর নাম বাদ দিয়ে এককভাবে নিজের নাম বসান। ফলশ্রুতিতে উচ্চ পর্যায়ের পরিষদদের বিরাগ ভাজন হন। এক পর্যায়ে ক্লিওপেট্রাকে সরিয়ে তারা টলেমীর একক ক্ষমতা নিশ্চিত করেন। ক্লিওপেট্রা পালিয়ে যান। কিন্তু তাই বলে তিনি দমে থাকেন নি। নিজের সেনা গড়তে থাকেন। অবশেষে রোম সম্রাট সীজারের প্রেমময় দৃষ্টি আকর্ষন করেন এবং তার সাহায্যে ক্ষমতা ফিরে পান। সীজারের মৃত্যুর পর তিনি এন্টনীর সহায়তায় নিজের সাম্রাজ্যকে আবারো কন্টকমুক্ত করেন। উচ্চাভিলাষী ক্লিওপেট্রার পরিনতি হ্য় খুবই করুন - কোবরার বিষকে বরন করতে হয় তাকে। তার মৃত্যুর সাথে শেষ হয় ফারাও বংশের ইতিহাস।

পৃথিবীর ইতিহাসে ক্লিওপেট্রাকে সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী হিসেবে গন্য করা হয় তবে তিনি একমাত্র নারী রাজনীতিবিদের উদাহরন নন। আরো বহু ক্ষমতাবান নারীর উদাহরন অতীত ও বর্তমানের রাজনীতিতে উপস্থিত রয়েছে। এমন কি ইসলামের রাজনৈতিক ইতিহাস নারীর গৌরবময় পদচারনায় সমৃদ্ধ। ইসলাম পরবর্তী যুগে নারীর রাজনীতি সংক্রান্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ঘটনাটি বোধ করি জামাল যুদ্ধ। জামাল যুদ্ধের একাংশের নেতৃত্ব দেন আয়েশা (রা)। জংগে জামাল যুদ্ধে হযরত আয়েশা (রা) র অংশ গ্রহন ছিল বেশ চ্যালেন্জ্ঞিং। তিনি, তালহা (রা), যুবাইর (রা) সহ বিপুল সাহাবাদের সহায়তা পেলেও তাকে মোকাবেলা করতে হয় প্রচুর প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ সাহাবাদেরকে। এদের একজন ছিলেন আম্মার বিন ইয়াসির (রা)। তিনি আলী (রা) এর পক্ষে ছিলেন এবং তার স্বপক্ষে অবস্থান নেবার জন্য মানুষদের আহ্বান করতেন। তার বক্তব্য ছিল, "আমি নিশ্চিতই জানি জীবনে ও মরনে আয়েশা আল্লাহর রাসুলের সহধর্মিনী। কিন্তু আল্লাহ দেখতে চান তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, নাকি আয়েশার আনুগত্য কর?"

যুদ্ধের ময়দানে তুমুল যুদ্ধের এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে আলী (রা) বুঝতে পারেন আয়েশা (রা) এর উপস্থিতিই তার পক্ষের সৈন্যদেরকে দিচ্ছে পুনর্জীবনী শক্তি। সৈন্যরা পিছু হঠে গেলেও আয়েশা (রা) এর ঘোড়া দেখে আবার উজ্জীবিত হচ্ছে। তিনি বুঝতে পারলেন এই ঘোড়া থাকা অবস্থায় যুদ্ধ বন্ধ হবার কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি ঘোড়ার পা কেটে দেবার সিদ্ধান্ত নেন। পা কাটা ঘোড়া মাটিতে বসে পড়ে। আয়েশা (রা) এর পক্ষের সৈন্যরা ছত্রভংগ হয়ে যায় ঘোড়া না দেখতে পেয়ে। নানা রকম গুজব ভাসতে থাকে। মনোবল ভেংগে যায় সৈন্যদের। পরাজিত আর বন্দিনী হন আয়েশা (রা) এবং তার পক্ষের সবাই।

এই যুদ্ধে অংশ গ্রহনের মাশুল হযরত আয়েশা (রা) কে গুনতে হয় ভাল মতন। তিনি বিতর্কিত হয়ে যান। আলী (রা) উনার সম্পর্কে বলেছিলেন, আয়েশা (রা) এই যুদ্ধে অংশ গ্রহন দ্বারা শরিয়া লংঘন করেছেন কারন আল্লাহর রাসুলের স্ত্রীদের জন্য কোরানের আয়াত "তোমরা ঘরে অবস্থান করবে।" লংঘিত হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী কালের ইসলামী চিন্তাবিদরা এক বাক্যে দাবী করেন, না। এর দ্বারা শরিয়া লংঘন হয় নি। যা হোক, এই যুদ্ধ উনাকে চরম বিতর্কিত করে তোলে।

জামাল যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী একজন সাহাবা আবু বাকরা। তিনি যুদ্ধ করেন আয়েশার পক্ষে। তার একটি হাদীস বেশ বিখ্যাত, "যে জাতি নারীর উপর শাসনভার অর্পন করে সে জাতির উন্নতি হয় না।" এই হাদীসটা নারী নেতৃত্বের বিরোধিতা করতে প্রায়ই উল্লেখ করা হয়। কিন্তু আবু বাকরা (রা) কেন এই হাদীস জানা সত্ত্বেও আয়েশা(রা)র পক্ষে যুদ্ধ করলেন? সে প্রশ্নই এই হাদীসের মর্যাদাকে দুর্বল করে দেয়।

মুসলিমদেরকে হাজার বার নারী নেতৃত্ব বিরোধী সবক দেয়া হলেও মুসলিমরা নারী নেতৃত্বকে কখনই অস্বীকার করে নি। মুসলিম সাম্রাজ্যে যে নারী রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশী সফলতা পেয়েছেন তিনি হলেন ইলতুতমিশের কন্যা রাজিয়া। রাজিয়া একজন সুশাসিকা ছিলেন। ইলতুতমিশ দিল্লির বাইরে গেলে রাজিয়াকে মসনদের দায়িত্ব দিয়ে যেতেন। যেহেতু পরিবারের পুরুষ সদস্যরা ভোগবাদী ছিলেন, ইলতুতমিশ রাজিয়াকে মনোনীত করেন তার মেধা ও যোগ্যতার প্রক্ষিতে। কিন্তু রাজিয়া তার অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেন নি রক্ষনশীলদের বাধার কারনে। তার মধ্যে একটি ছিল অমুসলিমদের জন্য জিজিয়া কমানো। রাজিয়া রক্ষনশীলদের বাধা পাওয়ার অন্যতম কারন তার স্কার্ফের প্রতি অনীহা। তিনি মুসলিম সুলতানাদের প্রথাগত চাদর পড়েন নি। এক যুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে রাজিয়ার পতন ঘটে।

একালের নারী শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে সফল বোধ করি গোল্ডা মেয়ার। তিনি ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বপ্ন দ্রষ্টা ডেভিড বেন গারেনের ছিলেন ডান হাত। বুদ্ধিমতী গোল্ডা বুঝতে পারেন আরবদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের জয়লাভ একমাত্র সম্ভব যদি আরবদের মধ্যে বিভেদকে জাগিয়ে তোলা যায়। যেহেতু আরব বিশ্বে গনতন্ত্র নেই এবং এসব দেশের রাজারা ভোগ বিলাসী, তাই বিভেদের কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব যে নয়, বুদ্ধিমতী গোল্ডা তা ভালই বুঝতে পারেন। সে লক্ষ্যে অবিচল থেকে তিনি জর্ডানের রাজার সাথে গোপনে দেখা করেন। জর্ডানের রাজা তাকে অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন। গোল্ডা তাকে জবাব দেন, "২০০০ বছর ধরে কি আমরা অপেক্ষা করছি না?" গোল্ডার মিশন সফল হয় এবং ইসরাইল পৃথিবীর বুকে বৈধ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গোল্ডা দায়িত্ব পালন করেন।

এতো গেল বাস্তবের নারী রাজনীতিবিদদের কথা। বাস্তবের বাইরে কল্পনার রাজনীতিও নারীর উপস্থিতিতে মূখর। আমি এর আগের পর্বে আমি আদিম কালের রাজনীতিতে ক্লিওপেট্রার মত অপরিসীম ক্ষমতাধর নারীর উদাহরন টেনেছিলাম। কিংবদন্তী রাজনীতিতে অতীতের আরেকজন আলোচিত নারী ছিলেন ট্রয়ের হেলেন। ক্লিওপেট্রা বাস্তবের নারী হলেও, ট্রয়ের হেলেন একজন মিথ, বা কাল্পনিক চরিত্র। কল্পনার হলেও হেলেন আলোচিত হয়েছেন ক্লিওপেট্রার মতই। কিন্তু ক্লিওপেট্রা ক্ষমতাধর, আর হেলেন ছিলেন ক্ষমতাহীন। প্যারিসের সাথে গৃহত্যাগ করলেও তিনি ট্রয়ের রাজ পরিবারে ছিলেন কার্যত বন্দী। প্যারিসসহ ট্রোজানরা যুদ্ধে জড়ান তাদের আত্মম্ভরিতার জন্য। হেলেন একটা অজুহাত মাত্র। অবশেষে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে স্পার্টানরা জয়লাভ করলে, স্পার্টার রাজা মেনেলিস হেলেনকে আবারো স্ত্রী হিসেবে ঘোষনা দেন। হেলেন ফিরে যান মেনেলিসের প্রাসাদে। হেলেনের শেষ জীবন ক্লিওপেট্রার মতই করুন। তাকেও বেছে নিতে হয় আত্মননের পথ। ৩৮ বছরের পরাজিতা ক্লিওপেট্রা আত্ম হননের সিদ্ধান্ত নেন যখন বিজয়ী অক্টেভিয়ান তাকে নগরীতে চুনকালি মেখে জনসম্মুখে অপমানজনকভাবে ঘোরানোর পরিকল্পনা করেন। অন্যদিকে হেলেনকে উৎখাত করেন তার সৎপুত্র এবং তিনিও আত্মহননের পথ বেছে নেন।

বাস্তব, কিংবা মিথ - কোনটাতেই রাজনীতি নারী শুন্য ছিল না। আগামীকালের পৃথিবীও সেরকম হবে বলেই আমার বিশ্বাস। সময়ই বলবে সে বিশ্বাস কতটুকু সঠিক।

joyonti's memory

চমৎকার একটা ঘুম দিয়ে উঠলাম। ফ্রেশ লাগছে। আয়েশে বসলাম ডেস্ক টপের সামনে। সামহোয়ার, প্যাচালী ভ্রমন শেষে চোখ বুলিয়ে নিলাম প্রথম আলোতে। গতানুগতিক ভাবে চোখ বুলিয়ে যাই খবরের শিরোনামে। হঠাৎ যেন ছন্দপতন। একি। একটি খবর কেড়ে নিল আমার সমস্ত মনোযোগ। রুদ্ধশ্বাসে দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়ে রইল সে খবরের বর্ননায়। স্থানুর মত হয়ে রইলাম খবরটি পড়ে।

"জয়ন্তী হত্যা মামলায় আপিলের রায়ে আজম রেজার যাবজ্জীবন"

সময় যেন থমকে গেল।

আমি নিশ্চল হয়ে রইলাম। স্তব্ধ হয়ে গেলাম।

এক মিনিট।

দুই মিনিট।

নাকি পাচ মিনিট?

কতক্ষন জানি না। জানা নেই উত্তর।

হতবিহ্বল। নস্টালজিক হয়ে রই।

সে বিহ্ববলতা আমাকে নিয়ে যেতে চাইল ষোল বছর আগের কোন অতীতে, এক আলো ঝলমল দিনে। এক উচ্ছলতার আবেগে ভরপুর স্মৃতিময় মুহুর্তে। ফেলে আসা সে মুহুর্ত বার বার আমাকে হাত ছানি দিয়ে বলছে, "তুমি অনেক তো চেয়েছ। পেরেছ কি আমাকে ভুলতে।"

আমি তো ভুলতে চাই। আমি তো মনে করতে চাইনা সেই ঝলমলে অতীতকে যা দুঃসহ বর্তমান হয়ে আমাকে করে ব্যকুল, করে অস্থির।

তবু তো পারি না। বার বার চোখের সামনে এসে দাড়ায় আমার কৈশোর আর তারুন্য।

আর একঝাক প্রিয় মুখ।

সেই কবেকার জীবন।

তখন বুয়েটে একেবারে নূতন আমি নই। সেকেন্ড ইয়ার পার হয়েছি। বুয়েটের কঠোর ব্যস্তবহুল দিন গুলোর সাথে কিছুটা হলেও অভ্যস্ত আমরা হয়েছি। বুয়েটের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধু বান্ধবদের সাথে উপভোগ করি। স্টেজে "সন্নাসী উপগুপ্ত" এর নটীর ভূমিকায় ক্লাশমেট কাম বান্ধবী অভিনয় করছে।

"নগরীর দ্বীপ নিভেছে পবনে
দুয়ার রুদ্ধ পৌর ভবনে
নিশিথের তারা শ্রাবন গগনে
ঘন মেঘে অবলুপ্ত।"

স্টেজে বান্ধবীর নৃত্যনাত্যের পারফরম্যান্স দেখি আর সমালোচনা করি।

প্রায়ই এটা ওটা প্রোগ্রাম লেগেই থাকে। হয় বুয়েটে, নতুবা হলে। আমাদের বন্ধুদের বন্ধুত্ব আরো গাঢ় করে দেয়। এদিকে হাসি আনন্দে কাটানো সময়গুলোতে আরেকটি পালক যোগ হল। ক্লাশ থেকে হলে আসতেই ওয়ার্ডেন আপা বললেন, "তোমাদের রুমে নূতন একজন মেয়ে আসবে। প্রস্তুত থাকবে।"

তিনি আসলেন। রুমে ঢুকতেই দেখা হল।

আমার দিকে তাকিয়ে মিস্টি হেসে বললেন, "তুমি করে বলছি। দেখো আমি তোমাদের চেয়ে অনেক সিনিয়র। ৮৩ এর এইচ এস সি।"

আমি অবাক হয়ে তাকালাম। নীরব চোখের প্রশ্ন বুঝতে পেরে বললেন, "আমার পড়াশোনায় অনেক ব্রেক পড়েছে। কি ভূতে ধরেছিলো। বিয়ে করেছিলাম। আজ এই হাল। অনেক গ্যাপ পড়েছে।"

"আপা, আপনার নাম?"

"জয়ন্তী মুনশী। আর্কিটেকচার থার্ড ইয়ার।"

সেভাবে করেই হাস্যোজ্জ্বল জয়ন্তী আপার সাথে প্রথম পরিচয়। গুছিয়ে খুব সুন্দর করে কথা বলতেন। আমরা হা হয়ে উনার গল্প শুনতাম। উনি যে আমাদের সিনিয়র তা উনার আচরনে কখনই প্রকাশ পেত না। এমন কি উনার সাথে এডাল্ট জোকসও আমরা এনজয় করতাম। এমনিতে সিনিয়র আপারা আমাদের সাথে কিছুটা দূরত্ব রাখতেন। উনি কখনও তা করতেন না। উনার সাথে আমার মিল ছিল একটি জায়গায়। আমার মত তিনিও হলিক্রশ কলেজের ছাত্রী। গল্পের অনেকটা অংশ জুড়ে শুধু বুয়েটই থাকত না, থাকত কলেজের কথাও। কখন কি অভিজ্ঞতা - এইসব।

জম্পেস আড্ডা যাকে বলে। রাত হলেই আমার বান্ধবীরা চলে আসত আড্ডার লোভে। সে আড্ডার মূল আকর্ষন জয়ন্তী আপা। খুব সাধারন কথাও তিনি এত চমৎকার ভাবে বলেন যে আমরা মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতাম। উনি বক্তা, আমরা শ্রোতা।

রাত বারটা বাজছে। পরের দিন ক্লাশ। নাহ, আমাদের কোন পরোয়া নেই।

এই আড্ডা খুব বেশী দিন টেকেনি। পরবর্তীতে জয়ন্তী আপা হলে অনিয়মিত হয়ে যান। ছোট ছেলে থাকায় তাকে বাড়ীতে থাকতে হত। আর এদিকে থার্ড ইয়ারের শেষে আমার হয় বিয়ে। সব মিলিয়ে ছত্রভংগ অবস্থা। সেই আড্ডা রয়ে যায় শুধু স্মৃতির উপকরন হিসেবে।

কতদিন কেটে গেছে। আফসানা মিমিকে পাওয়ার জন্য নাকি আজম রেজা খুন করে জয়ন্তী আপাকে। মিমির কথাও উকি দেয় মনের ভেতর। মিমির তখনকার স্বামী গাজী রাকায়েত বুয়েটে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দাড়ায় সংসদ নির্বাচনে। তার প্রচারনা চালাতে মিমি একবার ছাত্রী হলে পা রেখেছিলেন। ঘটনা প্রবাহের কি অদ্ভূত মিল। হায়, মালার পুতিগুলো কি করে একই সূতায় গেথে যায়!

সেই আড্ডা আজ নেই। নেই জয়ন্তী আপা। শুধু আমি, দূর প্রবাসে আজ এক রাশ স্মৃতির সমুদ্রে হাবুডুবু অবস্থায় ভাবছি ফেলে আসা জীবনের কথা। এক দুরন্ত অতীতের কথা। এক প্রানোচ্ছল জয়ন্তী আপার কথা।

আল্লাহ উনাকে জান্নাত বাসিনী করুন। এই দোয়াটুকু রইল শুধু।